আজো তোমায় ভালোবাসি সুবর্ণা
গৌতম চন্দ্র বর্মন : তুমি শিক্ষিত বেকার বলে, আজ আমিও বাবা মায়ের অবাধ্য হতে পারিনা আমার পড়ার জামাইদের মত আমার বাবাও চায় এমন তোমাক।তুমি আমাকে পেতে চাইলে চাকরি কর? আমি তোমার প্রেমিকা হিসেবে পথ চেয়ে থাকবো দুবছর এরপর আর নয়। কিন্তু আর দশটা প্রেমিকাদের মত হয়ে আমি থাকবোনা, আমি তোমার কাছে কিছু আবদার করবোনা, অভিমান করবোনা, কোন সময় ফোনটা বন্ধ করে তোমাকে রাগো দেখাবোনা ।
ভূলে গিয়ো সেই রেস্টুরেন্টের কথা।গভীর রাতের সেই খোঁজ গল্পের স্মৃতি, তাতে আমার বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই। এসব ভূলে গিয়ে যদি তোমার চাকুরী টা হয়। তাহলে রোজ রেস্টুরেন্টে চুটিয়ে আড্ডা জমিয়ে সন্ধ্যার খাবারটা খেয়ে আসবো দুজনে, এটা সান্ত্বনা না দিব্যি এই আশায় বেঁচে আছি। জীবনের সহজ সময়ে যে তুমুল ভালবাসা দিয়েছিল তার কঠিন সময়ে ইচ্ছাগুলোকে গলাটিপে মেরে ফেলা ছাড়া আমার আর কোন পথ নেই যে আজ।
হয়তো প্রতিদিন তোমার সাথে দেখা হবেনা।করোনায় ঘন ঘন পরীক্ষার ডেট হওয়ায় ওর সাথে দেখা আর হয়না। তাতেই বা কি হয়েছে ওকে কাছে না পাই, ক্ষতি কি? একটু বেশি সময় পড়ুক।কোশ্চিন ক্লাস করে এসে তো পড়বে। চাকুরী পেলে সারাজীবন পাশেতো থাকতেছি।
তার সাথে নিয়মিত দেখা করতে না পারায় সে ফোনে প্রচন্ড বিশ্রি কথা বলতো। তখন আমি প্রতিউত্তর না দিয়ে একটি নিরবে অশ্রুপাত করি।আমার মনে হয় এই রাগটা আমার উপর নয়- হয়তো আজ কোন চাকুরির পরীক্ষার রেজাল্টে ও অকৃতকার্য হয়েছে। ও রাগ করুক, আমার এই সামান্য সহিষ্ণুতার চাদরে ওর ব্যর্থতা কে আড়াল করুক। তবুতো ভালোবাসি আশায় বুক বেধে।


আপনার মতামত লিখুন