খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০, ২:০১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (সিবিআইইউ) এর সাবেক চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দীন আহমদ (সিআইপি) প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি দখল করে কক্সবাজারে একটি দুষ্ট নজির স্থাপন করেছেন।

চক্রান্তকারী ও পদলোভী এই চেয়ারম্যানের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ধ্বংসের প্রান্তে। প্রতিষ্ঠাতাদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম, মেধা ও সর্বস্ব অর্থ ব্যয় করে দাঁড় করানো বিশ্ববিদ্যালয়টির আজ করুন অবস্থা। অতীতে ছিলেন চেয়ারম্যান কিন্তু এখন প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন তিনি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শত শত শিক্ষার্থীরা নানা শঙ্কা ও বিপাকে পড়েছেন।

সোমবার (২১ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুস সবুর, আব্দুল মাবুদ, জসিমূল আনোয়ার খাঁন ও অধ্যাপক নুরুল বশর ভূঁইয়া প্রমুখ।

তাঁরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সালাহ উদ্দীন আহমদ প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে ভিসি নিয়োগসহ জবরদখল ও লুটপাট করে ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে চলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মাহবুবা সুলতানা জানিয়েছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে ট্রাস্ট গঠন বাধ্যতামূলক। এ জন্য ২০১৩ সালের ২৭ জুন ‘কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট’ রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের সংখ্যা ছিল ১০ জন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চলতি বছরের ২০ মে পর্যন্ত এ ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন সালাহ উদ্দীন আহমদ সিআইপি।

আরো বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ট্রাস্টি সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে গত ২০ মে তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে কক্সবাজার ১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম (এম.এ) কে চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়। বিষয়টি সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেননি সালাহ উদ্দীন আহমদ।

ফলশ্রুতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ’র সেক্রেটারি ও সিবিআইইউ’র উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মো. মুজিবুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।এমনকি করোনাকালীন সময়ে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজেসে অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম করেন। এমনকি নিজেকে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা। পরবর্তীতে কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়ে ভিসি নিয়োগসহ অনিয়মে বাণিজ্য শুরু করেছেন।

ট্রাস্টি সদস্যরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা পূনঃনির্ধারণের জন্য সাবেক চেয়ারম্যান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেন। অথচ প্রপোজাল বুক, ডীড অব ট্রাস্ট, অঙ্গিকারনামাসহ গত ৭ বছরের সকল ডকুমেন্ট অনুযায়ী সিবিআইইউ-এর উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মো. মুজিবুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নীতিমালা অমান্য করে একক সিদ্ধান্তে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ড. গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া, একাডেমিক এডভাইজার হিসেবে একজন কলেজ শিক্ষক এ.কে.এম গিয়াসুদ্দীন, এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে ড. খান সরফরাজ আলী, রেজিস্ট্রার হিসেবে খন্দকার এহসান হাবীব, পরিচালক (অর্থ) হিসেবে জসিম উদ্দীন নামের একজনসহ নানান শিক্ষাও প্রশাসনিক পদে অনেক অযোগ্য-অদক্ষ লোককে নিয়োগ দিয়েছেন।

এমনকি শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উখিয়ার জনসভায় সিআইপি সালাহ উদ্দীন আহমদের নাম উল্লেখ করায় ৭ বছর পর নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করেছেন। এটা নিতান্তই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রতারণার শামিল বলেও উল্লেখ করেছেন।
ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের পাশাপাশি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন সালাহউদ্দীন।

সদস্যরা আরও জানান, ‘এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে অভিযোগ দিলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় ইউজিসির পক্ষ থেকে। সেই কমিটির তদন্ত চলমান।’ অভিযুক্ত সালাহউদ্দীন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় তাঁর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন উল্লেখ করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন লায়ন মুজিবুর রহমান।

এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের বেশির ভাগ সদস্যরা জানিয়েছেন দখলদার ও প্রতারকের হাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষা করা জরুরী। পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার বিদ্যাপীঠ কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভাসিটি দখলমুক্ত করে শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের একমাত্র সর্বপ্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (সিবিআইইউ)। ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট-২০১৩ এর অধীনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ইচ্ছায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়া উঠে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে বিগত ৭ বছর ধরে অতি সুনামের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসলেও সম্প্রতি নানা জটিলতা হয়।

Feb2

দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

বল দখল থেকে আক্রমণ– সবদিক থেকেই অনেকটা একপেশে দাপট ছিল ২৪ বছর পর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্কের। কিন্তু ফিনিশিং ব্যর্থতায় তাদের গোলটাই পাওয়া হয়নি। অন্যদিকে, কাউন্টার অ্যাটাকে ক্যারিশমা দেখিয়ে ২-০ গোলে ম্যাচটি জিতে নিলো অস্ট্রেলিয়া।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৭২ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তুরস্কের। আর গোলের লক্ষ্যে নেয় ৮টি শট। বিপরীতে স্রেফ ২ শট নেওয়া অস্ট্রেলিয়ান সকারুজরা কেমন চাপে ছিল তা বোঝাই যায়। কিন্তু ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফের গোলে সেসব পরিসংখ্যানকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অবশ্য তুরস্কের আক্রমণ ঠেকানোর মূল ভূমিকায় ছিলেন ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানো অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। তিনি আটটি সেভ করেন। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার টানা ষষ্ঠ এবং সব মিলিয়ে সপ্তম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। বিপরীতে, ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পর তুরস্ক টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। এবার প্লে-অফে কসোভোকে হারিয়ে তারা ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৭তম মিনিটে গোলের সূচনা করেন ইরানকুন্ডা। তিনজন ডিফেন্ডারের চাপের মাঝেও নিচু শটে তিনি বল জালে পাঠান। গোল উদযাপনের সময় ইরানকুন্ডা কর্নার ফ্ল্যাগে ঘুষি মেরে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কিংবদন্তি টিম কাহিলকে শ্রদ্ধা জানান। ২০ বছর বয়সী এই ওয়াটফোর্ড ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপে গোল করা অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়।

কয়েক মিনিট পর তুরস্কের আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন বিচ। কোচ টনি পপোভিচের চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ ম্যাথিউ রায়ানের পরিবর্তে বিচ অস্ট্রেলিয়ার গোলপোস্টের দায়িত্ব পান। তুরস্কের ২১ বছর বয়সী জুভেন্তাস খেলোয়াড় কেনান ইলদিজ শুরুর একাদশে ছিলেন না। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামানো হয় তাকে।

ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে তুরস্ক একটি বিপজ্জনক ফ্রি-কিক পায়। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিভাবান ২১ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আরদা গুলারের নেওয়া সেই শটও রুখে দেন বিচ। মজার বিষয়, তুরস্ক সর্বশেষ যখন বিশ্বকাপে খেলেছিল, তখন গুলারের জন্মই হয়নি। এদিকে, ৭৫তম মিনিটে ইসমাইল ইউকসেকের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ।

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে এরপর গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়া ও ডেনমার্ককে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল তারা। সেখানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া।

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।

রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনে তাগিদ দিয়ে আসছে। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উত্সাহিত করাই বিশ্ব রক্তদান দিবসের উদ্দেশ্য।

১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো।