খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতির চূড়ান্ত সমৃদ্ধির জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান জানালেন এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
জাতির চূড়ান্ত সমৃদ্ধির জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান জানালেন এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেছেন, একটি জাতির চূড়ান্ত সমৃদ্ধির জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আর মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে কারিগরি শিক্ষায়ও শিক্ষিত করে তুলতে হবে। আমাদের আগামী প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য তিনি বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদকে আহবান জানান।

ত্রিপুরাদের মাতৃভাষা ‘ককবরক’-এর সরকারি স্বীকৃতির দিনকে স্মরণ করে রোববার বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের নেতৃত্বে আয়োজিত তিনদিনব্যাপী ককবরক উৎসবের শুভসূচনা হলো বর্ণাঢ্য র‌্যালি, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে।

খাগড়াপুরস্থ ককবরক লাইব্রেরি থেকে খাগড়াপুর কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির এবং র‌্যালি শেষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি।

উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নলেন্দ্র লাল ত্রিপুরার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সহ-সভাপতি শেফালীকা ত্রিপুরা, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লেখক প্রভাংশু ত্রিপুরা এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক গঠিত ককবরক লেখক প্যানেলের সদস্য প্রার্থনা কুমার ত্রিপুরা।

এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে যে কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্যে সকলকে একতাবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন। তিনি প্রতিনিয়ত মাতৃভাষা চর্চা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মাতৃভাষা একটি জাতির অস্তিতের অন্যতম নিয়ামক। তাই অন্যান্য প্রভাবশালী ভাষার প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন স্তরে মাতৃভাষা চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। বর্তমান সরকার দেশের সকল নাগরিকের মাতৃভাষায় অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এ বছর ৪৩তম ককবরক দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। ককবরক ত্রিপুরা জাতির মাতৃভাষা। এই ভাষা ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যতম সরকারি ভাষা। ১৯৭৯ সালের ১৯ জানুয়ারি ককবরককে ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই দিনে ত্রিপুরা রাজ্যে ককবরক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। বাংলাদেশেও বেশ কয়েক বছর ধরে ককবরক দিবসকে ঘিরে আলোচনা সভা ও ককবরক কবিতা পাঠের আয়োজন করা হচ্ছে। ককবরকভাষিদের বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ করে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, ককবরক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম- বাংলাদেশ, য়ামুক ইত্যাদি সংগঠন ককবরক দিবস পালনের সূচনা করে। এই ধারাবাহিকতায় এই বছরও খাগড়াছড়িতে ককবরক দিবস উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হচ্ছে।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক এবং বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক অনন্ত ত্রিপুরা এবং উৎসবের প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করেন উৎসব কমিটির সদস্য সচিব মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।

২৪ ঘণ্টা/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।