খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃণমূলের মতদ্বৈততা নিরসনে কাজ শুরু করেছে নগর আ’লীগ: আ জ ম নাছির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
তৃণমূলের মতদ্বৈততা নিরসনে কাজ শুরু করেছে নগর আ’লীগ: আ জ ম নাছির

দল মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করতে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে তৃণমূল আওয়ামীলীগের মতদ্বৈততা নিরসন কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানামুখী মত বিরোধ, মতদ্বৈততার কারণে সৃষ্ট মান অভিমান ভাঙ্গাতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু করেছে সংগঠনটি।

এই লক্ষ্যে কেন্দ্রের নির্দেশে আজ ১৭ জানুয়ারি থেকে ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মসূচি শুরু করেছে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের সাথে মত বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছেন।

একই সময় ৪০ নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীর সাথেও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই মেয়র,কাউন্সিলর বা সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ না মেনে যারা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন,তাদেরকে কেন্দ্রের নির্দেশেই নিবৃত্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মান-নিরসন করে দলের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে করণীয় নির্ধারণে নগর আওয়ামীলীগ সবাইকে একটেবিলে বসাতে শুরু করেছে। দল করলে দলের প্রার্থীকে প্রাধান্য দিতে হবে। দলের নির্দেশের প্রতি অনুগত থাকতে হবে। আমি দল করবো অথচ দলের সিদ্ধান্তকে মানবো না এমন কাজ সাংগঠনিক হতে পারে না। নিজেদের মধ্যে বিভেদ বিভ্রান্তির কারণে যারা দলীয় নির্দেশনা ভুলে ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তাদেরকে শেষবারের মতো নিবৃত্ত করতে আমাদের এই উদ্যোগ। এরপরও যারা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচন করবেন তারা আমি মনে করি চরম ভুল করবেন। এমনকি তাদেরকে পৃষ্টপোষক বা সমর্থন জানিয়ে যারা কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন-তাদের ব্যাপারে দল সাংগঠনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সভায় মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহি সদস্য রোটারিয়ান মো. ইলিয়াস, থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক এস এম ইসলাম, থানা আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান বুলু, ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দল মনোনীত কাউন্সিলর পদ প্রার্থী আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ চৌধুরী, ৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দল মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল বারেক, দক্ষিন পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম টেন্ডল সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, ওয়াহিদুল আলম মাস্টার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আবুল হোসেন,আব্দুল কাদের,যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর আলম,উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থী ফরিদ আহমেদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হালিম, কামরুল ইসলাম রাশেদ,এস এম মহিউদ্দিন,আনসারুল হক, জামাল উদ্দিন, লোকমান, লোকমান, চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী,ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম, সাঃ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, মহানগর যুবলীগ সদস্য শাকিল হারুন, ওয়ার্ড যুবলীগের সহ সভাপতি মুছা আলম, ফোরকান, লোকমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন, যুবলীগ নেতা তানভীর চৌধুরী, ইয়াছিন,শরীফ, ওমর ফারুক, পারভেজ,সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি লোকমান হাকিম,পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান হাবিব সেতু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।