খুঁজুন
, ,

চসিকে কাউন্সিলর পদে যারা বিজয়ী হলেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 28 January, 2021, 1:10 am
চসিকে কাউন্সিলর পদে যারা বিজয়ী হলেন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে অনুষ্ঠিত ভোটে কাউন্সিলর নতুনের জয়জয়কার হয়েছে। ৩৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবকটিতে জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে ১৯টিতে জয় নতুনদের।

এদিকে এবারই প্রথম চসিকের কোনো ওয়ার্ডে জয় পাননি বিএনপির কোনো কাউন্সিলর প্রার্থী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড এবং ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৯ ওয়ার্ডে (১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ও ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ড ছাড়া) নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।
অপরদিকে ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান সাধারণ এবং সংরক্ষিত মিলিয়ে ৫৩ ওয়ার্ডের ফলাফল নগরীর স্টেডিয়ামস্থ জিমনেশিয়াম চত্বর থেকে ঘোষণা করেন ।

সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচিতদের তালিকা
১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী: আওয়ামী লীগের গাজী মো. শফিউল আজিম (ঘুড়ি)
২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড: বিদ্রোহী মো. সাহেদ ইকবাল বাবু (ঝুড়ি)
৩নং পাঁচলাইশ: বিদ্রোহী প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম (মিষ্টি কুমড়া)
৪নং চান্দগাঁও: বিদ্রোহী প্রার্থী মো. এসরারুল হক (ঘুড়ি)
৫নং মোহরা: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন মামুন (ঘুড়ি)
৬নং পূর্ব ষোলশহর: আওয়ামী লীগের এম আশরাফুল আলম (ঘুড়ি)
৭নং পশ্চিম ষোলশহর: আওয়ামী লীগের মো. মোবারক আলী (টিফিন ক্যারিয়ার)
৮নং শুলকবহর: আওয়ামী লীগের মো. মোরশেদ আলম (লাটিম)
৯নং পাহাড়তলী: বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ জহুরুল আলম জসিম (মিষ্টি কুমড়া)
১০নং উত্তর কাট্টলী: আওয়ামী লীগের নিছার উদ্দিন আহমেদ (মিষ্টি কুমড়া)
১১নং দক্ষিণ কাট্টলী: আওয়ামী লীগের মো. ইসমাইল (টিফিন ক্যারিয়ার)
১২নং সরাইপাড়া: আওয়ামী লীগের মো. নুরুল আমিন (রেডিও)
১৩নং পাহাড়তলী: আওয়ামী লীগের মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী (লাটিম)
১৪নং লালখান বাজার: আওয়ামী লীগের আবুল হাসনাত মো. বেলাল (ঘুড়ি)
১৫নং বাগমনিরাম: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন (ঘুড়ি)
১৬নং চকবাজার: আওয়ামী লীগের সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু(ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট)
১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া: আওয়ামী লীগের এ মোহাম্মদ শহিদুল আলম (ঘুড়ি)
১৮নং পূর্ব বাকলিয়া: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।
১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া: আওয়ামী লীগের মো. নুরুল আলম (মিষ্টি কুমড়া)
২০নং দেওয়ান বাজার: আওয়ামী লীগের চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী (ঠেলাগাড়ি)
২১নং জামালখান: আওয়ামী লীগের শৈবাল দাশ সুমন (ঠেলাগাড়ি)
২২নং এনায়েত বাজার: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ বাচ্চু(ঘুড়ি)
২৩নং উত্তর পাঠানটুলী: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ জাবেদ (মিষ্টি কুমড়া)
২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ: আওয়ামী লীগের নাজমুল হক ডিউক (ঠেলাগাড়ি)
২৫নং রামপুরা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত আব্দুস সবুর লিটন(টিফিন ক্যারিয়ার)
২৬নং উত্তর হালিশহর: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ হোসেন (ঠেলাগাড়ি)
২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ: মো. শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী(লাটিম)
২৮নং পাঠানটুলী: আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম বাহাদুর (রেডিও)
২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ি: আওয়ামী লীগের গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের (রেডিও)
৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ি: আওয়ামী লীগের আতাউল্লাহ চৌধুরী(ঘুড়ি)
৩১নং আলকরণ: কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি।
৩২নং আন্দরকিল্লা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহর লাল হাজারী (মিষ্টি কুমড়া)
৩৩নং ফিরিঙ্গি বাজার: বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মুরাদ বিপ্লব (মিষ্টি কুমড়া)
৩৪নং পাথরঘাটা: আওয়ামী লীগের পুলক খাস্তগীর (ঠেলাগাড়ি)
৩৫নং বক্সিরহাট: আওয়ামী লীগের হাজী নুরুল হক (ঘুড়ি)
৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা: বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলী।
৩৭নং মুনিররগর: আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আবদুল মান্নান (ঠেলাগাড়ি)
৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর: আওয়ামী লীগের গোলাম মো. চৌধুরী (ঠেলাগাড়ি)
৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর: আওয়ামী লীগের জিয়াউল হক সুমন(লাটিম)
৪০নং উত্তর পতেঙ্গা: আওয়ামী লীগের আবদুল বারেক(ঠেলাগাড়ি)
৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা: আওয়ামী লীগের ছালেহ আহম্মেদ চৌধুরী (ঘুড়ি)।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা হলেন-
১ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থী ফেরদৌস বেগম মুন্নী (আনারস)।
২নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগের জোবাইরা নার্গিস খান (মোবাইল ফোন)।
৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জেসমিন পারভীন জেসী (চশমা)।
৪নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের তছলিমা বেগম নুরজাহান (বই)।
৫নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আনজুমান আরা বেগম (বই)।
৬নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহীন আকতার রোজী (আনারস)।
৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের রুমকি সেনগুপ্ত (হেলিকপ্টর)।
৮নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নীলু নাগ (মোবাইল ফোন)।
৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জাহেদা বেগম পপি (স্টিল আলমারি)।
১০ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের হুরে আরা বেগম (মোবাইল ফোন)।
১১নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ফেরদৌসি আকবর (বই)।
১২ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আফরোজা জহুর (আফরোজা কালাম) (গ্লাস)।
১৩ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী (গ্লাস)।
১৪ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহানুর বেগম (গ্লাস)।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।