খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামকে স্বাস্থ্য সম্মত পর্যটন নগরী গড়তে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেব : ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 20 January, 2021, 5:49 pm
চট্টগ্রামকে স্বাস্থ্য সম্মত পর্যটন নগরী গড়তে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেব : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন চট্টগ্রাম পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভবনার জায়গা। এখানে রয়েছে ইতিহাসের নানান গুরুত্বপূর্ণ স্বারক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও ফয়’স লেকসহ অসংখ্য পর্যটন স্পট। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্য সম্মত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

তিনি আজ বুধবার (২০ জানুয়ারী) দিনব্যাপী নগরীর ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ও ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতীকের গণসংযোগকালে এসব কথা দেন।

সকাল থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, কেন্দ্রিয় সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম ও হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন উত্তর পাহাড়তলীর ওয়ার্ডের ফয়’স লেক নুরিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে আব্দুল হামিদ সড়ক, আকবরশাহ, শহীদ লেইন, দুলালাবাদ, সিডিএ মার্কেট, ডিটি রোড়, অলঙ্কার মোড়, আব্দুল আলী নগর, নেছারিয়া মাদ্রাসা, জাকির হোসেন রোড়, মালিপাড়া, কৈবল্যধাম আশ্রম, পূর্ব ফিরোজশাহ, বিশ^কলোনী, জানারখীল রেল গেইট চত্বর গিয়ে শেষ হয়।

উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের গণসংযোগ মোস্তফা হাকিম হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে বশির মো. বাড়ী সড়ক, গার্লস স্কুল, হিন্দুপাড়া, চৌধুরী বাড়ী, বিশ^াস পাড়া, কমিউনিটি সেন্টার মোড়, পন্ডিত বাড়ী, কর্ণেলহাট মোড়, সিডিএ আবাসিক, নিউ মনসুরাবাদ, আগ্রাপাড়া, নবাববাড়ী রেস্টুরেন্ট মোড়, মনসুরাবাদ উপল ক্লাবের সামনে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের পাশাপাশি হাজার বছরের ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এলাকা চট্টগ্রাম। এখানে ঐতিহাসিক ও পুরাতাত্তি¡ক নির্দশনে ভরপুর। বিএনপির আমলে পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল, ইউএসটিসি, চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপনসহ ফয়’সলেক ও চিড়িয়াখানাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছিল। পরবর্তিতে পর্যটন শিল্পের বিকাশে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ না থাকায় এ শিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ করা যায়নি। এ খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে চট্টগ্রাম পর্যটকদের স্বর্গভুমি বিবেচিত হতো। পর্যটন শিল্পকে জাতীয় আয়ের প্রধান খাত হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

তিনি এলাকাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা দেশের জনগোষ্ঠির একটি অংশ। কিন্তু এসব এলাকার ভাসমান, বস্তিবাসী ও ভুমিহীন মানুষের সংখ্যা বেশি। তারা সুবিধা ও শিক্ষা বঞ্চিত। কিন্তু এসব হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির ভাগ্য উন্নয়নের কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এখানে পাহাড় ধ্বস, সেনিটেশন, শিক্ষা, যাতায়াত ও বিভিন্ন সমস্যা দীর্ঘদিন বিরাজমান রয়েছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য নিরাপদ আবাসন সমস্যার সমাধানে অগ্রাধিকার দিবো।

গণসংযোগে অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক ডাকসুর ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হরণকারী একটি দল। তারা দিনের ভোট রাতে নিয়ে সংসদে গিয়ে মানুষের বাক স্বাধীনতা কেঁড়ে নিয়েছে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে বাকশাল কায়েম করেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট চোরদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষকে জয়ী করতে হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে ডা. শাহাদাতের বিকল্প নেই। আগামী ২৭ জানুয়ারী তাকে মেয়র পদে নির্বাচিত করুন।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রিয় বিএনপির সদস্য ও ডাকসুর সাবেক এজিএস নাজিম উদ্দীন আলম, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, যুগ্ন আহবায়ক এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা ইসহাক কাদের চৌধুরী, নগর বিএনপির সদস্য আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, গাজী সিরাজ উল্লাহ, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো: কামরুল ইসলাম, আকবরশাহ থানা বিএনপির সভাপতি ও উত্তর পাহাড়তলী ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুস সাত্তার সেলিম, সাধারন সম্পাদক মাইনুদ্দিন চৌধুরী মাইনু, বিএনপি নেতা ন‚রুল আকবর কাজল, আলী আজম চৌধুরী, রেহান উদ্দীন প্রধান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সা: সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, উত্তর কাট্টলী ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী রফিক উদ্দীন চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ছকিনা বেগম, উত্তর পাহাড়তলী ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি জমির আহমেদ, সা: সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, উত্তর পাহাড়তলী ওর্য়াড বিএনপির সা: সম্পাদক ফরিদুল আলম চৌধুরী, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দিদারুল ফেরদৌস, হাবিবুর রহমান মাসুম, শহীদুল্লাহ বাহার, জিয়াউর রহমান জিয়া, আলী মর্তুজা খান, জমির উদ্দীন নাহিদ, মাসুম চৌধুরী, নুর মোহাম্মদ, মনজুর আলম, আলী আক্কাস, মো: আলাউদ্দীন, শওকত আলী বাবুল, নুর বক্স মিলন, মেজবাহ উদ্দিন, মো. ইউনুছ প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।