খুঁজুন
, ,

হায়েনারা হত্যা করেছিল বঙ্গবন্ধুর নশ্বর শরীরকে তাঁর অবিনশ্বর চেতনা ও আদর্শ মৃত্যুঞ্জয়ী-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2020, 7:17 pm
হায়েনারা হত্যা করেছিল বঙ্গবন্ধুর নশ্বর শরীরকে তাঁর অবিনশ্বর চেতনা ও আদর্শ মৃত্যুঞ্জয়ী-সুজন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ শনিবার সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক নগর ভবনের সম্মুখস্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ৃয়া, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুফিদুল আলম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সেলিম আকতার চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আকতার নেলী, প্রশাসকের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহেদা পারভীন, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ.কে.এম রেজাউল করিম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দীকিসহ কর্পোরেশনের পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারীলীগ(সিবিএ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড সচিব ফোরাম এর পক্ষ থেকেও নগর ভবনের সম্মুখস্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্যা অর্পণ করা হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারীলীগ (সিবিএ)এর সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড সচিব ফোরাম এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ ওয়ার্ড সচিবগন উপস্থিত ছিলেন। এরপর চসিক কনফারেন্স হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, আজ ১৫ই আগষ্ট। জাতীর জন্য এক কলঙ্কময় দিন। জাতীয় শোক দিবস। ৪৫ বছর আগে ১৯৭৫ সালের এই দিনে পাক হায়েনাদের প্রেতাত্মা তথা একদল বিপদগামী সেনাবাহিনীর একটি চক্রান্তকারী চক্র সপরিবারে হত্যা করে বাঙালী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতীর অবিসংবাদিত নেতা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধু ৪৮, ৫২,৬৬, ৬৯, ৭০ সহ বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুর দ্বার হতে বার বার ফিরে এসেছিলেন, ৭১-এ পাকিস্তানী হায়েনারা যা করতে পারে নাই, সেই কাজটিই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্পাদন করে পাপিষ্ঠ ঘাতকরা। ওরা মানুষ নামের হায়েনার দল, ওরা শয়তানের প্রেতাত্মা। ওরা জঘন্য। ওরা বিপদগামী হিংস্র জানোয়ারের দল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু একদিন যে আঙ্গুলী উচিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, বলেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” সেই স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর আঙ্গুলি চিরদিনের জন্য নিস্তেজ করে দেয় ঘাতকরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক সেই বাড়িতে। আর কোনদিন ঐ আঙ্গুলি আমাদেরকে প্রেরণা দিতে আসবেনা, দিবেনা মুক্তির বারতা। তবে একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে তিনি মৃত্যুহীন। চির অমর হয়ে থাকবেন বাঙালি জাতির প্রত্যেকের মনে। সেদিন ঘাতকদের উদ্দেশ্য ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভেঙে আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে ভুলুন্ঠিত করা। কিন্তু সেদিন জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর আর্দশ, নীতিকে মুছে ফেলতে পারেনি ঘাতকরা।

প্রশাসক আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর স্বপ্ন। তাই জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে আমাদের বঙ্গবন্ধরু আজীবন লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলে আমরা চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথাযর্থ সম্মাণ প্রদর্শন করতে পারবো।

প্রশাসক বলেন এই বছর ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জম্মশতবার্ষিকী মহা আয়োজনে করার কথা থাকলেও বৈশ্বিক মহামারী করোনা দূর্যোগের কারনে তা সীমিত করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি যদি উন্নতি হয় ২০২১ সালে আমাদের মহান স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। এই অনুষ্ঠান পালনের মধ্যদিয়ে নতুন প্রজম্ম বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে এবং দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজেদেরকে নিবেদিত করবে বলে প্রত্যাশা করেন প্রশাসক।

তিনি বলেন, জাতির পিতার আদর্শকে লালন ও বুকে ধারণ করে তার সুযোগ্য তনয়া মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নির্মাণে কাজ করছেন। একই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সহ ১৫ই আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রশাসক মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সারা দেশে ১ কোটি চারাগাছ রোপন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাইগারপাস্থ বিন্নাঘাস প্রকল্প এলাকায় কয়েকটি ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ

জাতীয় শোক দিবস ২০২০ ও মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বছরব্যাপী কর্মর্সূচির অংশ হিসেবে আজ চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগ সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সকল ধরনের রোগীকে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। চিকিৎসাসেবার মধ্যে নাক-কান-গলা, দন্ত চিকিৎসা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিক পরীক্ষা, মেডিকেল চেক-আপ রয়েছে। নগরীর চসিক জেনারেল হাসপাতাল, মেমন মাতৃসদন হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, দাতব্য চিকিৎসালয় থেকে এসব রোগীদেরকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন উপস্থিত থেকে এই সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এই সময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম আকতার চৌধুরী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী সহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চসিক স্বাস্থ্য বিভাগের অধীন মিডওয়াফারী ইনস্টিটিউট, হেলথ টেকনোলজি, চসিক জেনারেল হাসপাতাল, দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র সমূহে পৃথক পৃথক দোয়া মাহফিল ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

পরে প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন ষ্টেশন রোডে পরিচ্ছন্ন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, মুজিববর্ষকে স্মরনীয় করে রাখতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছি তবে করোনার থাবায় সামাজিক দূরত্ব রক্ষার স্বার্থে এসব আয়োজন সীমিত করা হয়েছে।

তিনি বলন, পরিচ্ছন্ন সেবা যাতে পুরোদমে নগরবাসী পায় সেজন্য সকলকে নব উদ্দ্যোমে কাজ করতে হবে।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম,চসিক প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
হায়েনারা হত্যা করেছিল বঙ্গবন্ধুর নশ্বর শরীরকে তাঁর অবিনশ্বর চেতনা ও আদর্শ মৃত্যুঞ্জয়ী-সুজন
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন,বাংলার ইতিহাসে আজ সেই দিন। বৃষ্টিঝরা শ্রাবণের অন্তিম দিনে সেদিন বৃষ্টি নয়, ঝরেছিল রক্ত। বাংলার ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলের মতো বিশাল তাঁর বুক থেকে রক্তগোলাপের মতো লাল রক্ত ঝরেছিল ঘাতকের বুলেটে। সেদিন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বাসগৃহে, বত্রিশ নম্বরের সেই বাড়িতে, আমাদের ইতিহাস তীর্থে, হত্যা করা হয়েছিল কেবল তাঁর নশ্বর শরীরকে, কিন্তু তাঁর অবিনশ্বর চেতনা ও আদর্শ ছিল মৃত্যুঞ্জয়ী। ঘাতকের সাধ্য ছিল না ইতিহাসের সেই মহানায়কের অস্তিত্বকে বিনাশ করার।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ যমজ শব্দ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তারা বাংলাদেশকেই হত্যা করতে চেয়েছিল, মুছে দিতে চেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধজাত এই দেশটিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে। কিন্তু এত সহজেই কি মোছা যায় জনকের নাম আর জনকের স্বপ্নজাত দেশটিকে? দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাসে এই আমরাইতো একমাত্র জাতি যারা সশস্ত্র সংগ্রাম করে প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি একটি মানুষের ডাকে, একটি মাত্র রণমন্ত্র কণ্ঠে ধারণ করে। সেই মানুষটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর সেই রণমন্ত্র ‘জয় বাংলা’। কার সাধ্য এ জাতির গতিরোধ করে, যখন এ জাতির উদ্গাতা বঙ্গবন্ধুর মতো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালীর এক সন্তান আর যখন তাঁর বাহুতে আজও বঙ্গবন্ধুরই শক্তি রয়েছে বহমান।

আজ সকালে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস-২০২০ ও মুজিব শতবর্ষ পালন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসা সেবায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল হচ্ছে দ্বিতীয় লাইফ লাইন। সম্প্রতি করোনা মহামারিতে যখন চট্টগ্রামের মানুষ দিশেহারা তখনই মানবতার হাত প্রসারিত করে অদ্যাবধি মানব সেবায় অবদান রেখে চলেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে চসিক পরিচালিত জেনারেল হাসপাতাল(মেমন-২) তাদের সাথে সমন্বয় করে নাগরিক সেবা প্রদান করতে পারবেন।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস.এম মোরশেদ হোসেন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. আঞ্জুমান আরা ইসলাম, ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী আশরাফ, রেখা আলম চৌধুরী, লায়ন ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, প্রকৌশলী মো. জাবেদ আফসার চৌধুরী, মোহাম্মদ হারুন ইউসুফ, এম জাকির হোসেন তালুকদার, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ,এস এম কুতুব উদ্দিন, মা ও শিশু হাসপাতাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম মোস্তাক আহমদ, হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হক,উপ পরিচালক এ কে এম আশরাফুল করিম, আওয়ামীলীগ নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমদ ইমু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ডা. শেফাতুজ্জাহান।

পরে প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের প্রত্যেক ইউনিট পরিদর্শন করেন এবং এখানে অবস্থানরত ডাক্তার,নার্সসহ সেবা প্রত্যাশী রোগীদের সাথে কথা বলেন ও তাদের খোজ খবর নেন।

এসময় তিনি এই হাসপাতালের উন্নয়নে চট্টগ্রামবাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 8:34 pm
চট্টগ্রামে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি জানান, আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় দুর্ভোগে পড়েছেন এই অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অজস্র পরিবার।

এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মানবিক ও কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন তার নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান।

মাহাদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার সার্বক্ষণিক তদারকি ও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ।

একইসঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০ উদ্যোগ

১. প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিক দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও নিয়মিতভাবে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২. চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় এখন পর্যন্ত ১,০৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩. জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা অনুদান এবং ৩,৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গত মানুষদের কাছে দ্রুততম সময়ে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪. সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬. ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের প্লাবিত অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান, দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানানো এবং ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহাদী আমিন।

শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 8:22 pm
শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম

শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজ একটা ইন্টারভিউ আমরা দেখেছি, যে ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। আমাদের দাবি থাকবে, দেশ তো অলরেডি ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। বাংলাদেশে রায় হয়ে গিয়েছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।’

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে ন্যাশনাল এসএমই ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা কীভাবে আসবে, তিনি কাদের নিয়ে আসবেন, তিনি সারেন্ডার করবেন কি করবেন না। এটা ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে। এখানে আর কোনো পক্ষ নেই। ফলে সরকারই ঠিক করবে তাকে কখন আনবে, কীভাবে আনবে এবং কীভাবে বিচারের রায় কার্যকর করবে। সব প্রস্তুতি নিয়েই তাকে আনতে হবে।

বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরেও, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।
নাহিদ ইসলাম, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। দিল্লি থেকে তাকে যতটুকু পারমিট করা হয়, সে অনুযায়ী তিনি কথা বলেন। ফলে শেখ হাসিনা আসবেন কি আসবেন না, কীভাবে আসবেন, বিচার হবে কি না? এসব মূলত দিল্লির সঙ্গে ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগ এখন কোনো রাজনৈতিক দলই নয়।

জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীরা যে-কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, তবে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা বা প্রচেষ্টা হয়, সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। বাংলাদেশের আপামর জনগণ, জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষ, ত্রিশ হাজার আহত ও ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবারের সদস্য, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি।

আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় নেওয়ার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। ফলে সেটার জন্য আমরাও চাই যে ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।’

অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন উদ্যোক্তা অংশ নেন। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, না উদ্যোক্তাগণ বক্তব্য প্রদান করেন।

রেকর্ড বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষ পেলেন মেয়রের ত্রাণ সামগ্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 8:16 pm
রেকর্ড বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষ পেলেন মেয়রের ত্রাণ সামগ্রী

চট্টগ্রামে গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে মৌসুমের রেকর্ড বৃষ্টিপাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে শুক্রবার হাজারো মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে পাঁচলাইশ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়কের ওয়াজেদিয়া, বোর্ড অফিস, চালিতাতলী বাজার, হাজীপাড়া, বেলতলা, শহীদনগর সহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অবস্থানরত হাজারো মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার পর থেকে সিটি মেয়রের পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় দশ হাজার পরিবারের মাঝে রান্না করা এবং শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে অস্বাভাবিক ও রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা বসে থাকিনি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বয় সভা করেছি এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি করেছি। কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে, কোথায় পানি আটকে আছে, কীভাবে দ্রুত পানি নিষ্কাশন করা যায়, এসব বিষয়ে একযোগে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা, খাবার বিতরণ এবং জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মাঠে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মেয়র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পানি দ্রুত নিষ্কাশন, খাল ও নালা সচল রাখা এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মাসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেয়রের নির্দেশনা গ্রহণ করেন।

এসময় মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এর আগে তিনি চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে পানিবন্দী মানুষের খোঁজখবর নিতে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের হাজীরপুল, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা, বালুরটাল, অনন্যা আবাসিক এবং শমসেরপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি প্রায় এক হাজার পরিবারের মাঝে রান্না করা ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন। পরিদর্শনকালে তারা কোথায় কী কারণে পানি আটকে আছে, পানি নিষ্কাশনে কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে এবং দ্রুত সমাধানে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সে বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত গ্রহণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাফর আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম, আবু ইউসুফ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক জি এম আইয়ুব খান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জসিম, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক শামসুল আলম, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবু, সদস্য সচিব সোলায়মান বাদশা, বিএনপি নেতা মোরশেদুল আলম, লিয়াকত আলী জসিম, মোহাম্মদ ইসমাইলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।