খুঁজুন
, ,

সকল বৈধ অস্ত্র জমা নিয়ে সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করতে হবে: ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 January, 2021, 6:22 pm
সকল বৈধ অস্ত্র জমা নিয়ে সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করতে হবে: ডা: শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশন নিবার্চনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা: শাহাদাত হোসেন নির্বাচনের পূর্বে সকল বৈধ অস্ত্র জমা নিয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাড়াশি অভিযান পরিচালনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।

তিনি আজ শুক্রবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুরে নগরীর ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ডে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এ দাবী জানান।

তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচনের আগে নিয়ম অনুযায়ী সকল বৈধ অস্ত্র জমা নিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসন তৎপর থাকে। কিন্তু চসিক নির্বাচনে প্রশাসন এখনো পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান কিংবা বৈধ অস্ত্র জমা নেয়্রা কোন ধরণের উদ্যোগ নেয়নি। ফলে প্রতিদিন ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝঁনঝনানি, হানাহানি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে পাঠানটুলি ও বাকলিয়াতে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতে ২ জন নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরীর হালিশহর রামপুর ওয়ার্ডের বড়পুকুর পাড়ে ধানেরশীষ প্রতিকের পোষ্টার লাগাতে গেলে যুবলীগ কর্মীরা হামলা চালায়।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ছাত্রলীগ যুবলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্র সাধারণ ভোটার ও বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করতে পারে। নির্বাচনের আগে আরও হামলা এবং হতাহতের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা সাধারণ ভোটাররা শঙ্কিত। এসব খুনাখুনি বন্ধে ও সাধারণ ভোটার এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জানমালের নিরাপত্তায় অবিলম্বে লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা নিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাড়াশি অভিযান পরিচালনার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

তিনি সকালে নগরীর চকবাজার ধনিরপুলস্থ ডিসি রোড়ে মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। পরে তিনি ধনিরপুল থেকে চকবাজার ওয়ার্ডের গণসংযোগ শুরু করে সিরাজউদৌলা রোড়, চন্দনপুরা, গনি বেকারী, কলেজ রোড়, অলি খাঁ মসজিদ মোড়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও সেভরন এলাকা, পাঁচলাইশ বড় গ্যারেজ, কাতালগঞ্জ হয়ে তেলিপট্টি মোড় এলাকায় শেষ করেন।

পথসভায় অংশ নিয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ভোট আপনার পবিত্র আমানত। ভোট দেওয়া নাগরিক অধিকার। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসুন। আপনার ভোট আপনি দেবেন। অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে আপনার রায় দিয়ে যোগ্য প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেনকে নির্বাচিত করতে হবে। তিনি ২৭ জানুয়ারী সকল বাঁধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে প্রতিটি ভোটারকে মূল্যবান রায় ধানের শীষ প্রতীকে প্রদানের জন্য আহবান জানান।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইউনুচ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য গাজী সিরাজ উল্লাহ, মো. কামরুল ইসলাম, নগর মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক জেলী চৌধুরী, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সেকান্দর, পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ছগির, চকবাজার ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি মনজুর আলম মনজু, চকবাজার ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দীন কায়সার লাবু, বিএনপি নেতা শফিকুল আলম, ইব্রাহিম বাচ্চু, আমিন মাহমুদ, আবু আহমেদ, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, ইসমাঈল বাবুল, খায়রুজ্জামান জুনু, পশ্চিম বাকলিয়া ওর্য়াড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. এমরান, চকবাজার ওর্য়াড বিএনপির সাধারন সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, সহ সভাপতি নাছিম চৌধুরী, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফুল ইসলাম ডিউক, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী পারভীন আক্তার চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শামীমা নাসরিন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন সম্পাদক নুরুল আলম শিপু, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হাজী মো: ইউসুফ, জমির উদ্দিন বাবলু, আব্দুল কাদের, আইয়ুব খান, হাফেজ আহমেদ, জসিম উদ্দীন, মো: আলাউদ্দীন, হামিদুল হক, সৈয়দুল আমিন, জাহেদুল হক, রোকন উদ্দৌলা, মো: আজম, মিজানুর রহমান, খালেদ বিন মিঠু, মো: উসমান, মো: আলমঙ্গীর, হাসনাত মাসুদ, মো: ইউসুফ, মেহেদী হাসান, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।