খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালকে হেসেখেলে হারাল চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
বরিশালকে হেসেখেলে হারাল চট্টগ্রাম

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ১৮তম ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম পেয়েছে ৭ উইকেটের জয়।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান জড়ো করে বরিশাল। অর্ধশতকের খুব কাছে গিয়েও হতাশ হয়ে ফিরতে হয় দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসানকে। সাইফ ৩৩ বলে ৪৬ ও তামিম ৩৯ বলে ৪৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

১১তম ওভারে ৮৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙলে খেই হারায় বরিশাল। কাছাকাছি সময়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ ও তামিম। এরপর কেউই প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটিং করতে পারছিলেন না। শেষদিকে আফিফ হোসেন ধ্রুবর ১৬ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস দলকে এনে দেয় সম্মানজনক পুজি। চট্টগ্রামের পক্ষে দুটি করে উইকেট শিকার করেন সঞ্জিত সাহা, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও জিয়াউর রহমান।

মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের মত এই ম্যাচে বিশ্রাম পেয়েছিল লিটন দাস। সৌম্য সরকার তাই ব্যাটিং সূচনা করতে নামেন সৈকত আলীকে সঙ্গে নিয়ে। বরিশালের বিপক্ষে আগের দেখায় ক্যামিও খেলা সৈকত সৌম্যকে নিয়ে দেখেশুনে খেলে যান। উদ্বোধনী জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৭৯ রান।

৩৩ বলে ৩৯ রান করে সৈকত বিদায় নিলে সৌম্য সঙ্গ পান মাহমুদুল হাসান জয়ের। জয়ের সমর্থনে সৌম্য অর্ধশতকও পূর্ণ করেন। তবে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়তে পারেননি। ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩৭ বলে ৬২ রানের সৌম্য ঝড় থামে দলীয় ১১৯ রানে, দল যখন জয় থেকে সামান্য দূরে। ব্যাট হাতে এদিনও ব্যর্থ হন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ৩ রান করে সুমন খানের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন মাহমুদুল হাসান জয়। ২৭ বলের মোকাবেলায় ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। চট্টগ্রাম জয় পায় ৭ উইকেট ও ৮ বল হাতে রেখেই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস : গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম

ফরচুন বরিশাল : ১৪৯/৬ (২০ ওভার)
সাইফ ৪৬, তামিম ৪৩, আফিফ ২৮*
মোসাদ্দেক ১৬/২, সঞ্জিত ২২/২, জিয়াউর ২৫/২

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম : ১৫৩/৩ (১৮.৪ ওভার)
সৌম্য ৬২, সৈকত ৩৯, জয় ৩১*
সুমন ৩০/২, মিরাজ ৩২/১

ফল : গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ৭ উইকেটে জয়ী।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…