খুঁজুন
রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিযোগ করায় বাদি ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
অভিযোগ করায় বাদি ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

২৪ঘণ্টা নিউজ ডেস্ক: দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ মিললেও, অর্থের বিনিময়ে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে মামলার আওতায় না এনে উল্টো আইনের ফাঁক ফোকরে ছাড় দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বয়ং দুদকের বিরুদ্ধে। ২১-১১-২০২০ শনিবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইফনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মামলার বাদিরা।

এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিটও করেছে ভুক্তভোগিরা। যা আগামী ৩০ কার্য দিবসেরমধ্যে আদেশ বাতিল করে অভিযোগ কারীর আবেদন পূনঃবিবেচনার জন্য দুদক চেয়ারম্যানকে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

দাঁতমারা ইউনিয়নের সচেতন নাগরিকসমাজের পক্ষে মো. শাহিদুল আলম নাহিদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির উপজেলার সর্ববৃহৎ ২নং দাঁতমারা ইউনিয়নের গত ২০১১ ইংসাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মো. জানে আলম। গত ২০১৫-২০১৬ ও ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরেত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে হতদরিদ্রদেরজন্য ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচীর প্রায় সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গত ৮ নভেম্বর ২০১৬ ইং এবং ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে পৃথক দুটি আবেদন করি। এ নিয়ে বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির টিম ৩৬০ ডিগ্রী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারকরে। এ ছাড়াও স্থানীয় এবং জাতীয় প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় এসব অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রচারিত হয়। এর পর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর তদন্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৪১ জনসাক্ষীর স্ব-শরীরে সাক্ষ্য গ্রহন করেন। প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা এবং স্বাক্ষীদের সাক্ষ্যমতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় এবিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে দুদকসমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ একটি প্রতিবেদন দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে প্রেরন করে। যেখানে চেয়ারম্যান মো. জানে আলম সহ সংশ্লিষ্ট ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা দায়ের, চেয়ারম্যান মো. জানে আলমের সম্পদ বিবরনীর নোটিশ জারি এবং উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম সহ অপরাপর সরকারী কর্মকর্তাদেও বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশকরা হয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় দুদকের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা গুটিকয়েক অসাধু কর্মকর্তার গোপন আতাঁতের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে তদন্ত কর্মকর্তার সুপারিশকে উপেক্ষা কওে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানকে মামলা থেকে কৌশলেবাদ দিয়ে শুধুমাত্র আত্মসাৎকৃত সোয়া কোটি টাকা সরকারী অর্থেরমধ্যে মাত্রসাড়ে ৬ লাখটাকা কোষাগারে জমা প্রদানের অনুমোদন দেয়া হয়। বিষয়টি আমরা অবগত হওয়ার পর দুদক চেয়ারম্যান বরাবর বিষয়টি পূনঃবিবেচনার জন্য গত ৮ অক্টোবর এবং ৯ নভেম্বর পৃথক দুটি আবেদন করি। কিন্তু আমাদের আবেদন গুলোকে দুদক প্রধান কার্যালয় আমলে না নিয়ে তাঁদের পূর্বেও সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।

এমন অবস্থায় আমরা মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করি। গত ১৯ নভেম্বর মাননীয় বিচারপতি এনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানী শেষেআ গামী ৩০ কার্য দিবসেরমধ্যে পূর্বেও আদেশ বাতিল কওে অভিযোগকারীর আবেদন পূনঃবিবেচনারজন্য দুদক চেয়ারম্যানকে আদেশ দেন।

শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান দুদকের মামলা ডিসমিস করেছে মর্মে এলাকায় নানাভাবে প্রচারনা চালাচ্ছে এবং অভিযোগ কারী হিসেবে আমাদেরকে ও নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছে। ইতোমধ্যে অনিয়মের প্রতিবাদ কওে অভিযোগ করায় ইউপিসদস্য আনোয়ার হোসেনকে এবং অনিয়মের সংবাদ প্রকাশক করায় সাংবাদিক আবু মুছা জীবনকে দুটি করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। চেয়ারম্যান টাকার জোরে উপর মহলে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলেছে এই দম্ভোক্তি দেখাচ্ছে এলাকায়। এমতাবস্থায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে অভিযোগকারী হিসেবে আমরাশংকা ও নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। তদন্তে অভিযুক্ত প্রমাণিত হওয়ার পরেও এ ধরনের দুর্নীতিবাজদেরকে মামলার আওতায় না এনে উল্টো আইনের ফাঁক ফোকরে ছাড় দেয়া হলে দুদকের প্রতি দেশের জনমানুষের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থানে থাকার ফলে বিভিন্ন স্তরের দুর্নীতিবাজরা যখন একে একে পাকড়াও হচ্ছে। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতওে ঘাপটি মেরে বসে থাকা কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী ও তথাকথিত জনপ্রতিনিধির বির্তকিত ভূমিকায় বর্তমান সরকারের প্রসংশিত অর্জনগুলো ম্লান হচ্ছে।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা

Feb2

চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিতর্কিত নোটিশ প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

রোববার (৭ জুন) সকাল ৮টা থেকে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় কর্মবিরতি শুরু করেছেন চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এর আগে গত ৪ জুন চমেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, চমেকহা ২০২৫-২৬-এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি শেষে হাসপাতাল পরিচালকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয় এবং দাবি বাস্তবায়নে শুক্রবার (৫ জুন) রাত পর্যন্ত আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না আসায় শনিবার (গতকাল) রাতে সারাদেশের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে– স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত বাতিল, স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা, বিএমডিসি আইন সংস্কার এবং বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও রোববার সকাল ১১টার পর থেকে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

কর্মবিরতির পাশাপাশি রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় চমেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলমান থাকবে এবং প্রয়োজন হলে সারাদেশে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনায় নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছেন এতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। এ রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে বলে আশা রাখি।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসাদুজ্জামান বলেন, রামিসার এই ঘটনায় জাতি বেদনাহত ছিল। এর পরেও আমরা রামিসাকে ফিরিয়ে আনতে পারব না। তার বাবা-মার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। কিন্তু আমাদের যতটুকু করার আমরা সেটা করার চেষ্টা করেছি। ১৯ মে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনা তদন্ত করে ২৪ মে এর মধ্য চার্জশিট দিতে সক্ষম হয়েছি। ২৫ মে থেকে ৩১ মে অবধি সরকারি ছুটি ছিল। আমাদের নিম্ন আদালতগুলো ১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এক মাসের মধ্যে এই বিচারকার্য শেষ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। নিম্ন আদালতের ছুটি বাতিলের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এরপর মাননীয় প্রধান বিচারপতি সম্মতি দিয়েছিলেন দেশের শিশু ট্রাইবুনাল এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এর ফলেই চার্জশিট দাখিলের পর সিএমএম কোর্ট থেকে এই চার্জশিট ট্রাইবুনালে যায়।

তিনি বলেন, ১ জুন চার্জ গঠনের জন্য দিন ধার্য করেন। কার্যত ৬ কার্যদিবসের মধ্যে আমরা রামিসার এই বেদনাদায়ক ঘটনার বিচার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা দেশের ইতিহাসে বিরল। এই উপমহাদেশে নদীয়ায় একবার এমন একটা ঘটনার বিচারকার্য এক দিনে শেষ করা হয়েছিল। এই ঘোষিত শাস্তিতে আমরা আপাতত সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় কার্যকর থাকবে বলে আশা রাখি।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাত দিনের মধ্যে এই ফাইল হাইকোর্ট বিভাগে চলে যাবে। সেখানে যাওয়ার পর এসব মামলায় পেপারবুক প্রস্তুত করতে হয়, যা বাইরে করার সুযোগ নেই; সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানেই হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করবেন সুপ্রিম কোর্ট।

তিনি বলেন, আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় প্রধান বিচারপতির আদেশে দুটি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তার একটি ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা। আরেকটি ছিল বুয়েটের আবরার ফাহাদ মামলা।

তিনি বলেন, ‘রামিসার এ বিষয়ে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। যত দ্রুত সম্ভব এটি নিষ্পত্তি করব।’

রায় কার্যকর না হওয়ায়ই সমাজে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে কিনা, প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কার্যকর না হওয়া যেমন একটি হতাশার জায়গা। আবার এই কারণে এমন ঘটনা ঘটছে, সেটা আপনারা হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হচ্ছে না। এটা অন্যতম কারণ হতে পারে। ধরেন, রামিসার হত্যাকারী সোহেল মানসিকভাবে অপরাধী। এমন একটি ঘটনা ঘটিয়ে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিচারকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে মামলার রেকর্ডে নেই এমন আরেকজনকে টেনে আনতে চেয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল, বিচারপ্রক্রিয়া কতটা বিলম্বিত করা যায়।

সোহেল তো মানসিকভাবে অপরাধী। সে কত বড় ক্রিমিনাল এটা বোঝা যায়; সে বিচারকার্য বিলম্বিত করতে রেকর্ডে নেই এমন একজনকে টেনে আনতে চেষ্টা করেছে। সে চেয়েছে মানুষ এই ঘটনা ভুলে যায় কিনা। কিন্তু আমরা বিচারে ফোকাসড ছিলাম।

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদু্স কাজল।

তিনি বলেন, শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলে এত দ্রুত বিচার করা সম্ভব হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।