খুঁজুন
রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পায়েল হত্যা: বাস চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
পায়েল হত্যা: বাস চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারের মৃত্যুদণ্ড

দুই বছর আগে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েলকে হত্যা করে সেতুর উপর থেকে লাশ ফেলে দেওয়ার ঘটনায় হানিফ পরিবহনের বাস চালক, তার সহকারী ও সুপারভাইজারের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত।
ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রোববার চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার তিন আসামি হানিফ পরিবহনের বাসচালক জামাল হোসেন, তার সহকারী ও ভাই ফয়সাল হোসেন এবং সুপারভাইজার জনি এ সময় কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

পায়েলের মামা মামলার বাদী গোলাম সরোয়ার্দী বিপ্লব আসামিদের সর্বোচ্চ সাজার রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করলেন।

২০১৮ সালের ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিনের সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল।

২৩ জুলাই মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে পায়েলের লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

এরপর হানিফ পরিবহনের ওই বাসের সুপারভাইজার জনিকে ঢাকার মতিঝিল এবং চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আরামবাগ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতে তাদের জবানবন্দির বরাতে পুলিশ জানায়, গজারিয়া এলাকায় গাড়ি যানজটে পড়ায় প্রস্রাব করার কথা বলে বাস থেকে নেমেছিলেন পায়েল। বাস চলতে শুরু করলে তিনি দৌড়ে এসে ওঠার সময় দরজার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সংজ্ঞা হারান। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার বদলে দায় এড়াতে ভাটেরচর সেতু থেকে নিচের খালে ফেলে বাস নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন চালক ও সুপারভাইজার।

পায়েলকে অচেতন অবস্থায় সেতু থেকে খালে ফেলে দেওয়ার আগে তার পরিচয় গোপন করতে বাসচালক মুখ থেঁতলে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করে তার পরিবার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্র পায়েলের বাসা চট্টগ্রামের হালিশহর সিডিএ আবাসিক এলাকায়। তার বাবা গোলাম মাওলা ও বড় ভাই গোলাম মোস্তফা কাতার প্রবাসী। বড় ভাইয়ের সন্তান হওয়ার খবরে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন পায়েল। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথেই ঘটে ওই ঘটনা।

পায়েলের মৃত্যুর পর তার মামা গোলাম সরোয়ার্দী বিপ্লব বাদী হয়ে চালক জামাল হোসেন, তার সহকারী ফয়সাল হোসেন ও সুপারভাইজার জনিকে আসামি করে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায় ওই হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে গজারিয়া থানার পুলিশ ওইবছর ৩ অক্টোবর তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়। প্রথমে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচার কাজ শুরু হলেও পায়েলের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরে করে।

ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আবদুল হালিম ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সেখানে সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হয়।

কিন্তু আসামিপক্ষের আবেদনে হাই কোর্টের আদেশে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ পাঠানো হয়।

আসামিপক্ষ ঢাকার এ ট্রাইবুনালে আগের আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের তলব করে (রিকল) পুনরায় জেরার আবেদন জানান। বিচারক তাতে সায় দিলে আবার শুরু থেকে সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ফলে রায় পিছিয়ে যায়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিতর্কিত নোটিশ প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

রোববার (৭ জুন) সকাল ৮টা থেকে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় কর্মবিরতি শুরু করেছেন চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এর আগে গত ৪ জুন চমেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, চমেকহা ২০২৫-২৬-এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি শেষে হাসপাতাল পরিচালকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয় এবং দাবি বাস্তবায়নে শুক্রবার (৫ জুন) রাত পর্যন্ত আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না আসায় শনিবার (গতকাল) রাতে সারাদেশের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে– স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত বাতিল, স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা, বিএমডিসি আইন সংস্কার এবং বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও রোববার সকাল ১১টার পর থেকে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

কর্মবিরতির পাশাপাশি রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় চমেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলমান থাকবে এবং প্রয়োজন হলে সারাদেশে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনায় নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছেন এতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। এ রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে বলে আশা রাখি।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসাদুজ্জামান বলেন, রামিসার এই ঘটনায় জাতি বেদনাহত ছিল। এর পরেও আমরা রামিসাকে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তার বাবা-মার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। কিন্তু আমাদের যতটুকু করার আমরা সেটা করার চেষ্টা করেছি। ১৯ মে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনা তদন্ত করে ২৪ মে এর মধ্য চার্জশিট দিতে সক্ষম হয়েছি। ২৫ মে থেকে ৩১ মে অবধি সরকারি ছুটি ছিল। আমাদের নিম্ন আদালতগুলো ১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এক মাসের মধ্যে এই বিচারকার্য শেষ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। নিম্ন আদালতের ছুটি বাতিলের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এরপর মাননীয় প্রধান বিচারপতি সম্মতি দিয়েছিলেন দেশের শিশু ট্রাইবুনাল এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এর ফলেই চার্জশিট দাখিলের পর সিএমএম কোর্ট থেকে এই চার্জশিট ট্রাইবুনালে যায়।

তিনি বলেন, ১ জুন চার্জ গঠনের জন্য দিন ধার্য করেন। কার্যত ৬ কার্যদিবসের মধ্যে আমরা রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনার বিচার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা দেশের ইতিহাসে বিরল। এই উপমহাদেশে নদীয়ায় একবার এমন একটা ঘটনার বিচারকার্য এক দিনে শেষ করা হয়েছিল। এই ঘোষিত শাস্তিতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় কার্যকর থাকবে বলে আশা রাখি।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল হাইকোর্ট বিভাগে চলে যাবে। সেখানে যাওয়ার পর এসব মামলায় পেপারবুক প্রস্তুত করতে হয়, যা বাইরে করার সুযোগ নেই; সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানেই হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করবেন সুপ্রিম কোর্ট।

তিনি বলেন, আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় প্রধান বিচারপতির আদেশে দুটি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তার একটি ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা। আরেকটি ছিল বুয়েটের আবরার ফাহাদ মামলা।

তিনি বলেন, ‘রামিসার এ বিষয়ে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। যত দ্রুত সম্ভব এটি নিষ্পত্তি করব।’

রায় কার্যকর না হওয়ায়ই সমাজে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে কিনা, প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কার্যকর না হওয়া যেমন একটি হতাশার জায়গা। আবার এই কারণে এমন ঘটনা ঘটছে, সেটা আপনারা হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হচ্ছে না। এটা অন্যতম কারণ হতে পারে। ধরেন, রামিসার হত্যাকারী সোহেল মানসিকভাবে অপরাধী। এমন একটি ঘটনা ঘটিয়ে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিচারকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে মামলার রেকর্ডে নেই এমন আরেকজনকে টেনে আনতে চেয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল, বিচারপ্রক্রিয়া কতটা বিলম্বিত করা যায়।

সোহেল তো মানসিকভাবে অপরাধী। সে কত বড় ক্রিমিনাল এটা বোঝা যায়; সে বিচারকার্য বিলম্বিত করতে রেকর্ডে নেই এমন একজনকে টেনে আনতে চেষ্টা করেছে। সে চেয়েছে মানুষ এই ঘটনা ভুলে যায় কিনা। কিন্তু আমরা বিচারে ফোকাসড ছিলাম।

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদু্স কাজল।

তিনি বলেন, শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলে এত দ্রুত বিচার করা সম্ভব হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।