খুঁজুন
, ,

ঝালকাঠিতে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলোর চরম বেহাল অবস্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 16 November, 2020, 5:25 pm
ঝালকাঠিতে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলোর চরম বেহাল অবস্থা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন সেতু এবং ঝালকাঠির বিভিন্নস্থানে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুগুলো সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণ কোনটাই করা হয়নি। ভেঙে পড়া চারটি সেতুতে বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন স্থানীয় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয় উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি। ঘরের নিচে চাপা পড়ে মারা যায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ ৪৭ জন। ভেঙে যায় শতাধিক সেতু ও কালভার্ট। উপড়ে পড়ে। সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় কয়েকটি সড়ক সংস্কার করা হলেও একযুগ পেরিয়ে গেলেও সিডরে ভেঙে পড়া ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার চারটি সেতু সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণ কোনটাই করা হয়নি। এনিয়ে ১৩ বছর ধরে ক্ষোভ জমে আছে গ্রামবাসীদের মনে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝালকাঠির গুরুত্বপূর্ণ ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন সেতু, সরমহল পুনিহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতু ও সরমহল হাসেমিয়া মোজাহেদীয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সেতুগুলো নস্ট হয়ে গিয়ে ওপরের লোহার অ্যাঙ্গেলের রেলিং ও হাতলগুলো ছুটে ঝুলে আছে। পারগুলো ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। দীর্ঘ দিনধরে পারবিহীন ব্যাপক অংশ ফাঁকা অবস্থায় সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। ধ্বংসে পড়ার আশঙ্কায় সেতুর ওপর দিয়ে কোন প্রকার যান বাহন চলাচল করতে পারছে না। বিকল্প উপায় না থাকায় এলাকাবাসী চাঁদাতুলে ভেঙে পড়া সেতুর একাংশে বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে। ওই সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার করছে স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ।

সেতু সংস্কারের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকে দায়ি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। সরমহল গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম এবং মজিবুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ শতশত গ্রামবাসী এই সেতু দিয়ে পারাপার হন। অনেকেই পারাপারের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেতুটি আর সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানের সেতুর এক পাশ সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। ক্ষত বিক্ষত সেতু দিয়ে যাতায়ার করা ঝুকিপূর্ণ হয়ে গেছে।

এ অবস্থায় স্কুল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গ্রামবাসী একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

সরমহল গ্রামের বাসিন্দা ও কুশংগল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান এবং কুশংগল ইউনিয়ন পরিষদ বতর্মান চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, সেতু সংস্কারের জন্য আমরা উপজেলা পরিষদের কয়েকটি সভায় লিখিতভাবে উত্থাপন করেছি, এখনো কোন বরাদ্দ আসেনি বিধায় সেতুগুলো সংস্কার বা পুননির্মাণ করা হয়নি।

ভবানিপুর গ্রামের কামাল হোসেন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরে স্থানীয়রা চাঁদা তুলে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে পাটাতন তৈরি করে কোন রকমের যাতায়াত করছেন। সিডরে ভেঙে যাওয়ার পরে কর্তৃপক্ষ সেতুটি নির্মাণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন বলেন, ভেঙে পড়া সেতুগুলো নতুন করে নির্মাণের ব্যাপারে প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে গুরুত্ব অনুযায়ী ভাঙা সেতুগুলো নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/আতাউর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।