খুঁজুন
, ,

পৌরসভা নির্বাচন: আ’লীগ ৪৬,বিএনপি ৩,অন্যন্য ১৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 31 January, 2021, 8:59 am
পৌরসভা নির্বাচন: আ’লীগ ৪৬,বিএনপি ৩,অন্যন্য ১৪

তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। শনিবার তৃতীয় ধাপে ৬২ পৌর সভায় ভোট হয়েছে। একটি পৌরসভায় তিন পদে সবাই আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। সেই হিসাবে ৬৩ পৌরসভায় ফলাফলে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৪৬টিতে।

এরমধ্যে ৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই নির্বাচিত হয়েছেন। এ ধাপে বিএনপির প্রার্থী মেয়র হয়েছেন ৩ জন। স্বতন্ত্র মেয়র হয়েছেন ১৪ জন; তবে স্বতন্ত্রদের সবাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুয়ায়ী, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জে তৌহিদুর রহমান মানিক, নন্দীগ্রামে আনিসুর রহমান ও ধুনটে বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র এজিএম বাদশাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগের জি এম মীর হোসেন মীরু ও বরুড়ায় মো. বক্তার হোসেন ওরফে বখতিয়ার, সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) আমিনুল ইসলাম রাবেল, জকিগঞ্জে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) আব্দুল আহাদ, নওগাঁর ধামইরহাটে আমিনুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া যশোরের মণিরামপুরে আওয়ামী লীগের মাহমুদুল হাসান, চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় মতিয়ার রহমান, দিনাজপুরের হাকিমপুরে জামিল হোসেন চলন্ত, নড়াইলের নড়াইল পৌরসভায় আঞ্জুমান আরা, কালিয়ায় ওয়াহিদুজ্জামান হীরা, ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু পৌরসভায় ফারুক হোসেন ও কোটচাঁদপুর (বিদ্রোহী) শহিদুজ্জামান সেলিম, শেরপুর নকলায় হাফিজুর রহমান লিটন, নালিতাবাড়ীতে আবু বক্কর সিদ্দিকী, নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আলাউদ্দিন আলাল, কুড়িগ্রামের উলিপুরে মামুন সরকার মিঠু, ঝালকাঠির নলছিটিতে আব্দুল ওয়াহেদ কবির খান, মৌলভীবাজারে ফজলুর রহমান, মুন্সীগঞ্জে হাজী মো. ফয়সাল বিপ্লব, রাজবাড়ীর পাংশায় মো. ওয়াজেদ আলী মন্ডল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহীর দুটি পৌর সভার একটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন।
মোহনপুরের কেশরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শহিদুজ্জামান শহিদ, তানোরের মুন্ডমালা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) সাইদুর রহমান, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মুকিতুর রহমান রাফি, নাটোরের সিংড়ায় আওয়ামী লীগের জান্নাতুল ফেরদৌস, নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া পৌরসভায় কেএম ওবায়দুল্লাহ বিপ্লব বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

টাঙ্গাইলে ৫টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। এরমধ্যে টাঙ্গাইল পৌরসভায় এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সালমা আক্তার, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মো. মাসুদুল হক মাসুদ, টাঙ্গাইলের মধুপুরে মো. সিদ্দীক হোসেন, টাঙ্গাইলের সখীপুরে মো. আবু হানিফ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার, জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের মো: মনির উদ্দিন, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে আওয়ামী লীগের কামাল উদ্দিন খান এবং গৌরনদীতে হারিছুর রহমান, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী শওকত উসমান, ভোলার দুই পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছেন।

এরমধ্যে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মো. রফিকুল ইসলাম, দৌলতখানে জাকির হোসেন তালুকদার, পাবনা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) শরীফ উদ্দিন প্রধান, ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) মো. মতিউর রহিমান খান, সাতক্ষীরার কলারোয়া আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান বুলবুল, বরগুনা পৌরসভায় অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ, পাথরঘাটায় আনোয়ার হোসেন আকন ও জামালপুরের সরিষাবাড়িতে আওয়ামী লীগের মনির উদ্দিন এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার চোকদার, জাজিরা আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র ইদ্রিস আলী মাদবর, নড়িয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, ফেনী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, নীলফামারী জলঢাকায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) ইলিয়াস হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহের ভালুকায় আওয়ামী লীগের ডা. মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম, খুলনার পাইকগাছায় আওয়ামী লীগের সেলিম জাহাঙ্গীর ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়র আ স ম মাহবুবুল আলম লিপন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে বগুড়ার কাহালু পৌরসভায় বিএনপি আব্দুল মান্নান ওরফে ভাটা মান্নান, গাবতলীতে বিএনপি প্রার্থী বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া নওগাঁ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নজমুল হক সনি। এদিকে পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. গোলাম কবির বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। নৌকা তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদুর রহমান খান (মোবাইল ফোন) মার্কা ৩ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়েছেন।

এ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের সাথে কলেজ শিক্ষক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথম নির্বাচনে অংশ নেওয়া মো. মাহমুদুর রহমান খানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের লড়াই ছিল চমক। আর এ কারণে ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় ছিল এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

দলীয় প্রতীকের এ ভোটে মেয়র পদে প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে ১৮ জন, বিএনপির দুই জন এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হন। দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৪৫ জন, বিএনপির ৪ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন, জাসদের ১ জন ও ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র পদে বিজয়ী হন। মহামারির মধ্যে প্রথম ধাপে ৬৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপে ৬২ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।