খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাউজানে ইট প্রস্তুুতকারী মালিক ও শ্রমিকদের উদ্যোগে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
রাউজানে ইট প্রস্তুুতকারী মালিক ও শ্রমিকদের উদ্যোগে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের রাউজানে বিশাল মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ইট প্রস্তুুতকারী মালিক ও শ্রমিকরা।

বুধবার (৩ মার্চ) চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের রাউজান সদর মুন্সিরঘাটা থেকে জলিল নগর বাসস্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ দুই কিলোমিটার সড়কের উভয় অংশে মানববন্ধনে অংশ নেন ইট প্রস্তুুতকারী মালিক ও কয়েক হাজার শ্রমিক।

মানববন্ধন শেষে একটি বিশাল মিছিল চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক হয়ে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে ব্রিক ফিল্ড রক্ষার দাবী জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন ইটভাটা মালিকগণ।

মানববন্ধনে ইটভাটা মালিক সমিতির কর্মকর্তা আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগের সি.সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, জানে আলম জনি, অনুষ্টানের সমন্বয়ক সংগঠক সুমন দে, ডাক্তার সুজিত দত্ত, আজিজুল হক কোম্পানী, ইউনুচ কোম্পানী, সৈয়দ হোসেন কোম্পানী, এস এম শহিদুল্লাহ রনি, মুহাম্মদ সোহেল প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামে ২৮০টিরও বেশি ইটভাটায় প্রায় দুইলক্ষ আশি হাজারেরও বেশি শ্রমিক কর্মরত। বর্তমানে ইটভাটা বন্ধ থাকার ফলে এ সব শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। তাদের পরিবারের কথা ভেবে ইটভাটাগুলো যাতে সচল থাকে সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি কামনা করেন ইটভাটা মালিকরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কয়েকজন শ্রমিক কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আমরা বর্তমানে খুবই অসহায়ভাবে জীবন অতিবাহিত করছি। অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটছে শ্রমিকদের। এমন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করছি আমরা। এভাবে ইটভাটাগুলো বন্ধ থাকলে না খেয়ে মরতে হবে আমাদের।

২৪ ঘণ্টা/নেজাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…