করোনায় মারা গেলেন সংগীত প্রযোজক সেলিম খান
করোনার কাছে হার মানলেন দেশের বৃহৎ অডিও-ভিডিও প্রযোজনা সংস্থা সংগীতার কর্ণধার সেলিম খান (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। টানা ছয় দিনের লড়াই শেষে আজ সকাল ৭ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫৫ বছর।
গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন সংগীতার সিইও এবং সেলিম খানের ছোট ভাই রবিন ইমরান।
তিনি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হলে ভাইয়াকে ৪ ডিসেম্বর ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর অবস্থার অবনতি হলে ৯ ডিসেম্বর লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু ভাইয়াকে বাঁচানো গেল না। দেশবাসীকে বলবেন, ভাইয়ার জন্য একটু দোয়া করতে।’
জানা গেছে, আজ বাদ আসর ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে সেলিম খানের বাসভবনের সামনে নামাজে জানাজা শেষে জুরাইন গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, ৮০’র দশকে সেলিম খানের হাত ধরে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সংগীতার জন্ম। দেশের বৃহৎ সংগীত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংগীতা নিজের অবস্থান ধরে রাখে টানা চার দশক।
বাংলাদেশের সংগীতের পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলা সংগীতকে দেশে ও বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সংগীতা। সে কথা স্মরণ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সমসাময়িক আরেক সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাউন্ডটেকের স্বত্বাধিকারী সুলতান মাহমুদ বাবুল।
সংগীত প্রযোজকদের সংগঠন এমআইবির মহাসচিব ও সিএমভির কর্ণধার এস কে সাহেদ আলী বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রভাবশালী সংগীত ইন্ডাস্ট্রি গড়ে ওঠার পেছনে সেলিম ভাইদের অবদানের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তাঁদের মতো মানুষের মেধা, অর্থ ও শ্রমের বিনিময়ে আজ এই ইন্ডাস্ট্রি এত বড় হয়েছে। তাঁর অকাল প্রয়াণ আমাদের অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।’
সংগীতাঙ্গনের অনেকে এ–ও বলেছেন, বাংলাদেশের সংগীতের অনেক তারকা ও মহাতারকার আবির্ভাব হয়েছে এই সংগীতার হাত ধরেই।


আপনার মতামত লিখুন