খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় অবস্থানরতদের সহায়তা চসিককে সক্ষমতার ভিত্তি দেবে: সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় অবস্থানরতদের সহায়তা চসিককে সক্ষমতার ভিত্তি দেবে: সুজন

চট্টগ্রামের সামগ্রিক উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন ঢাকায় অবস্থানরত চট্টগ্রামের সন্তান সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংস্থার সাবেকও বর্তমান পদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর নগরী হওয়ায় জাতীয় অর্থনীতির হৃদপিন্ড। চট্টগ্রাম থেকে চীন পর্যন্ত সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এবং বন্দরের মাধ্যমে পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্য, নেপাল ও ভূটানের সাথে ট্রানজিট লিংক এতদ্ অঞ্চলের অথনৈতিক সমৃদ্ধি ও শ্রী বৃদ্ধির সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তাই চট্টগ্রাম বাঁচলে শুধু দেশ নয়, সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার যুগান্তকারী পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বৈল্পবিক ভূমিকা রাখবে।

তিনি আজ ঢাকায় সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক’র চেয়ারপার্সন হোসাইন জিল্লুর করিমের সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাৎকালে একথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি চট্টগ্রাম থেকে অর্জিত হলেও জাতীয় আয় বৃদ্ধির অনেকগুলো খাত নির্জিব রয়ে গেছে। এগুলোকে জাগিয়ে তোলা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র ও স্থাপনা গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশন-ভিশন অনুযায়ী বাংলাদেশ উন্নত দেশের মাইল ফলক স্পর্শ করবে।

তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি কল্পে আয়বর্দ্ধক প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রধান সেবা খাত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগের গতিশীলতা আনয়ণে ঢাকায় অবস্থঅরতন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট জন ও কৃতি সন্তনদের প্রণোদনামূলক সহায়তার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, তাঁরা এগিয়ে এলে চসিক জনকল্যণমূখী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়াবার ভিত্তি পাবে।

ব্র্যাক চেয়ারপার্সন হোসাইন জিল্লুর করিম চসিক প্রশাসকের বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করে বলেন, প্রশাসক হিসেবে খোরশেদ আলম সুজনের প্রচেষ্টা আশা জাগানিয়া। মহৎ ও ভালো কাজের জন্য যে মানসিক ও নৈতিক দৃঢ়তা প্রয়োজন তা থাকলে কোন কিছুই অসাধ্য নয়।

তিনি আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকান্ড এবং রাস্তা-ঘাটের সংস্কার বর্তমানে যে গতি পেয়েছে সে গতি ধরে রাখতে পারলে চট্টগ্রাম নগরী অচিরেই একটি সুন্দর, সুস্থ এবং পরিচ্ছন্ন নগরীতে পরিণত হবে।

তিনি চসিক প্রশাসকের যে কোন কর্মকান্ডে সর্বাত্নক সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করেন। সেসময় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্য সচিব ও ব্র্যাকের উপদেষ্টা আবদুল করিম, চসিক প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের পর বাড়লো লঞ্চভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চভাড়া কম দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা ও বেশি দূরত্বে ১৪ পয়সা বেড়েছে। কম দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ২ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে ১৮ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ভাড়া ২ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা করা হয়েছে।

নতুন ভাড়া মঙ্গলবার (৫ মে) থেকেই কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’ এর বিধি ২৭ অনুযায়ী সরকার নৌযানে যাত্রী পরিবহনের জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে মিটিং করেন তারা।

পরে গত ২৩ এপ্রিল ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওইদিনই ভাড়া বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওইদিন থেকে কার্যকর হয় নতুন ভাড়া।

কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত মোট ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিএফডিসির ফিশারিঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (স.দা) ড. অনুরাধা ভদ্র, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের রাঙামাটি কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম এবং পৌর প্রশাসক মো. মোবার হোসেন।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদ দেশের মৎস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার মাছ দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন ও রপ্তানি আরও বাড়াতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

‎তিনি আরও বলেন, জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় বর্তমানে যে ২০ কেজি চাল দেওয়া হয়, তা সমতলের জেলেদের মতো ৪০ কেজিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাপ্তাই হ্রদ দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা ও বিপণন নিষিদ্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।