খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তৃণমূলের মতদ্বৈততা নিরসনে কাজ শুরু করেছে নগর আ’লীগ: আ জ ম নাছির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
তৃণমূলের মতদ্বৈততা নিরসনে কাজ শুরু করেছে নগর আ’লীগ: আ জ ম নাছির

দল মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করতে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে তৃণমূল আওয়ামীলীগের মতদ্বৈততা নিরসন কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানামুখী মত বিরোধ, মতদ্বৈততার কারণে সৃষ্ট মান অভিমান ভাঙ্গাতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেছে সংগঠনটি।

এই লক্ষ্যে কেন্দ্রের নির্দেশে আজ ১৭ জানুয়ারি থেকে ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মসূচি শুরু করেছে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের সাথে মত বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছেন।

একই সময় ৪০ নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীর সাথেও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই মেয়র,কাউন্সিলর বা সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ না মেনে যারা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন,তাদেরকে কেন্দ্রের নির্দেশেই নিবৃত্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মান-নিরসন করে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে করণীয় নির্ধারণে নগর আওয়ামীলীগ সবাইকে একটেবিলে বসাতে শুরু করেছে। দল করলে দলের প্রার্থীকে প্রাধান্য দিতে হবে। দলের নির্দেশের প্রতি অনুগত থাকতে হবে। আমি দল করবো অথচ দলের সিদ্ধান্তকে মানবো না এমন কাজ সাংগঠনিক হতে পারে না। নিজেদের মধ্যে বিভেদ বিভ্রান্তির কারণে যারা দলীয় নির্দেশনা ভুলে ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তাদেরকে শেষবারের মতো নিবৃত্ত করতে আমাদের এই উদ্যোগ। এরপরও যারা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচন করবেন তারা আমি মনে করি চরম ভুল করবেন। এমনকি তাদেরকে পৃষ্টপোষক বা সমর্থন জানিয়ে যারা কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন-তাদের ব্যাপারে দল সাংগঠনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সভায় মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহি সদস্য রোটারিয়ান মো. ইলিয়াস, থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক এস এম ইসলাম, থানা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান বুলু, ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দল মনোনীত কাউন্সিলর পদ প্রার্থী আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ চৌধুরী, ৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দল মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল বারেক, দক্ষিন পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম টেন্ডল সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, ওয়াহিদুল আলম মাস্টার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আবুল হোসেন,আব্দুল কাদের,যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর আলম,উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থী ফরিদ আহমেদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হালিম, কামরুল ইসলাম রাশেদ,এস এম মহিউদ্দিন,আনসারুল হক, জামাল উদ্দিন, লোকমান, লোকমান, চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী,ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম, সাঃ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, মহানগর যুবলীগ সদস্য শাকিল হারুন, ওয়ার্ড যুবলীগের সহ সভাপতি মুছা আলম, ফোরকান, লোকমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন, যুবলীগ নেতা তানভীর চৌধুরী, ইয়াছিন,শরীফ, ওমর ফারুক, পারভেজ,সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি লোকমান হাকিম,পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান হাবিব সেতু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…