খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ জেল হত্যা দিবস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
আজ জেল হত্যা দিবস

আজ (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায়।

১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে ১৫ আগস্টের পর এই চার জাতীয় নেতাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে পালিত হবে শোকাবহ এই দিনটি।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ।

সকাল ৮টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আজ বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন। এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। সে ছিল ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন অফিসার। ১৫ আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি হত্যাযজ্ঞ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলেহ উদ্দিন।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থ’নী মাসকারেনহাস তার ‘বাংলাদেশ অ্যা লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরপরেই জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনাটি এমন ভাবে নেয়া হয়েছিল পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটার সাথে সাথে যাতে আপনা আপনি এটি কার্যকর হয়। আর এ কাজের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি ঘাতক দলও গঠন করা হয়।

এই ঘাতক দলের প্রতি নির্দেশ ছিল পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটার সাথে সাথে কোন নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করবে।

পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটানোর পরেই কেন্দ্রীয় কারাগারে এই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে জাতির জনককে তাঁর ঐতিহাসিক ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

গোলাম মুরশিদ তার ‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর’ গ্রন্থে’ লিখেছেন মোশতাক জেল হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন কেবল ফারুক আর রশিদকে নিয়ে। তিনি ঠিক করেছিলেন, যে কোন পাল্টা অভ্যুত্থান হলে কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী এবং কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হবে। যাতে নতুন সরকার গঠিত হলেও এই নেতারা তাতে নেতৃত্ব দিতে না পারেন।

অন্যদিকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল লন্ডনে।

এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচারের প্রক্রিয়াকে যে সমস্ত কারণ বাধাগ্রস্ত করেছে সেগুলোর তদন্ত করার জন্য ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। তবে, সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের অসহযোগিতার কারণে এবং কমিশনের একজন সদস্যকে ভিসা প্রদান না করায় এ উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি। সে সময়ে বাংলাদেশের সরকার প্রধান ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ফ্যাক্টস এন্ড ডুকমেন্টস’ গ্রন্থে এই কমিশন গঠনের বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা, মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ সেলিম এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আবেদনক্রমে স্যার থমাস উইলিয়ামস, কিউ. সি. এমপি’র নেতৃত্বে এই কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। ওই সময় বাংলাদেশ ও বিদেশে অনুষ্ঠিত জনসভাসমূহে এ আবেদনটি ব্যাপকভাবে সমর্থিত হয়েছিল।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

বিরোধীদলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
বিরোধীদলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামাজিক, মানবিক বাজেট দেওয়ার পরেও একটি খবরে দেখলাম মানুষের ক্ষতিকারক দিকগুলোর বিষয়ে দাম বাড়ানো হয় এই বাজেটে। এই কারণে এ বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবারের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? লক্ষ্য বুঝতে পেরেছেন? তাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, তাদের লক্ষ্য একটাই। সেটা হচ্ছে দেশের পথে অশান্তি তৈরি করা। মানুষকে বিভ্রান্ত করা।

বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের ওপর। কারণ এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।

শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য। সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বেলা ১১টার দিকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দেশের জন্য কাজ করব—এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। পাতলী খাল পুনঃখনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি কৃষি, সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, খালটি পুনঃখনন হলে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং বছরে প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদ্য ঘোষিত জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ৮ থেকে ১০ হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এসব কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের নগদ আড়াই হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতি। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং তাদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নারী শিক্ষার প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। আমরা সেই ধারাবাহিকতায় স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, নারী শিক্ষার প্রসারে উপবৃত্তি কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরাও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ যাতে সহজে স্বাস্থ্যসেবা পায়, সেজন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বল্পমূল্যে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

এ সময় তারেক রহমান জানান, হার্টের রিং এবং কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ ও ওষুধের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। যাতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমে আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মালিক কোনো রাজনৈতিক দল নয়, দেশের মালিক ২০ কোটি জনগণ। তাদের কল্যাণেই সরকারের সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি।

প্রসঙ্গত, পাতলী খালের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি। ১৯৭৭ সালে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তিনি। পাতলী খাল ছিল তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জিয়াউর রহমান নিজে কক্সবাজারে এসে এই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন। প্রায় অর্ধশতাব্দী পর তারই ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন।

এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মাবুদ। এতে বক্তব্য দেন— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল।

দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, জনসভা এবং সুধী সমাবেশসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সব কর্মসূচি শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে তার।

ক্রিকেটারকে মারধর, জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস সিএমপি কমিশনারের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ণ
ক্রিকেটারকে মারধর, জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস সিএমপি কমিশনারের

জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার শওকত আলী।

শনিবার (১৩ জুন) সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পাশাপাশি ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিএমপি কমিশনার বলেন, নাঈম হাসানের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শুনেছি। বিষয়টি জানার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি স্বীকার করেন, ঘটনাটিতে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের আচরণ পেশাদারসুলভ ছিল না। পুলিশের কোনো সদস্য যদি অপেশাদার আচরণ করেন, তাহলে তার দায় ব্যক্তিগতভাবে তাকেই বহন করতে হবে এবং বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

তিনি জানান, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই সদস্য হলেন এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাশেদ। এছাড়া অভিযানে অংশ নেওয়া পুরো টিমের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় মামলা করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিএমপি কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে কোনো অবৈধ বস্তু পরিবহনের তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি থামানো হয়েছিল। তবে তথ্যের সত্যতা যাচাই বা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুলিশকে অবশ্যই পেশাদার আচরণ করতে হয়। সেই জায়গায় ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, সেটিই তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে একজন ব্যক্তি নাঈম হাসানকে মারধর করেছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে শওকত আলী বলেন, ওই ব্যক্তিকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। পুলিশের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সিএমপি কমিশনার বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। তিনি নিজেও এ ঘটনার জন্য দুঃখিত। বাংলাদেশ পুলিশ কখনোই অপেশাদার আচরণকে প্রশ্রয় দেয় না এবং কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত অনিয়মের দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে নগরের লালখান বাজার এলাকায় ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে আটক করে মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ভুল চিকিৎসা সাজিনাস হাসপাতালে, গ্যাংগ্রিন সংক্রমণে শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
ভুল চিকিৎসা সাজিনাস হাসপাতালে, গ্যাংগ্রিন সংক্রমণে শিশুর মৃত্যু

পৃথিবীতে আসার পর মায়ের বুকের উষ্ণতা ঠিকমতো পাওয়ারও সুযোগ হয়নি। বাবার আঙুল ধরে হাঁটা, প্রথম হাসি, প্রথম ডাক কিংবা ভবিষ্যতের অসংখ্য স্বপ্ন, সবকিছু থেমে গেছে কয়েকদিনের ব্যবধানে।

জন্মের পর শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার সঙ্গে লড়াই করে যখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিল এক নবজাতক, তখন তার বাম হাতে দেখা দেয় ভয়াবহ জটিলতা। হাতের কয়েকটি আঙুল কালো হয়ে যায়, পরে পুরো হাতে ছড়িয়ে পড়ে গ্যাংগ্রিন (রক্ত সঞ্চালনের অভাবে পচনশীল ক্ষত)।

জীবন বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয় ছোট্ট হাতটি। কিন্তু ততক্ষণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কাছে হার মানে নবজাতকটি।

চট্টগ্রামের এক মায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া দীর্ঘ একটি পোস্ট এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি অভিযোগ করেছেন, সাজিনাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তার সন্তানের হাত নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে সেই জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়। হৃদয়বিদারক ওই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ।

আমাতুল মাকনুন নামের ওই মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৫ মে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তার পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। জন্মের সময় অক্সিজেন সংকট ও নিউমোনিয়ার কারণে শিশুটির লাইফ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। সে কারণে তাকে চট্টগ্রামের সাজিনাস হাসপাতাল লিমিটেডের এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফয়সাল আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়। ঈদুল আজহার ছুটিতে চিকিৎসার দায়িত্ব পালন করেন অন্য চিকিৎসকেরা।

তিনি লিখেছেন, চিকিৎসার কয়েকদিন পর সন্তানের অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে এনআইসিইউতে গিয়ে সন্তানকে দেখে আসতেন। পঞ্চম দিন এক চিকিৎসক তাকে জানান, শিশুটিকে এনআইসিইউ থেকে বের করে কেবিনে স্থানান্তরের প্রস্তুতি চলছে। খবর শুনে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। সেদিন অনেক অনুরোধ করে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট সন্তানের পাশে কাটানোর সুযোগও পেয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সন্তানকে দেখার সময় তার বাম হাতে ব্যান্ডেজ দেখতে পান মা। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বলেন, ‘চিন্তার কিছু নেই’। কিন্তু পরদিন চিকিৎসকদের ডাকে গিয়ে তিনি যে দৃশ্য দেখেন, তা তার ভাষায় জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ মুহূর্ত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি সাথে সাথে চিৎকার দিলাম। গতকাল দেখে গেলাম ভালো, আজকে কেন এই অবস্থা? আমি বুঝে গিয়েছি- ওরা ক্যানোলাতে কিছু ভুল করেছে। এটা সেলুলাইটিস হয়ে গ্যাংগ্রিনের দিকে চলে যাচ্ছে’।

মায়ের অভিযোগ, শিশুটির বাম হাতের নিচের অংশ, তর্জনী ও অনামিকাসহ কয়েকটি আঙুল কালো হয়ে গিয়েছিল। প্রথমদিকে চিকিৎসকেরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেননি। পরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ডাকা হয়। ভাসকুলার সার্জনসহ কয়েকজন চিকিৎসক শিশুটিকে দেখেন এবং চিকিৎসা দেন। একপর্যায়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলেও পরিবারকে আশ্বস্ত করা হয়।

সেই আশ্বাসের কারণেই পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরদিন শিশুটির হাতের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। তখন পরিবার তাকে দ্রুত রাজধানীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগে শিশুটির হাতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। ঢাকায় নেওয়ার পর ব্যান্ডেজ খুলে চিকিৎসকেরা দেখতে পান হাতের কবজি পর্যন্ত গ্যাংগ্রিন ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে গেছে।

তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকায় ব্যান্ডেজ খোলার পর দেখলাম হাতের কব্জি পর্যন্ত গ্যাংগ্রিন। ওইটা থেকে পুরো বডিতে অনেকটাই ইনফেকটেড হয়েছে। ওর অর্গানগুলো কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছিল’।

রাজধানীর একাধিক হাসপাতাল ঘুরে শেষ পর্যন্ত একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকেরা পরিবারকে জানান, শিশুটির জীবন বাঁচাতে আক্রান্ত হাতটি কেটে ফেলতে হবে। সেই মুহূর্তের বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানান শিশুটির মা। তাঁর ভাষায়, ‘হাত ছাড়া না হয় আমার বাচ্চা বাঁচবে, এই বলে মনকে বুঝ দিয়েছিলাম’।

পরিবারের সম্মতিতে অস্ত্রোপচার করে শিশুটির হাত অপসারণ করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সংক্রমণ শরীরের ভেতরে গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। অস্ত্রোপচারের পরদিন থেকেই অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। রক্তচাপ কমে যায়, শরীরের রং পরিবর্তিত হয়, লিভার ও পেট ফুলে যায়। একাধিক জটিলতার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ছোট্ট শিশুটি।

সন্তান হারানোর বেদনা নিয়ে মা লিখেছেন, ‘পরের দিন পুরো শরীরের কালার চেঞ্জ হলো, প্রেসার লো হলো, পেট ও লিভার ফুলে গেলো। দুইবার কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পর আমার নিষ্পাপ যোদ্ধা সন্তান মারা গেল’।

আমাতুল মাকনুন বলেন, ‘সন্তানের হাতে জটিলতা দেখা দেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। শেষ দুইদিনে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক চিকিৎসক শিশুটিকে দেখতে পর্যন্ত আসেননি। রিলিজ সামারিতেও প্রকৃত পরিস্থিতির প্রতিফলন ছিল না। ঢাকার ইবনে সিনা, এভারকেয়ার-সব জায়গার ডাক্তার আমাদের বলেছিলেন- ভুল ট্রিটমেন্ট আর অনভিজ্ঞতার কারণে আমার বাচ্চার এই অবস্থা হয়েছে। ওরা আমার বাচ্চাকে সবাই মিলে খুন করেছে’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর দেওয়া পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর অসংখ্য মানুষ মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। কেউ কেউ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

সাজিনাস হাসপাতাল লিমিটেডের মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডা. সরওয়ার কাশেম রাসেল বলেন, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল থেকে ক্যানোলা ইনফেকশন নিয়েই আসে পেশেন্ট। আমরা বিষয়টি লক্ষ্য করার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিই। দুইদিন উন্নতিও লক্ষ্য করি কিন্তু তৃতীয় দিন থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া হয়। শিশুটিকে যে চিকিৎসাগুলো দেওয়া হয়েছিল তার ডকুমেন্টস আমাদের কাছে আছে। গ্যাংগ্রীন হয়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রামে পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়ার মত সুযোগ নেই। তাই শিশুটিকে যে চিকিৎসক চিকিৎসা করেছেন- ডা. ফয়সাল, তিনি ঢাকা এভারকেয়ারে নিয়ে যেতে বলেন। সব ধরনের ব্যবস্থাও করে রেখেছিলন। কিন্তু পেশেন্টকে এভারকেয়ারে না নিয়ে ইবনে সিনায় নেওয়া হয়। এতে প্রায় ২৪ ঘণ্টার মত সময় নষ্ট হয়। যখন ইবনে সিনা থেকে এভারকেয়ারে নেওয়া হয় তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাজিনাস হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।