খুঁজুন
, ,

আদালতের রায় বাংলায় লিখতে বিচারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 4 November, 2020, 10:09 pm
আদালতের রায় বাংলায় লিখতে বিচারকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আদালতের রায় বাংলায় লেখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে ট্রান্সলেটর নিয়োগ দানের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বিচারাধীন মামলাগুলোর দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণে বিচারক এবং আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রায় যদি কেউ বাংলায় লিখতে না পারেন, ইংরেজীতে লেখেন কোন আপত্তি নেই। কিন্তু সেই রায়টা বাংলায় ট্রান্সলেশন করে যেন প্রচার হয় সে ব্যবস্থাটা করে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মামলার রায়গুলো ইংরেজীতে দেওয়া হয়। অনেকে সেই রায়টা বুঝতে না পারায় আইনজীবীরা যেভাবে বোঝান সেভাবে তাদের বুঝতে বা জানতে হয়।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ইংরেজীতে লিখতে লিখতে অনেকে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। তাই, বাংলাতেই রায় লিখতে হবে, এ ধরনের চাপ প্রয়োগ ঠিক নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে, আমি বলবো, এগুলো ট্রান্সলেশন করা এমন কোন কঠিন কাজ নয়, অনেক প্রফেশনাল ট্রান্সলেটর আছেন। তাদেরকেও আপনারা প্রশিক্ষণ দিয়ে নিতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা জেলার নবনির্মিত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর জনসন রোডস্থ আদালত পাড়ায় ঢাকা জেলার নবনির্মিত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ভবনের মুল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রান্সলেটরদের কাজ হবে যেটাই লেখা হোক সব ট্রান্সলেশন হয়ে যাবে এবং সেটাই প্রচার হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ জানতে পারবে। ফলে, বিচারের কি রায় হলো তারা সেটা নিজে দেখে বুঝতে পারবে, জানতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতিকেও আমি অনুরোধ করবো, আইনমন্ত্রীও এখানে আছেন, আপনারা কিছু ব্যবস্থা নেন। কারণ, এটা জুডিশিয়াল ব্যাপার, এর অনেক কথা, শব্দ, টার্মস যেগুলো আমাদের সাধারণক্ষেত্রে ব্যবহার হয় না সেগুলোর অনুবাদ যদি সহজভাবে করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এ ব্যাপারে যদি কোন ফান্ড লাগে সেটারও ব্যবস্থা করবো। কিন্তু, আমি চাই, এটা যেন হয়।’

মানুষের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যেকোন প্রকার সহযোগিতায় তাঁর সরকার সর্বদা প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিচারাধীন মামলাগুলোর দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণেও বিচারক এবং আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুন ২০২০ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আদালতে ৩৭ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯০৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুততম সময়ে রায় প্রদানের উপায় বের করার জন্য সকল বিচারক এবং আইনজীবীগণের কাছে আমি অনুরোধ জানাচ্ছি। ’

তিনি বলেন, ‘এই এত মামলা এভাবে জমে যেন না থাকে, কিভাবে এইসব মামলার বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায় অবশ্যই এ ব্যাপারে একটু আন্তরিক হবেন এবং ব্যবস্থা নেবেন।

‘এজন্য যে কোন ধরনের সহযোগিতা করতেও সরকার প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু এতগুলো মামলা এভাবে পড়ে থাকুক সেটা আমরা চাই না,’যোগ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে ভোগান্তি মুক্ত বিচার প্রাপ্তি মানুষের অধিকার। তাহলে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের যে আস্তা ও বিশ্বাস রয়েছে তা আরো বৃদ্ধি পাবে।

আইন মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। আইন সচিব গোলাম সারোয়ার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেন ন্যায় বিচার পায়, বাংলাদেশের মানুষ যেন ভাল থাকে,স্বস্তিতে থাকে, শান্তিতে থাকে, নিরাপদে থাকে এবং উন্নত জীবন পায়। আর এভাবেই যেন আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারি, সে লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আইন সচিব গোলাম সারোয়ার মূল অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থেকে ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা জেলার নবনির্মিত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনের একটি রেপ্লিকাও উপহার দেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:55 pm
খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া ব্রাজিলের তৈরি দুটি অত্যাধুনিক ৯ এমএম পিস্তল উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের একটি বস্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। ডিবি উত্তরের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

এর আগে, গত রাতে একই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ মোট সাত পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের বস্তি এলাকায় অস্ত্র কেনা-বেচা চলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ব্রাজিলীয় প্রযুক্তির ‘টরাস’ ব্রান্ডের দুটি ৯ এমএম পিস্তল জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রস ব্যাংক ও রেকর্ডপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, অস্ত্র দুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর অংশ।

বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:48 pm
পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর পূর্ব বাকলিয়া এলাকার ১০০০ অসহায় পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে পূর্ব বাকলিয়া চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্র প্রায় ১০০০ পরিবারের হাতে তিনি এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। বিতরণকৃত খাদ্য তালিকার মধ্যে চাল, ডাল, পিয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাবার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, জনগণের কল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করছি।বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সবার সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় মশক নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের সভাপতি আজিজুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে ও মাহবুব সিদ্দিকীর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তৈয়ব। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শাহজাহান সিরাজ, আলি ইউসুফ, আব্দুল্লাহ আল সগীর, পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব আলী আজগর, বিএনপি নেতা সোলেমান সরদার, আলী আজগর, মো. আলমগীর, রৌশানগীর আমীন, কামরুন্নেসা, হাসানুল করিম, মোহাম্মদ সেলিম, আব্বাস আলী, কোহিনুর আক্তার, মো. শাকের, আবদুস সাত্তার, জিসান, সাজ্জাদ, ইমন, ইউনুস, জুনায়েদ, বোরহান, টিপু, নুরুল আবছার, মো. এরশাদ, আইমন, ইমরান, মো. সাকিন, রুস্তম আলী, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।