খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণ গেল ছয় শিশুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
প্রাণ গেল ছয় শিশুর

রাজধানীর রূপনগর শিয়ালবাড়ি বস্তিতে বেলুন ফোলানোর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সবশেষ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে।

ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যুর পর বুধবার সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজনের এবং রাত সাড়ে সাতটার দিকে পঙ্গু হাসপাতালে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত ছয় শিশু হলো: রমজান (৮), নূপুর (১০), শাহীন (৭), জান্নাত (১৪), ফারজান(৭) ও রিয়া মনি (১০)। রিয়া মনি রাতে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ১৫ জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক, বাকি সবাই শিশু। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা ভালো নয় বলে চিকিৎসক জানান।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঢামেক হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় ১৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলো: জুয়েল হোসেন (২৫), সোহেল রানা (২৬), জান্নাত বেগম (২৫), বোন তানিয়া (৮), ভাই বায়েজিদ (৫), জামেলা (৭), অজ্ঞাত পরিচয় শিশু (৫, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক), মীম (৮), ওজুফা (৯), মোস্তাকিম (৮), মোরসালিনা (৯), নিহাদ (৮), অর্নব ওরফে রাকিব (১০), জনি (১০) ও সিয়াম (১১)। এদের মধ্যে সিয়ামের চিকিৎসা চলছে বার্ন ইউনিটে।

নিহত ছয় শিশুর মধ্যে ফারজানার বাবার নাম আবু তালেব, মা নার্গিস বেগম। গ্রামের বাড়ি ভোলার বাপদার চেউয়াখালী। তার বোন মরিয়ম আহত হয়েছে। সে চিকিৎসাধীন। তারা পাঁচ বোন ও দুই ভাই। ফারজানা বস্তির ব্র্যাক স্কুলে পড়ত।
নূপুরের বাবার নাম নূর আলম, মা সুরমা বেগম। গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার দুলারহাটের নুরাবাদ। রুবেলের বাবার নাম নূর ইসলাম, মা পারভীন বেগম। গ্রামের বাড়ি ভোলার চরফ্যাসনে। রমজানের বাবার নাম বদিউল আলম। বাড়ি কিশোরগঞ্জের ফুলবাড়িতে। সে মাদরাসায় পড়ত। শাহিনের (৯) বাবার নাম শাহজাহান। ঝিলপাড়া বস্তিতে পরিবারের সাথে থাকত সে।
রিয়া মনির বাবার নাম মো: মিলন। গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার আটপাড়া। নিহত এই ছয় শিশুই পরিবারের সাথে ফজর আলী মাতবর বস্তিতে থাকত।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভ্যানগাড়িতে করে এক ব্যক্তি মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গ্যাস বেলুন বিক্রি করত। কয়েকদিন ধরেই রূপনগর আবাসিক এলাকার ১১ নম্বর সড়কে সে গ্যাস বেলুন ফুলিয়ে বিক্রি করে। গতকাল বিকালে রূপনগরে ওই সড়কের শেষ মাথায় ফজর মাতবরের বস্তির সামনে বেলুন বিক্রি করতে আসে সে। এ সময় বস্তির শিশুরা বেলুনওয়ালার চারপাশে দাঁড়িয়ে বেলুন ফোলানো দেখছিল। এ সময় সিলিন্ডারে কোনো কিছু করতে যায় বেলুন বিক্রেতা। আর তখনই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে থাকা ১৫ থেকে ২০ জন ছিটকে পড়ে। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে চার শিশুর শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এক শিশুর নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে গেলেও সে এমন অবস্থায় দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু অল্প কিছুদূর যেতেই লুটিয়ে পড়ে শিশুটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যায় সে।

রূপনগর থানার ওসি তদন্ত দীপক কুমার দাস বলেন, ‘গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে এই ঘটনায় মামলা করবে।’

সতর্ক করলেও পাত্তা দেয়নি বেলুন বিক্রেতা : বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে বেলুন বিক্রেতাকে সতর্ক করেছিলেন সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী। প্রথমে একটি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হতে দেখে ওই নারী বিক্রেতাকে সতর্ক করেন। কিন্তু বিক্রেতা তেমন পাত্তা দেননি। বলেন, পানি দিলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সতর্ক করার পরই পরপর তিনটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়।

ক্ষতিপূূরণের আশ্বাস তথ্য প্রতিমন্ত্রীর : ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। গতকাল বিকেল ৫টায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হতাহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে আলোচনা করে হতাহতদের পরিবারকে কিভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়া যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে এ বিষয়ে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে একটা নীতিমালা আছে। সেটি কতটা কার্যকর তা মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার কামরুল হাসান বলেন, ‘ঘটনার পর তিনটি ইউনিট সেখানে কাজ করে। এসময় পাঁচজনকে মৃত অবস্থায় এবং নয়জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে সবশেষ মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। বিষয়টি এখন পুলিশ বলতে পারবে।’

সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ছয় শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় বেলুন বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম আবু সাইদ (৩০)।

বুধবার রাতে পুলিশ তাকে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করে। পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছে পুলিশ।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুপনগর থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত)।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।