খুঁজুন
, ,

সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 29 October, 2020, 4:21 pm
সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, অবৈধ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। সরকারী দলের নেতাকর্মীরা একদিকে নজিরবিহীন ধর্ষণ, দুর্নীতি ও দুঃশাসন চালাচ্ছে, অপরদিকে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র কায়েম করছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ সরকার সুপরিকল্পিভাবে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। দেশে একদলীয় এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করতে একের পর এক বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা চালিয়ে আসছে। দেশকে এই দুঃশাসন থেকে মুক্ত করতে হলে এবং জনগণের ভোটাধিকার পুন:প্রতিষ্ঠা করতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নাছিমনস্থ ভবন দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত মহানগর আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড থানা কমিটি গঠনকল্পে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ত্যাগী নেতাকর্মীদের দিয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার আহবান জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নেই। এ অবস্থায় দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে স্বেচ্ছাসেবক দলেকে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, শাসক দলের অব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে দ্রব্যমূল্য আজ সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার অবনতির পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ জীবন যাপনে উদ্বেগ আতঙ্ক বিরাজ করছে। সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারের দমন নীতির কবলে পড়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহসও পাচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে কথা যেই বলছে তাদের গুম করে ফেলা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক দলকে শক্তিশালী করে গুম, খুনসহ সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে। সরকারের সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে পাড়া মহল্লায় জনমত তৈরি করে রাজপথে নেমে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ সহ সভাপতি ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামী সরকারের খুন, গুম, সন্ত্রাস, লুটপাটসহ সকল দুর্নীতি ও দু:শাসন থেকে মুক্তির জনগণের যে আকংখা সে আকাংখা বাস্তবায়নে আগামীদনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি থেকে মুক্ত করতে হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবৈধ এই সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন একটি সুশৃংখল ও শক্তিশালী সংগঠন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন, শত হামলা মামলা, নির্যাতন নিপীড়ন সত্ত্বেও জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিকেরা আন্দোলন সংগ্রাম থেকে পিছপা হননি। ফ্যাসিষ্ট সরকারের দুর্নীতি ও দু:শাসনের বিরুদ্ধে তারা রাজপথে লড়ই করে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে অতীতের ন্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা রাজপথে আরো অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ত্যাগী, যোগ্য ও মেধাবী নেতৃত্বের সমন্বয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হবে। যারা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে এনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নগর নেতাদের সমন্বয়ে প্রত্যেক থানায় থানায় একটি টিম গঠন করা হবে। তাদের কাছ থেকে ফরম সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। তথ্য সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাসেবক দলে ত্যাগী ও স্বচ্ছ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সি: সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহসভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, সিরাজ উদ্দিন, মো. ইউসুফ, খায়রুল আলম দিপু, সাইদুল ইসলাম, সেলিম রেজা, মো. আসলাম, হারুনুর রশিদ হারুন, পারভেজ আহমেদ, মামুনুর রহমান, মাইনুদ্দিন রাশেদ, হারুনুর রশিদ হারুন। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আলী মুর্তজা খান, জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জসিম উদ্দিন রকি, নুরুল আমিন শিপু, আবু বক্কর রাজু, গোলাম সরওয়ার, আনোয়ার হোসেন এরশাদ, সহসাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আলম, আবদুল হাই, আবু নায়েম মো. দুলাল, আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, হাসান মাহমুদ, এম এ হানিফ, নুরুজ্জামান শিমুল, মনির হোসেন, দেলোয়ার হোসেন বাবু, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, এডভোকেট মোতাহের হোসেন, টিপু সুলতান, মিজানুর রহমান বাবুল, ইমরান চৌধুরী বাবলু, এমদাদুল হক স্বপন, মোখলেছুর রহমান, আবদুল মান্নান, মো. হাসান, গাজী নূহ সেলিম, এসকান্দর মির্জা, মাহবুব খালেদ, তাজুল ইসলাম নয়ন, নিজাম উদ্দিন বুলু, রাসেল খান, মো. আলমগীর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, মো. লিটন, মাঈন উদ্দিন বারেক, মো. সেলিম, মো. নাসির উদ্দিন, মিজানুর রহমান সাইফুল, সাইফুল আলম দিপু, রবিউল ইসলাম, মো. সুমন, শাহজাহান বাদশা, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, বাবুল মিয়া, লুৎফুর রহমান জুয়েল, নুরুল আলম, জাহেদ হোসেন, মো. ইসকান্দর, কামরুল ইসলাম, নাছিরুল আলম মানিক, সাইফুর রহমান, বাবুল গুহ, আবুল হাসেম আজাদ, হারুনুর রশিদ মনি, মো. জসিম উদ্দিন, হাফেজ জসিম উদ্দিন, জাফর হোসেন রনি, তারেক ইকবাল রনি, গিয়াস উদ্দিন সম্রাট, ফরহাদ আলম মৃধা, আবদুল হান্নান, দেলোয়ার হোসেন, সহসম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জাহেদুল ইসলাম, মো. আলী, আকতার হোসাইন, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ নিজাম, খোরশেদ আলম, বাকের হোসেন, জাকির হোসেন মিশু, কামাল হোসেন, মো. সোহেল, জাহেদুল আলম, মো. রকি, মো. সোহেল, মোকতার হোসেন, মো. পারভেজ প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:54 pm
১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে বন্যায় সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় এমপি ও দলীয় সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে ত্রাণ বাবদ ২ কোটি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বিজিবি, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ সরকারি বিভিন্ন বাহিনীকে। প্রস্তুত করা হয়েছে ১ হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয়কেন্দ্রে ওষুধ, স্যানিটেশনসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার নানা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান ড. মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার দায়বদ্ধতা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর আগে, শুক্রবার বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।