খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ৪:২১ অপরাহ্ণ
সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, অবৈধ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। সরকারী দলের নেতাকর্মীরা একদিকে নজিরবিহীন ধর্ষণ, দুর্নীতি ও দুঃশাসন চালাচ্ছে, অপরদিকে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র কায়েম করছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ সরকার সুপরিকল্পিভাবে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। দেশে একদলীয় এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করতে একের পর এক বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা চালিয়ে আসছে। দেশকে এই দুঃশাসন থেকে মুক্ত করতে হলে এবং জনগণের ভোটাধিকার পুন:প্রতিষ্ঠা করতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নাছিমনস্থ ভবন দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত মহানগর আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড থানা কমিটি গঠনকল্পে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ত্যাগী নেতাকর্মীদের দিয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার আহবান জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নেই। এ অবস্থায় দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে স্বেচ্ছাসেবক দলেকে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, শাসক দলের অব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে দ্রব্যমূল্য আজ সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার অবনতির পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ জীবন যাপনে উদ্বেগ আতঙ্ক বিরাজ করছে। সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারের দমন নীতির কবলে পড়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহসও পাচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে কথা যেই বলছে তাদের গুম করে ফেলা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক দলকে শক্তিশালী করে গুম, খুনসহ সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে। সরকারের সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে পাড়া মহল্লায় জনমত তৈরি করে রাজপথে নেমে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ সহ সভাপতি ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামী সরকারের খুন, গুম, সন্ত্রাস, লুটপাটসহ সকল দুর্নীতি ও দু:শাসন থেকে মুক্তির জনগণের যে আকংখা সে আকাংখা বাস্তবায়নে আগামীদনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি থেকে মুক্ত করতে হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবৈধ এই সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন একটি সুশৃংখল ও শক্তিশালী সংগঠন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন, শত হামলা মামলা, নির্যাতন নিপীড়ন সত্ত্বেও জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিকেরা আন্দোলন সংগ্রাম থেকে পিছপা হননি। ফ্যাসিষ্ট সরকারের দুর্নীতি ও দু:শাসনের বিরুদ্ধে তারা রাজপথে লড়ই করে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে অতীতের ন্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা রাজপথে আরো অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ত্যাগী, যোগ্য ও মেধাবী নেতৃত্বের সমন্বয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হবে। যারা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে এনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নগর নেতাদের সমন্বয়ে প্রত্যেক থানায় থানায় একটি টিম গঠন করা হবে। তাদের কাছ থেকে ফরম সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। তথ্য সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাসেবক দলে ত্যাগী ও স্বচ্ছ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সি: সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহসভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, সিরাজ উদ্দিন, মো. ইউসুফ, খায়রুল আলম দিপু, সাইদুল ইসলাম, সেলিম রেজা, মো. আসলাম, হারুনুর রশিদ হারুন, পারভেজ আহমেদ, মামুনুর রহমান, মাইনুদ্দিন রাশেদ, হারুনুর রশিদ হারুন। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আলী মুর্তজা খান, জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জসিম উদ্দিন রকি, নুরুল আমিন শিপু, আবু বক্কর রাজু, গোলাম সরওয়ার, আনোয়ার হোসেন এরশাদ, সহসাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আলম, আবদুল হাই, আবু নায়েম মো. দুলাল, আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, হাসান মাহমুদ, এম এ হানিফ, নুরুজ্জামান শিমুল, মনির হোসেন, দেলোয়ার হোসেন বাবু, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, এডভোকেট মোতাহের হোসেন, টিপু সুলতান, মিজানুর রহমান বাবুল, ইমরান চৌধুরী বাবলু, এমদাদুল হক স্বপন, মোখলেছুর রহমান, আবদুল মান্নান, মো. হাসান, গাজী নূহ সেলিম, এসকান্দর মির্জা, মাহবুব খালেদ, তাজুল ইসলাম নয়ন, নিজাম উদ্দিন বুলু, রাসেল খান, মো. আলমগীর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, মো. লিটন, মাঈন উদ্দিন বারেক, মো. সেলিম, মো. নাসির উদ্দিন, মিজানুর রহমান সাইফুল, সাইফুল আলম দিপু, রবিউল ইসলাম, মো. সুমন, শাহজাহান বাদশা, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, বাবুল মিয়া, লুৎফুর রহমান জুয়েল, নুরুল আলম, জাহেদ হোসেন, মো. ইসকান্দর, কামরুল ইসলাম, নাছিরুল আলম মানিক, সাইফুর রহমান, বাবুল গুহ, আবুল হাসেম আজাদ, হারুনুর রশিদ মনি, মো. জসিম উদ্দিন, হাফেজ জসিম উদ্দিন, জাফর হোসেন রনি, তারেক ইকবাল রনি, গিয়াস উদ্দিন সম্রাট, ফরহাদ আলম মৃধা, আবদুল হান্নান, দেলোয়ার হোসেন, সহসম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জাহেদুল ইসলাম, মো. আলী, আকতার হোসাইন, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ নিজাম, খোরশেদ আলম, বাকের হোসেন, জাকির হোসেন মিশু, কামাল হোসেন, মো. সোহেল, জাহেদুল আলম, মো. রকি, মো. সোহেল, মোকতার হোসেন, মো. পারভেজ প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…