খুঁজুন
, ,

সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধারে ১৬ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সিইউজে’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 31 October, 2020, 8:49 pm
সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধারে ১৬ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সিইউজে’র

নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে দ্রুত উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ থেকে ১৬ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে সিইউজে। এই সময়ের মধ্যে নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে রোববার সকাল ১১টায় সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে পালন করা হবে অবস্থান কর্মসূচি।

তিন দিন পরও নিখোঁজ সাংবাদিক সরওয়ারের সন্ধান না পাওয়ায় সমাবেশে উদ্বেগ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন গণমাধ্যমকর্মির নিখোঁজের ঘটনা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য অশনি সংকেত। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার ইংগিত। রাষ্ট্রের চর্তুথ স্তম্ভ গণমাধ্যমে আঘাত করে কারা ফায়দা লুটতে চায়, কারা সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে চায়, সেসব ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত নিখোঁজ সাংবাদিককে উদ্ধার করা না হবে ততদিন রাজপথ ছাড়বে না সাংবাদিক সমাজ।

গণমাধ্যমকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই অপহরণের ঘটনা হয়েছে মন্তব্য করে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিক বান্ধব সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মহামারিতে সাংবাদিক সমাজের পাশে ছিলেন। নিখোঁজ সাংবাদিক সরওয়ারকে দ্রুত উদ্ধারেও চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে। একইসাথে যারা এই অপহরণ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত তাদেরকেও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

সিইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম ও মোস্তাক আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও হাইকোর্টের অতিরিক্ত এটর্নী জেনারেল এ এইচ এম জিয়া উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিইউজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ ও সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, জাতীয় পার্টির নেতা তপন চক্রবর্তী, প্রতিনিধি ইউনিটের প্রধান সাইদুল ইসলাম, টিভি ইউনিটের প্রধান মাসুদুল হক, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারি রুনা, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ দীপঙ্কর বাবু, যমুনা টেলিভিশনের ব্যুারো প্রধান জামশেদ রেহমান, আজকের সূর্যোদয়ের সহকারি সম্পাদক জোবায়ের সিদ্দিকী, সাংবাদিক মোস্তফা ইউসুফ ও কামরুল ইসলাম, সীতাকুন্ড প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফোরকান আবু, নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারের স্ত্রী জেসমিন সরওয়ার, লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, সাবেক ছাত্রনেতা আরশেদুল আলম বাচ্চু, সহকারি পিপি এডভোকেট নজরুল ইসলাম, মানবাধিকার নেতা আমিনুল ইসলাম বাবু, বেসরকারি কারা পরিদর্শক সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুর রহমান আজিজ, সাবেক ছাত্রনেতা ইয়াসির আরাফাত, মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইয়াছিন কচি, চন্দনাইশ সমিতি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান।

বিক্ষোভ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন সিইউজের নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোছাইন।

বিক্ষোভ সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন মহানগর জাতীয় পার্টির নেতা নাসির উদ্দিন, যুবলীগের কেন্দ্রিয় জাহেদুর রহমান সোহেল, ইসলামিক ফ্রন্টের নেতা মঈনুদ্দীন হালিম, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান তারেক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের নেতা সারোয়ার আলম মনি, বিএসটিআই এর প্যানেল আইনজীবী আশরাফ উদ্দিন খন্দকার, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা শেখ মহিউদ্দিন বাবু, মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি রোমেল বড়ুয়া রাহুল, চন্দনাইশ ,সমিতি চট্টগ্রামের নেতা কফিল উদ্দিন, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহার, মহানগর ছাত্রলীগের উপ অর্থ সম্পাদক আবু হানিফ রিয়াদ, উপ ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রনি, লেখক মাহমুদুল হক আনসারি, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারি।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।