খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের

ওবায়দুল হক মানিক, আরব আমিরাত প্রতিনিধি : সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আবির দুবাইয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দরা এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

স্মারকলিপিতে বিজনেস এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দরা জানান সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হয়রানি এতো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তারা বলেন, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা চেঞ্জ এবং ভিজিটে আসা ব্যক্তিদের শ্রমিক ভিসা লাগানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে । দীর্ঘদিনের ভিসা বন্ধ এবং করোনা পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান খোলে প্রচুর বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে কিছু অসাধু অফিসারের কারণে আজ আমিরাত সরকারের দেয়া সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। গুটিকয়েক অসাধু কর্মকর্তার এহেন আচরণ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করি। তাই আমাদের শেষ ভরসা এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের ধারণা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম রপ্তানিকারক তৃতীয় কোন দেশের ইন্দনে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য রেমিটেন্স যোদ্ধাদেব এখন নিজ দেশে অপরাধীর মত আচরণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এই অশুভ শক্তির মুলোৎপাটনের জন্য একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কাউকে আমরা ভাবতে পারছিনা, তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছি। অন্যথায় আরব আমিরাতে বর্তমানে যেসব ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করেছেন তাদের নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার ওসমান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ্ব ইয়াকুব সৈনিক।

সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফিউল আজম, সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, অর্থ উপদেষ্টা কে কে দে বিপ্লব, দিদারুল আলম, বাংলাদেশ সমিতি দুবাইয়ের সদস্য সচিব নাসের রেজা খান, কমিউনিটি নেতা মাজাহারুল্লা মিয়া, দুবাই বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন টেক্সটাইলের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জাকির হোসাইন, এশিয়ান গ্রুপের ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আজিম, আজমান বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসেন খান ও ডেপুটি কনসাল জেনারেল শাহেদুল ইসলাম এর হাতে তুলে দেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা।

Feb2

ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হার। বিশ্বকাপের অভিষেক মঞ্চে এমন এক হতাশাজনক শুরুর পর খুব কম মানুষই কুরাসাওয়ের কাছ থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই সবাইকে চমকে দিল ক্যারিবীয় দ্বীপদেশটি। দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ফল তুলে নিয়েছে কুরাসাও।

রোববার (২১ জুন) কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ইকুয়েডরের। একের পর এক আক্রমণ সাজিয়ে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। এর প্রধান কারণ ছিলেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। পুরো ম্যাচজুড়ে অসাধারণ দৃঢ়তা ও মনোযোগ ধরে রেখে ইকুয়েডরের একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি।

ম্যাচে মোট ১৫টি সেভ করেছেন রুম, যা বিশ্বকাপের মঞ্চে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা গোলকিপিং প্রদর্শনী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও বারবার তাদের হতাশ করেছেন এই গোলরক্ষক। দূরপাল্লার শট, বক্সের ভেতরের সুযোগ কিংবা হেড সব ধরনের প্রচেষ্টাই ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি ১৬টি সেভ করেছিলেন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন রুম।

ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে পরিষ্কার ফেভারিট ছিল ইকুয়েডর। বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা, খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স সবদিক থেকেই এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। কিন্তু মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করে কুরাসাও। শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং গোলরক্ষকের অনবদ্য নৈপুণ্যে ইকুয়েডরের আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেয় তারা।

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে সাত গোল হজম করা দলটির জন্য এই ফল শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও বড় উপলক্ষ। বিশ্বকাপের মতো আসরে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন কুরাসাওয়ের ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেবে।

অন্যদিকে, ইকুয়েডরের জন্য এটি হতাশার ফল। নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারিয়েছে তারা। ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখিয়েও গোল করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে কুরাসাওয়ের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল, তাদের কাছে এই ড্রয়ের মূল্য কতটা। জয়ের সমান আনন্দ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ক্যারিবীয় দেশটি। আর সেই আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলরক্ষক এলয় রুম, যার বীরত্বেই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও।

প্রথমে গোল হজমের পরও জয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ
প্রথমে গোল হজমের পরও জয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি

ম্যাচের অর্ধেকটা সময়জুড়ে ছিল আইভরি কোস্টের আধিপত্য। প্রথমার্ধে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের স্তব্ধ করে লিডও নিয়েছিল আফ্রিকান দলটি। কিন্তু ফুটবল যে ৯০ মিনিটের খেলা, তা আরও একবার প্রমাণ করল জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে তারা।

আর এই জয়ের মাধ্যমে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে জার্মানি। দুই ম্যাচে ২ জয়ে সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে অবস্থান তাদের। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে আইভরি কোস্ট।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে সমানে সমানে লড়াই চলছিল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে নেন তারকা মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্ক কেসি। বাম প্রান্ত দিয়ে তৈরি হওয়া আক্রমণ থেকে ডি-বক্সের ভেতর বল পেয়ে নিখুঁত শটে জার্মানির জাল কাঁপান তিনি। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করায় জার্মানির শিবিরে তখন ঘোর বিপর্যয়।

প্রথম গোল হজম করার আগে ও পরে দুবার আইভরি কোস্টের জালে বল পাঠিয়েছিল জার্মানি। কিন্তু দুটি গোলই বাতিল হয়।

ম্যাচের ২১তম মিনিটে জার্মানি একটি কর্নার পায়। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলটি ডি-বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চমৎকার শটে আইভরি কোস্টের জালে জড়িয়ে দেন জার্মান মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার পাভলোভিচ।

গোলটি হওয়ার পরপরই আইভরি কোস্টের খেলোয়াড়রা ফাউলের দাবি জানান। রেফারি মাঠের সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখে ভিএআরের মাধ্যমে গোলটি বাতিল করেন।

বিরতির ঠিক আগে ডি-বক্সের ডান প্রান্ত থেকে লেরয় সানের একটি নিচু ক্রসে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান স্ট্রাইকার কাই হাভার্টজ। গোল উদযাপনের মুহূর্তেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন। ফলে প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আইভরি কোস্ট।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের চিত্র পুরোপুরি বদলে দেন জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে একযোগে তিন বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামিয়ে যে জুয়া তিনি খেলেছিলেন, তা-ই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নাদিয়েম আমিরির বাড়ানো মাপা ক্রসে দুর্দান্ত এক ভলিতে জার্মানিকে ১-১ সমতায় ফেরান বদলি নামা ডেনিজ উন্দাভ। সমতা ফেরার পর আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সেই সুযোগে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে আইভরি কোস্টের ডিফেন্সের মারাত্মক এক ভুলের সুযোগ নিয়ে জয়সূচক গোলটি তুলে নেয় জার্মানি। ম্যাচটি শেষ হয় ২-১ গোল ব্যবধানে।

সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে সুইডেনের চেনা রক্ষণাত্মক দেওয়ালকে স্রেফ খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সুইডিশদের একবারে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিলো রোনাল্ড কোম্যানের দল। প্রথমার্ধে ব্রায়ান ব্রবি এবং দ্বিতীয়ার্ধে কোডি গাকপোর জোড়া গোলে ৫-১ ব্যবধানে জিতেছে ডাচরা।

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় লিভারপুল উইঙ্গার কোডি গাকপোর একটি চমৎকার মাপা পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পান ব্রায়ান ব্রবি। সুইডিশ ডিফেন্স লাইনের ফাঁক গলে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল উৎসবের খাতা খোলেন আয়াক্সের এই তরুণ স্ট্রাইকার।

ডাচদের শুরুর ঝড় বজায় রেখে ১৭তম মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এবার ডান প্রান্ত থেকে তাঁকে বলের জোগান দেন রাইট-ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস।

প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই সুইডেনের জালে তৃতীয়বারে বল পাঠান কোডি গাকপো।

ম্যাচের ৫৩ মিনিটের মাথায় সুইডেনের কফিনে চতুর্থ পেরেকটি ঠুকে দেন সেই গাকপোই। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি ডাচদের ৪-০ গোলের বিশাল লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

চার গোল হজম করার পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটের মাথায় সুইডেনের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল শোধ করেন বদলি ফুটবলার অ্যান্থনি ইলাঙ্গা। এরপর সুইসরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও আর গোল করতে পারেনি। বারবার তারা নেদাল্যান্ডসের রক্ষণভাগে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে একটি গোল পায় নেদারল্যান্ডস। ফলে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অ্যারেঞ্জ আর্মিরা।

প্রথম ম্যাচে জাপানের সাথে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারানো নেদারল্যান্ডস এই বড় জয়ের মাধ্যমে কেবল ৩ পয়েন্টই পায়নি না, বরং গোল ব্যবধানে নিজেদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারানো সুইডেন আজ ডাচদের এই গতির ফুটবল আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পুরো ৯০ মিনিট কেবল চেয়ে চেয়ে দেখেছে।