খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তারসহ সকল ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষার দাবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙচুরকারীদের গ্রেপ্তারসহ সকল ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষার দাবি

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং সকল ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকবৃন্দ আয়োজিত সমাবেশ ও পদযাত্রা কর্মসূচি থেকে। পাশপাশি কর্মসূচি থেকে সরকারের কাছে পাঁচদফা দাবিও জানানো হয়।

শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) বিকালে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে আয়োজিত নাগরিক সমবেশ থেকে বক্তারা বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সুতিঁকাগার চট্টগ্রাম সবসময় সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। যাত্রামোহন সেনগুপ্ত ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিভক্ত ভারত থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা থাকা দেশে মানুষ ভ্রমণের জন্য যায়। অথচ চট্টগ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন স্থাপনা থেকেও তা রক্ষা করা হয়নি। বারবার এসব ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলো ভেঙ্গে ফেলার চক্রান্ত হয়েছে। যাত্রামোহন সেনগুপ্তের ঐতিহাসিক বাড়ির সামনের অংশ ভেঙ্গেছে বুলডোজার দিয়ে।

সরকারের পক্ষ থেকে তা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি উল্লেখ করে সমাবেশ থেকে বলা হয়, নতুন প্রজন্ম কিভাবে জানবে এটা ঐতিহাসিক স্থাপনা? তাদের ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। যার ফলে মৌলবাদীরা এসবের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহস পায়। যারা এসব স্থাপনায় আঘাত করেছে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ঘটনা তদন্ত করা হোক। একইসাথে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষণ করার দাবি জানান বক্তারা।

সাংবাদিক মিন্টু চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম বলেন, আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ির আইনি জটিলতা নিরসনের। এজন্য সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে আসতে হবে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সকল স্থাপনাকে আমরা হারিয়ে যেতে দিব না। এই ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি আমরা তুলে ধরব। অবিলম্বে এ স্থাপনা ভাঙ্গচুরকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত এমন স্থাপনা ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক। যারা এমন দৃষ্টতা দেখিয়েছে তাদের শাস্তি দেয়া হোক। পাশপাশি এমন স্থাপনাকে সংরক্ষণ করে জাদুঘর করা হোক।

নারী নেত্রী নুর জাহান খান বলেন, চট্টগ্রামের তরুণ সাংবাদিকরা যাত্রামোহন সেনের বাড়ি রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে। এই আন্দোলনটি তারাই পরিচালনা করেছে। চট্টগ্রামের এসব স্মৃতি স্থাপনায় আঘাত করেছে ভূমিদস্যুরা। কত বড় দুঃসাহস তারা দেখিয়েছে, এর বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে হবে।

একাত্তরের গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার সংহতি জানিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের দল সরকারে থাকা অবস্থায় কেন এমন হচ্ছে বারবার। এদেশ সিরিয়া, পাকিস্তান হবে না। যাত্রামোহন সেনের বাড়ি ভাঙচুর করে যে দৃষ্টতা ভূমিদস্যুরা দেখিয়েছে তার বিচার হতেই হবে। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা এ নিয়ে আন্দোলনে রাজপথে থাকবো।

খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির সভাপতি ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, লালন ভাস্কর্য ভেঙ্গেছে, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হয়েছে, এসবে প্রশ্রয় পেয়েছে বলে এবার ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিধন্য যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ির ওপর আঘাত এসেছে। আগের ঘটনাগুলোর সাথে আপোষ হয়েছে বলে ভূমিদস্যুরা এ সুযোগ পেয়েছে। তিনি অপরাধের সাথে যুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ভূমিদস্যুরা প্রশাসনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এসব স্মৃতিচিহ্ন ঐতিহ্য এবং বধ্যভূমি রক্ষা করতে হবে, দেশকে বাঁচাতে হবে। সম্মিলিতভাবে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি রক্ষা করতে হবে।

সমাবেশে খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, সংবিধান মানুষের জন্য, যারা সংবিধান মানে না তারা পশু। মুক্তিযুদ্ধের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সংবিধান বিরোধী এমন কর্মকান্ড মানা যায় না। দেশে গণতন্ত্র আছে বলা হলেও এখানে চলছে লুটপাট। আর লুটপাট ও সুশাসন এক সাথে চলে না। আমরা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও যাত্রামোহন সেনের বাড়ি রক্ষার আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই বাড়িটি সংক্ষণ করতে হবে।

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক উত্তম চৌধুরী, জামাল খান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, উদীচী’র সংগঠক শীলা দাশগুপ্তা, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হাসান, ন্যাপনেতা মিটুল দাশগুপ্ত, সিপিবি চট্টগ্রামের নারী সেলের আহবায়ক রেখা চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুক রাসেল, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের টিভি ইউনিটের প্রধান মাসুদুল হক, চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সাংবাদিক আলীউর রহমান, বিপ্লবী তারকেশ্বও দস্তিদার স্মৃতি সংলক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিঞ্চন ভৌমিক, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণব চৌধুরী, কবি ও সাংবাদিক আহমেদ মুনীর চৌধুরী, ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী।

বিপ্লবীদের স্মৃতিধন্য স্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো সংরক্ষণের দাবি নিয়ে নাগরিকদের পদযাত্রা নগরীর রহমতগঞ্জে যাত্রামোহন সেনগুপ্তর বাড়ির সামনে গিয়ে কমর্সূচি সমাপ্ত করেন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অশোক সাহা।

কর্মসূচিতে সংহতি জানায় মহিলা পরিষদ, খেলাঘর, ছাত্র ইউনিয়ন, বোধন আবৃত্তি পরিষদ, নাট্য সংগঠন ফেইম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টসহ অসংখ্য সংগঠন।

নাগরিক সমাবেশ থেকে ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষা এবং তা সংরক্ষণসহ পাঁচদফা দাবি ঘোষণা করেন সাংবাদিক প্রীতম দাশ।

দাবিগুলো হল-১. যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ২.দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের ঐতিহাসিক বাড়িসহ সম্পত্তি সরকারি অধিগ্রহণ এবং সেখান সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাদুঘর স্থাপন করতে হবে এবং সেখানে অতীতের সকল লিজ/ইজারা বাতিল করতে হবে। ৩. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা সংরক্ষণ করতে হবে। ৪. মাস্টার দা সূর্যসেনসহ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সকল যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কের নামকরণ করতে হবে এবং পাঠ্যপুস্তকে বিপ্লবী কর্মকান্ডের সঠিক ইতিহাস যুক্ত করতে হবে। ৫. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্ম ও মৃত্যুদিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করতে হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…