খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নগরবাসীর অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটিকে সবুজ চত্বর করার আহবান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
নগরবাসীর অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটিকে সবুজ চত্বর করার আহবান

.jpg

নগরবাসীর অনুভুতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটিকে সবুজ চত্বর করার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতি আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে উত্তর কাট্টলীস্থ নিজ বাসভবনে নাগরিক উদ্যোগের এক সভায় তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

সভার শুরুতে সুজন গতকাল চট্টগ্রামের সকল দৈনিক পত্রিকায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন সবুজ চত্বর নিয়ে অভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট সকল সম্পাদক এবং কলাকুশলীগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, পুরানো সার্কিট হাউসটি বাংলাদেশের একটি অনন্য ঐতিহ্য। আর সাকির্ট হাউস সংলগ্ন বর্তমান শিশু পার্কটি চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসের স্থাপত্যের অংশ বিশেষ। তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চের স্মৃতিচারন বন্ধ করার হীন অপপ্রয়াসে সবুজ চত্বরটিকে পার্ক নামক জঙ্গলে রূপান্তর করে। তাই সেই পার্কটি সরিয়ে সবুজ চত্বর করা এখন সময়ের দাবী।

তিনি বলেন নগরীর বিভিন্ন স্থানে এভাবে উন্মুক্ত জায়গাকে পার্ক করার নামে বিভিন্নজনের নিকট ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারা নেওয়ার পূর্বে ইজারা গ্রহীতা চটকদার বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে কিন্তু দেখা যায় যে পরবর্তীতে সে সব পার্কসমূহ অসামাজিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়।

তিনি আগ্রাবাদ জাম্বুরী পার্কের শিশুপার্কটিও সবুজায়ন করে জনগনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য চসিক মেয়রের নিকট অনুরোধ জানান। এছাড়া ফয়েসলেকসহ বিভিন্ন জায়গায় বিনোদন কেন্দ্রের নামে স্থাপিত পার্কসমূহে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের জন্য পুলিশ প্রশাসনের নিকট বিনীত আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের নগরীর তিন ভাগের দুই ভাগ জায়গা অধিগ্রহণের নামে রেলওয়ে এবং বন্দর দখল করে রেখেছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে এসব জায়গা অধিগ্রহণ করে নিলেও বছরের পর বছর এসব জায়গা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দেখা যাচ্ছে যে এসব জায়গা বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যাক্তি কিংবা প্রতিষ্টান তাদের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করছে। এসব অব্যবহৃত জায়গাগুলো উদ্ধার করেও পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র করা যায়। এ জন্য প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মহোদয়ের নিকট আবেদন জানাতে চাই আপনি উদ্যোগী হয়ে চট্টগ্রামে অনেক ভালো ভালো কাজ করেছেন। বিভিন্ন সড়কে সৌন্দর্য বর্ধন করে নগরীকে সবুজে রূপান্তর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তেমনি ভাবে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটিকে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য সম্বলিত সবুজ চত্বর নির্মাণ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। চট্টগ্রামবাসী আপনার পাশে থাকবে। আমাদের শিশুদের প্রাণভরে নিঃশ্বাস গ্রহণ করার সুযোগ করে দিন। পার্কের নামে আমাদের শিশুদের খাঁচায় বন্দি করে রাখবেন না। তাছাড়া নগরীর যে সকল এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে সে সকল এলাকায় নিয়মিতভাবে দুই বেলা পানি ছিটানোর জন্যও সুজন আহবান জানান।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হওয়ার পরেও নগরীর বিমানবন্দর সড়ক থেকে অবৈধ কন্টেইনার ইয়ার্ডসমূহ সরানোর কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় সভা থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।

নাগরিক উদ্যোগের সিনিয়র সদস্য সাইদুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন, সংগঠনের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, মোরশেদ আলম, মোঃ শাহজাহান, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, শেখ মামুনুর রশীদ, সোলেমান সুমন, সমীর মহাজন লিটন, সাইফুল্লাহ আনছারী, জাহাঙ্গীর আলম, স্বরূপ দত্ত রাজু, রাজীব হাসান রাজন, রকিবুল আলম সাজ্জী, এম ইমরান আহমেদ ইমু, মোঃ ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, মনিরুল হক মুন্না, সালাউদ্দিন জিকু, গিয়াস উদ্দিন রিয়াজ, আজম আলী জুয়েল প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…