খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিকসেবা প্রাপ্তির স্বার্থে পৌরকর পরিশোধ করুন: চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
নাগরিকসেবা প্রাপ্তির স্বার্থে পৌরকর পরিশোধ করুন: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন নাগরিকসেবা সুনিশ্চিত করার স্বার্থে নগরবাসীকে হালনাগাদ পৌরকর পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম, আলোকায়ন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও মেরামতের মত নাগরিক পরিসেবা প্রদানের মাধ্যমে নগরীকে সচল রাখতে পৌরকর প্রদান করা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানসহ আনুসাঙ্গিক অন্যান্য খাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশেনের প্রতিমাসে খরচ হয় প্রায় ২৫ কোটি টাকা। এখন যদি নগরবাসী তাদের পৌরকর প্রদান না করেন তাহলে কর্পোরেশন কি করে চলবে?

আধুনিক বিশ্বে সুসভ্য নাগরিক মাত্রই কর প্রদান করেন। আমার প্রিয় চট্টগ্রাম নগরীর নাগরিকগণও তাদের পৌরকর হালনাগাদ পরিশোধ করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা। কর প্রদানে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারচার্জ মওকুফের সুবিধা দেয়া আছে। আশাকরি নগরবাসী এ সুযোগ গ্রহন করবেন।

তিনি আজ নগরীর দুই নাম্বার গেইটস্থ চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স চত্বরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশেন রাজস্ব সার্কেল-১ এর অধীনে স্পট হোল্ডিং টেক্স সংগ্রহ ও ট্রেড লাইসেন্স প্রদানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা সাহেদা ফাতেমা চৌধুরী (সিনিয়র সহকারী সচিব)’র সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে প্রশাসকের একান্ত সচিব মো.আবুল হাশেম (সিনিয়র সহকারী সচিব) কর কর্মকর্তা (হোল্ডিং) মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জসীম উদ্দীন (লাইসেন্স) উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, পৌর করের পাশাপাশি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু নেয়া একজন ব্যবসায়ীর দায়িত্ব। ব্যবসার প্রথম স্বীকৃতি হলো ট্রেড লাইসেন্স। ট্রেড লাইসেন্স না থাকা মানে ব্যবসার কোন স্বীকৃতি নাই। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা মানে অনেকটা ফুটপাথে অবৈধভাবে হকারি করার মত। কাজেই ব্যবসায়ী ভাইদের প্রতি অনুরোধ আপনারা সারচার্জ মওকুফের সুযোগ নিয়ে আপনাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স করে ফেলুন।

তিনি পৌরকর ও ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে যাতে কোন গ্রাহককে ভোগান্তি ও হয়রানির মুখোমুখি হতে না হয় সে বিষয়ে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকভাবে সেবা প্রদান করতে বলেন।

প্রশাসক বলেন, যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রাহক সন্তুষ্ঠি অনুযায়ী ভালোভাবে কাজ করবেন তাদের পুরস্কৃত করা হবে। আর যারা অন্যায়-জুলম করে গ্রাহকদের হয়রানি করছেন,এরকম অভিযোগের প্রমান পেলে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা। কাজেই সৎভাবে কাজ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সুনাম ও ভাবমুর্তি উজ্জল করবেন অপনাদের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।

তিনি চট্টগ্রাম শহরের সুবিধাভোগী চট্টগ্রাম বন্দর, রেলওয়ে, কাস্টমসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের বড় শিল্প গ্রুপ,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মিল-কারখানাকে নগরীর উন্নয়নের স্বার্থে ও উন্নত সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতে ১ শাংশ করে সার্ভিস চার্জ প্রদান করা উচিত বলে মত দেন।

সুজন এসময় নিয়মিত আয়কর প্রদানের পরও ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সরকারের রাজস্ব বিভাগের নিয়ম ও আইনের কারণে যে অতিরিক্ত আয়কর ৩ হাজার টাকা প্রদান করা লাগে,তা মওকুফে সরকারি রাজস্ব বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে উপ আনুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণ করবেন বলে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন এই ৩ হাজার টাকার আয়কর কর্পোরেশন পায় না। কিন্তু এ নিয়ে ব্যবসায়িরা কর্পোেরশনকে ভুল বুঝেন।

পরে পৌর কর প্রদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হাজী টেক্সাটাইলের পক্ষে মো. জয়নাল আবেদীন ৩লাখ ১৪ হাজার ৫’শ ১৯ টাকা, শেভরণ ক্লিনিক ২লাখ ১২ হাজার ৫’শ, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম রব্বানি পৌরকর প্রদান ও এক্সপোার্ট ইমপোর্ট ব্যাংকের পক্ষে মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি.ও রবি আজিয়াটা স্পট ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করায় তাদের প্রতিনিধিদের ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

এসময় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসয়িক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রশাসককে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

Feb2

মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

মাটির গুণগত মান বজায় এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপণ কীভাবে হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলহাজরায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত। ভারতের গোয়ার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আজ শুধু ট্রফির লড়াই নয়, মর্যাদা, আধিপত্য, প্রতিশোধ এবং ইতিহাস গড়ারও লড়াই। বাংলাদেশের সামনে বিরল কীর্তি গড়ার হাতছানি। ২০২২ ও ২০২৪ সালের পর এবারও শিরোপা জিতলে টানা তৃতীয়বার সাফের চ্যাম্পিয়ন হবেন লাল-সবুজের মেয়েরা। স্বাগতিক ভারতের লক্ষ্য হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা।

ফাইনালে ওঠার পথে দুদলের যাত্রা ছিল ভিন্ন। গ্রুপপর্বে ভারত বাংলাদেশের অপরাজেয় পথচলায় ধাক্কা দেয় ৩-০ গোলের জয়ে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশকে ছন্নছাড়া দেখালেও সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় পিটার বাটলারের দল। অন্যদিকে ভারত ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। ফাইনালের আগে বাংলাদেশ শিবিরে আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। কোচ পিটার বাটলার শুরু থেকেই বলে আসছেন, ভারতের বিপক্ষে তার দল ভিন্ন চেহারায় মাঠে নামবে। গ্রুপপর্বের পরাজয়কে তিনি দেখছেন শিক্ষার অংশ হিসাবে। তার বিশ্বাস, ভারতের আক্রমণাত্মক ফুটবল বাংলাদেশের জন্য পালটা আক্রমণের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সেই কৌশল রপ্ত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে দল। বাংলাদেশের ফুটবলাররাও জানেন, ফাইনাল একেবারেই আলাদা ম্যাচ। গ্রুপপর্বের ফল এখানে কোনো মূল্য বহন করে না। বড় ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করার সামর্থ্য আগেও দেখিয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতও সতর্ক। কোচ ক্রিসপিন চেত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, ফাইনালে দুদলের সম্ভাবনাই সমান। ভুটানের বিপক্ষে জয় পেলেও নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন তিনি। ভারতেরও লক্ষ্য নিজেদের সেরাটা উপহার দেওয়া।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন দুদলের তারকা ফুটবলাররা। বাংলাদেশের আক্রমণভাগে ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর থাকবে বাড়তি দায়িত্ব। ভারতের আশা থাকবে সানফিদা নংরুম, মালাভিকা এবং গোলরক্ষক পন্থোই চানুকে নিয়ে।

একদিকে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন, অন্যদিকে ভারতের হারানো সিংহাসন পুনরুদ্ধারের আকাক্সক্ষা। সব হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে গোয়ার ফাইনাল আজ রূপ নেবে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহারণে। অপেক্ষা শেষ বাঁশির। কার হাতে উঠবে সাফের সোনালি ট্রফি। কার মাথায় শোভা পাবে দক্ষিণ এশিয়ার রানির মুকুট।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ৮টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বিজিবি।

শনিবার (৬ জুন) সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্তে ৩ জন ব্যক্তি ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল সীমান্তের শূন্য লাইনে অবস্থান নিয়ে তাদের বাধা প্রদান করে। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ করমুডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় ভারত কর্তৃক ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে তাদের প্রতিহত করে।

তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বড়খাতা ও পঁয়ষট্টিবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে ২১ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। বিজিবির তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ফলে তাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং তারা সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেনি।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ দিঘলটারী সীমান্ত এলাকায় ৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালানো হলে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। একই ব্যাটালিয়নের দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় আরও ৪ জন ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বর্তমানে উক্ত ব্যক্তিরা ভারতীয় ভূখণ্ডের কাঁটাতারবিহীন চর এলাকায় অবস্থান করছে এবং বিজিবি সেখানে নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে ১০ জন ব্যক্তিকে সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে এনে অবস্থান করায়। এ বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করলেও তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। বিজিবি বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এছাড়া নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কচুগড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের মহাদেব থানাধীন বলিশী গিতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্বে জড়ো করে রাখা ১৬-১৭ জন ব্যক্তিকে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেখান থেকে সরিয়ে লেংগুড়া সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফের চিকনী ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি উক্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় পুনর্ব্যক্ত করছে যে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থি কোনো ধরনের পুশইন প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।