খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারকি সৈকতের পরিত্যক্ত মাল্টাগুলো অপসারণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১, ৯:২২ অপরাহ্ণ
পারকি সৈকতের পরিত্যক্ত মাল্টাগুলো অপসারণ

আনোয়ারা প্রতিনিধিঃঃ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পারকি সৈকতের প্রায় আধাঁ কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা পরিত্যক্ত মাল্টাগুলো উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে অপসারণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুন) সকাল থেকেই পার্কি বীচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় হাজার হাজার মালটা। এসব মালটায় যেন পারকির পরিবেশ নষ্ট না হয় তাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গর্ত করে তা পুতে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জুবায়ের আহমেদের নেতৃত্বে বিকেল ৪টার দিকে পারকী বীচে গর্ত করে এসব মালটা পুতে ফেলা হয়।

এই বিষয়ে ইউএনও শেখ জুবায়ের আহমেদ বলেন, পারকী সৈকতে ফেলে যাওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ মাল্টার কারণে পরিবেশের যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য গর্ত করে এসব মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।

কারা মালটা ফেলে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখনো এই বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা জানায় রাতে ট্রাকে করে এনে এসব মালটা ফেলে রেখে গেছে। পুলিশকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/জাবেদুল

Feb2

বাজারে স্বস্তি নেই, অপরিবর্তিত নিত্যপণ্যের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
বাজারে স্বস্তি নেই, অপরিবর্তিত নিত্যপণ্যের দাম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পর রাজধানীর খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুনসহ অধিকাংশ পণ্যই আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই মূল্যবৃদ্ধি বাজেট ঘোষণার আগেই হয়েছে এবং এর সঙ্গে বাজেটের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।

আজ (শুক্রবার) সকালে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার ও কাজিরদেউরি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি মসুর ডাল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, রসুন ১৫০ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার প্রায় ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। তেলের দাম গত এক সপ্তাহ ধরে লিটারপ্রতি ৫ টাকা বেশি করে বিক্রি হচ্ছে।

বহদ্দারহাট কাঁচাবাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. আব্দুল মালেক বলেন, ‘বাজেটের কারণে বাজারে এখনো কোনো প্রভাব দেখিনি। বেশিরভাগ পণ্যের দাম আগের মতোই আছে। শুধু সয়াবিন তেলের দাম কোম্পানি বাড়িয়ে দিয়েছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

একই বাজারের আরেক বিক্রেতা মো. রহিম মিয়া বলেন, ‘তেলের নতুন সরবরাহ বেশি দামে এসেছে। কেন দাম বাড়ানো হয়েছে সেটা আমরা জানি না। কোম্পানি যে দামে দিচ্ছে, সে অনুযায়ী বিক্রি করছি। বাজেটের সঙ্গে এটার কোনো সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না।’

অন্যদিকে তেলের বাড়তি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। জামালখানের বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘নিত্যপণ্যের মধ্যে তেল এমন একটি জিনিস, যা প্রতিদিনই লাগে। কয়েক টাকা বাড়লেও মাস শেষে বড় চাপ পড়ে। তেলের দাম এখন সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছে।’

একই বাজারে কেনাকাটা করতে আসা উম্মে আমরিন বলেন, ‘অন্যান্য পণ্যের দাম না বাড়লেও তেলের দাম বারবার বাড়ছে। সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সরকারকে এই পণ্যের বাজারে আরও নজরদারি বাড়াতে হবে।’

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে বাজেটের প্রভাব বাজারে কতটা পড়ে, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

অন্যদিকে নগরীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, বাজেট ঘোষণার পরও ব্রয়লার মুরগি, ডিম ও মাছের বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকা এবং ডজনপ্রতি ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে মাছের বাজারেও আগের দামের ধারাবাহিকতা রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে এসব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়েনি।

ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) বাজেট-পরবর্তী দিনে ব্রয়লার মুরগি, ডিম ও মাছের বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। দাম আগের মতোই রয়েছে। ঈদের পর থেকেই ব্রয়লার ১৬০ টাকা কেজি, ডিম ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) সকালে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজার, পাহাড়তলীবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিক্রেতারা জানান, বাজেটে ব্রয়লার মুরগি, সোনালি মুরগি, ডিম ও মাছের ওপর সরাসরি এমন কোনো কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়নি, যা তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদর বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে এসব পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়, সোনালি মুরগির কেজি ৩৪০ টাকা, ডজন প্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আগের দামের কাছাকাছিই বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও বাজেট ঘোষণার পর উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

পাহাড়তলী বাজারের মুরগি বিক্রেতা বলেন, ‘বাজেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো কিছুর দাম বাড়েনি। তাই বিক্রয়মূল্যও আগের মতোই রাখা হয়েছে। ঈদের পর ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি করেছি। আজকেও সেই দাম রয়েছে। বাজেটে দাম বাড়েনি।’

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বায়লা ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

রিয়াজ উদ্দিন বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সোনা মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আজকে এক কেজি পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করছি। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। সব মাছ আগের মতোই আছে। মাছের বাজারে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। পাইকারি বাজারে না বাড়লে খুচরা বাজারেও কম। আর মাছের বাজার নিয়মিত ভাবে ২০-৩০ টাকা দাম ওঠানামা করে।’

চাকরিজীবী মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঈদের পর থেকে মাছ ও মুরগি বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাজারে আজকে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। মাছ ও মুরগির দাম আগের মতোই আছে।’

ডিম ব্যবসায়ী আবদুল বলেন, ‘ব্রয়লার সাদা ডিম ডজন ১১০ টাকা, ব্রাউন রঙের ডিম ১২০ টাকা বিক্রি করছি। গতকালও একই দামে বিক্রি করেছি। বাজেটের প্রভাব পড়েনি। সরকার তো এখানে দাম বাড়ার মতো কর বাড়ায়নি। যদি বাড়ে তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে বাড়তে পারে।’

পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার

ফ্রি-কিক থেকে জোরাল হেডে গোল করেই বাঁধানহারা উল্লাসে মেতে উঠলেন তমাস সৌচেক। চেকিয়ার তারকা মিডফিল্ডার ছুটে গেলেন কর্নার স্ট্যান্ডের দিকে। কিন্তু সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকা সহকারি রেফারি তখন পতাকা উঁচিয়ে ধরে আছেন। অফ সাইড! সেটির রেশ থাকতে থাকতেই পুরো উল্টো গেল ছবি। অন্য প্রান্তে দারুণ এক দলীয় গোলে এগিয়ে গেল দক্ষিণ কোরিয়া। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিল ব্যবধান।

২০২৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তেজনায় ঠাসা দ্বিতীয়ার্ধে বল জালে ঢুকল চারবার। গোল হলো তিনটি। গতিময় ফুটবলের প্রদর্শনীতে চেকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্ব আসরে শুভ সূচনা করল দক্ষিণ কোরিয়া।

মেক্সিকোর গুয়াদালহারার সাপোপানে খেলার ধারার অনেকটা বিপরীতে গোল করে চেকিয়াকে এগিয়ে দিয়েছিলেন লাজিস্লাভ ক্রেইচি। কিন্তু মোহনীয় এক গোলে এশিয়া টাইগারদের সমতায় ফেরান হং ইন-বম। পরে তার পাস থেকেই গোল করেন ওহ হিউন-গিউ। সেটিই হয়ে থাকে জয়সূচক গোল।

২০১০ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে পারল দক্ষিণ কোরিয়া।

কোরিয়ানদের বড় ভরসা, দেশের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের জন্য যার প্রয়োজন আর মোটে দুটি গোল, সেই সন হিউং-মিন একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করেন। এক পর্যায়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়। তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সের খেসারত শেষ পর্যন্ত দিতে হয়নি দলকে।