খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারায় শঙ্খ নদীতে গোসল করতে নেমে সেনা সদস্য নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় শঙ্খ নদীতে গোসল করতে নেমে সেনা সদস্য নিখোঁজ

মোঃ জাবেদুল ইসলাম, আনোয়ারা প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার শঙ্খ নদীতে গোসল করতে নেমে মোহাম্মদ আসিফুল(২০) নামে এক সেনা সদস্য নিখোঁজ হয়েছে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার ৬নং বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ জেলেপাড়া এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।নিখোঁজ সেনাসদস্য আসিফুলের বাড়ি চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায়। সে বিএমএ ক্যাডেট হিসেবে এবারের প্রশিক্ষণে যোগ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়ার অংশ হিসেবে আনোয়ারার শঙ্খ নদীর পাড়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসে সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণার্থী দল। আজ বিকেল ৫টার দিকে ঐ প্রশিক্ষাণার্থী দলের কয়েকজন সদস্য তৈলারদ্বীপ জেলেপাড়া এলাকার শঙ্খ নদীতে গোসল করতে নামলে মোহাম্মদ আসিফুল(২০) নামের এক সেনা সদস্য নিখোঁজ হন।নিখোঁজের পর থেকে স্থানীয় জেলে ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা উদ্বার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল হক আজিজ বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে তৈলারদ্বীপে সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া চলাকালীন সময়ে জেলে পাড়ায় নদীর পাড়ে দুইজন সেনা সদস্য আসেন। একজন প্রশিক্ষণের পোশাকসহ গোসল করতে নামেন। সে সাঁতার কেটে একটু দূরে চলে যায়। পরে সেখান থেকে সাঁতরে অর্ধেক এসে পানির স্রোতে আর আসতে পারেননি। পরে তিনি যখন তলিয়ে যেতে থাকে তখন চিৎকার করতে থাকে।ঐ সময় উপরে থাকা সেনাসদস্যও পানিতে ঝাঁপ দিয়েও ডুবন্ত সেনাসদস্যকে টেনে তুলতে পারেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শওকত বলেন, এখনো নিখোঁজ সেনা সদস্যকে উদ্ধার করা হয়নি। সেনা সদস্য উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…