খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকৃত হকারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমি পাশে আছি : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রকৃত হকারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমি পাশে আছি : সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, কর প্রদানকারী নগরবাসী আমার কাছে নমস্য। তাদেরকে আমি সম্মান করি। চট্টগ্রাম নগরী বার আউলিয়ার পূণ্য ভূমি। মাস্টার দা সূর্যসেন, জহুর আহম্মদ চৌধুরী, এম এ আজিজ, মহিউদ্দীন চৌধুরীর প্রিয় এই শহর। আমাদের এই প্রিয় নগরকে হকার নেতার নামে গুটিকয়েক চাঁদাবাজের কাছে জিম্মি হতে দিবো না।

আমি খোদার কসম করে বলতে পারি আমার দল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন হকারদের কাছ থেকে কোন চাঁদা নেন না। যেসব হকার নেতার নামে চাঁদা নেয়া হয়, তা দেয়া বন্ধ করে দিন। দেখি ওরা কারা! যদি কেউ হকার নেতা সেজে চাঁদাবাজি করে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। আমি যতদিন দায়িত্বে আছি ততদিন নগরীতে কোন দুর্ভোগ হতে দিবনা। প্রাণপন দিয়ে হকার নেতারূপী চাঁদাবাজদের প্রতিহত করবো। প্রকৃত হকারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমি পাশে আছি।

তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর স্টেশন রোডস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব সার্কেল-৪ আয়োজিত স্পট হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক। প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলমের সভাপতিত্বে ও উপ-কর কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কর কর্মকর্তা (কর) মো.সারেক উল্লাহ, কর কর্মকর্তা (লাইসেন্স) মো.নাছির উদ্দিন চৌধুরী, মো.রমিজুল হক চৌধুরী, রতন ভট্টাচার্য্য, ক্রোকী কর্মকর্তা বাবু বিনয় ভুষন আচার্য্য।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, হকাররা নগরীতে প্রতিদিন বেলা ৩ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অস্থায়ী চৌকি বসিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। এই সময়সীমার আগে কোনভাবেই সড়ক-ফুটপাত দখল করে নগরবাসীর চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে ব্যবসা করা যাবে না। যেসব হকার আমার এই প্রস্তাব মানবে তাদের আমি নির্বিগ্নে ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পোশাক ও পরিচয়পত্র দিব। তবে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র স্ব-স্ব হকারের হাতে দেয়া হবে। তবে নেতারূপী কোন চাঁদাবাজের হাতে তা দেয়া হবেনা। এসব হকাররা যদি কোন হয়রানির শিকার হন প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়াবো।

তিনি বলেন, আমাদের দল এখন ক্ষমতায় আছে বলে যে কেউ মুজিবকোর্ট পরে নেতা সেজে চাঁদাবাজি করবে তা হতে দিবো না।

প্রশাসক বলেন, আগে নগরবাসী অভিযোগ করতেন কর আদায়কারীরা পৌর কর নিতে বাসায় যান না। তাই ভোগান্তি কমাতে স্পটে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় ও ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর ব্যবস্থা করা হলো। ডিসেম্বর মাসজুড়ে সারচার্জ ছাড়া কর ও ট্রেড লাইসেন্স দেয়া যাবে। জানুয়ারি থেকে বকেয়া আদায়ে জরিমানাসহ আইনি সব ব্যবস্থা নিব। প্রয়োজনে যেসব নগরবাসী কর দিবেন না তাদের নাগরিকসেবাও বন্ধ করে দেয়া হবে।

তিনি যেসব ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স নাই তাদের দ্রুত তা নিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যবসার প্রথম স্বীকৃতি হলো ট্রেড লাইসেন্স। কজেই তা নিয়ে নিন।

পরে কর প্রদানকারী ও ট্রেড লাইসেন্স নেয়া কয়েকজন গ্রাহককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রশাসক।

আজ কর-প্রদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রাহক হলো মোটেল সৈকত, আম্বিয়া গ্রুপ, রোকসানা বেগম, মুস্তাফিজুর রহমান,শামসুল ইসলাম। তবে প্রথম দিনে আদায় করা হয়েছে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…