খুঁজুন
, ,

পৌরসভা নির্বাচন: আ’লীগ ৪৬,বিএনপি ৩,অন্যন্য ১৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 31 January, 2021, 8:59 am
পৌরসভা নির্বাচন: আ’লীগ ৪৬,বিএনপি ৩,অন্যন্য ১৪

তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। শনিবার তৃতীয় ধাপে ৬২ পৌর সভায় ভোট হয়েছে। একটি পৌরসভায় তিন পদে সবাই আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। সেই হিসাবে ৬৩ পৌরসভায় ফলাফলে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৪৬টিতে।

এরমধ্যে ৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই নির্বাচিত হয়েছেন। এ ধাপে বিএনপির প্রার্থী মেয়র হয়েছেন ৩ জন। স্বতন্ত্র মেয়র হয়েছেন ১৪ জন; তবে স্বতন্ত্রদের সবাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুয়ায়ী, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জে তৌহিদুর রহমান মানিক, নন্দীগ্রামে আনিসুর রহমান ও ধুনটে বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র এজিএম বাদশাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগের জি এম মীর হোসেন মীরু ও বরুড়ায় মো. বক্তার হোসেন ওরফে বখতিয়ার, সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) আমিনুল ইসলাম রাবেল, জকিগঞ্জে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) আব্দুল আহাদ, নওগাঁর ধামইরহাটে আমিনুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া যশোরের মণিরামপুরে আওয়ামী লীগের মাহমুদুল হাসান, চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় মতিয়ার রহমান, দিনাজপুরের হাকিমপুরে জামিল হোসেন চলন্ত, নড়াইলের নড়াইল পৌরসভায় আঞ্জুমান আরা, কালিয়ায় ওয়াহিদুজ্জামান হীরা, ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু পৌরসভায় ফারুক হোসেন ও কোটচাঁদপুর (বিদ্রোহী) শহিদুজ্জামান সেলিম, শেরপুর নকলায় হাফিজুর রহমান লিটন, নালিতাবাড়ীতে আবু বক্কর সিদ্দিকী, নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আলাউদ্দিন আলাল, কুড়িগ্রামের উলিপুরে মামুন সরকার মিঠু, ঝালকাঠির নলছিটিতে আব্দুল ওয়াহেদ কবির খান, মৌলভীবাজারে ফজলুর রহমান, মুন্সীগঞ্জে হাজী মো. ফয়সাল বিপ্লব, রাজবাড়ীর পাংশায় মো. ওয়াজেদ আলী মন্ডল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহীর দুটি পৌর সভার একটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন।
মোহনপুরের কেশরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শহিদুজ্জামান শহিদ, তানোরের মুন্ডমালা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) সাইদুর রহমান, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মুকিতুর রহমান রাফি, নাটোরের সিংড়ায় আওয়ামী লীগের জান্নাতুল ফেরদৌস, নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া পৌরসভায় কেএম ওবায়দুল্লাহ বিপ্লব বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

টাঙ্গাইলে ৫টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। এরমধ্যে টাঙ্গাইল পৌরসভায় এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সালমা আক্তার, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মো. মাসুদুল হক মাসুদ, টাঙ্গাইলের মধুপুরে মো. সিদ্দীক হোসেন, টাঙ্গাইলের সখীপুরে মো. আবু হানিফ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার, জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের মো: মনির উদ্দিন, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে আওয়ামী লীগের কামাল উদ্দিন খান এবং গৌরনদীতে হারিছুর রহমান, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী শওকত উসমান, ভোলার দুই পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছেন।

এরমধ্যে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মো. রফিকুল ইসলাম, দৌলতখানে জাকির হোসেন তালুকদার, পাবনা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) শরীফ উদ্দিন প্রধান, ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) মো. মতিউর রহিমান খান, সাতক্ষীরার কলারোয়া আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান বুলবুল, বরগুনা পৌরসভায় অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ, পাথরঘাটায় আনোয়ার হোসেন আকন ও জামালপুরের সরিষাবাড়িতে আওয়ামী লীগের মনির উদ্দিন এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার চোকদার, জাজিরা আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র ইদ্রিস আলী মাদবর, নড়িয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, ফেনী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, নীলফামারী জলঢাকায় আওয়ামী লীগের (বিদ্রোহী) ইলিয়াস হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহের ভালুকায় আওয়ামী লীগের ডা. মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম, খুলনার পাইকগাছায় আওয়ামী লীগের সেলিম জাহাঙ্গীর ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়র আ স ম মাহবুবুল আলম লিপন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে বগুড়ার কাহালু পৌরসভায় বিএনপি আব্দুল মান্নান ওরফে ভাটা মান্নান, গাবতলীতে বিএনপি প্রার্থী বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া নওগাঁ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নজমুল হক সনি। এদিকে পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. গোলাম কবির বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। নৌকা তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদুর রহমান খান (মোবাইল ফোন) মার্কা ৩ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়েছেন।

এ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের সাথে কলেজ শিক্ষক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথম নির্বাচনে অংশ নেওয়া মো. মাহমুদুর রহমান খানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের লড়াই ছিল চমক। আর এ কারণে ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় ছিল এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

দলীয় প্রতীকের এ ভোটে মেয়র পদে প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে ১৮ জন, বিএনপির দুই জন এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হন। দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৪৫ জন, বিএনপির ৪ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন, জাসদের ১ জন ও ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র পদে বিজয়ী হন। মহামারির মধ্যে প্রথম ধাপে ৬৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপে ৬২ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।