খুঁজুন
, ,

বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 25 November, 2020, 9:29 am
বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের

ওবায়দুল হক মানিক, আরব আমিরাত প্রতিনিধি : সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আবির দুবাইয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দরা এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

স্মারকলিপিতে বিজনেস এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দরা জানান সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হয়রানি এতো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তারা বলেন, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা চেঞ্জ এবং ভিজিটে আসা ব্যক্তিদের শ্রমিক ভিসা লাগানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে । দীর্ঘদিনের ভিসা বন্ধ এবং করোনা পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান খোলে প্রচুর বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে কিছু অসাধু অফিসারের কারণে আজ আমিরাত সরকারের দেয়া সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। গুটিকয়েক অসাধু কর্মকর্তার এহেন আচরণ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করি। তাই আমাদের শেষ ভরসা এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের ধারণা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম রপ্তানিকারক তৃতীয় কোন দেশের ইন্দনে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য রেমিটেন্স যোদ্ধাদেব এখন নিজ দেশে অপরাধীর মত আচরণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এই অশুভ শক্তির মুলোৎপাটনের জন্য একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কাউকে আমরা ভাবতে পারছিনা, তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছি। অন্যথায় আরব আমিরাতে বর্তমানে যেসব ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করেছেন তাদের নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার ওসমান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ্ব ইয়াকুব সৈনিক।

সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফিউল আজম, সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, অর্থ উপদেষ্টা কে কে দে বিপ্লব, দিদারুল আলম, বাংলাদেশ সমিতি দুবাইয়ের সদস্য সচিব নাসের রেজা খান, কমিউনিটি নেতা মাজাহারুল্লা মিয়া, দুবাই বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন টেক্সটাইলের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জাকির হোসাইন, এশিয়ান গ্রুপের ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আজিম, আজমান বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসেন খান ও ডেপুটি কনসাল জেনারেল শাহেদুল ইসলাম এর হাতে তুলে দেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।