খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি উপাচার্যের সাথে আন্তঃবিশ্ববিদ্যায় অফিসার্স ফেডারেশন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
চবি উপাচার্যের সাথে আন্তঃবিশ্ববিদ্যায় অফিসার্স ফেডারেশন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

চট্টগ্রাম ডেস্ক : আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের একটি টিম চবি উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। আজ বুধবার (২৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দরা হলেন, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের মহাসচিব মীর মো. মোর্শেদুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম (মজনু) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম (হিরা)।

এসময় চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এস এম মনিরুল হাসান ও কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়াও চবি অফিসার সমিতির সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হামিদ হাসান নোমানীসহ কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অফিসারস ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসাররা হলেন প্রশাসনের অন্যতম চালিকা শক্তি। তাঁরা মেধা, প্রজ্ঞা ও দক্ষতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সচেষ্ট থাকেন।

উপাচার্য ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দকে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কর্মকর্তাদেরকে অধিকতর দায়িত্বশীল হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় দৃশ্যমান ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারবৃন্দের ন্যায্য দাবী-দাওয়া পূরণে বর্তমান প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিক। ইতোমধ্যে অফিসারদের দাবী পূরণে বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সবুজ ক্যাম্পাস অবলোকন করে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপাচার্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ইতোমধ্যে উপাচার্য বেগম রোকেয়া পদকে মনোনীত হওয়ায় নেতৃবৃন্দ উপাচার্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির ন্যায্য দাবীসমূহ পূরণে উপাচার্যের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…