খুঁজুন
, ,

মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীতে ফজলে করিমের মত আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 6 November, 2019, 5:52 pm
মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীতে ফজলে করিমের মত আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে

আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই একদিন উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের বিনির্মাতা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলবে। এরাই আগামীতে রাউজানের স্বপ্ন দ্রষ্টা সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর মতো আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।

চট্টগ্রামের রাউজানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ লাভ করা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সন্মাননা ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন। আরো : পিতার জন্মদিনে সাংসদপুত্রের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

বক্তারা আরো বলেন, একজন সংসদ সদস্যের জন্মদিন উপলক্ষে এই ধরণের আয়োজন নিঃসন্দেহে সমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আজ ৬ নভেম্বর বুধবার সকালে রাউজান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ।

সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান এর সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুদ্দিন জামাল চিশতীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

উদ্বোধক ছিলেন রাউজান পৌরসভার ২য় প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মাসুম চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি বাবু রতন কান্তি দেবাশীষ, রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ কেপায়েত উল্লাহ, রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান।

এছাড়াও অতিথি ছিলেন ১৫ নং নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার্দী শিকদার, পাহাড়তলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন, রাউজান পৌরসভার কাউন্সিলর জানে আলম জনি, বাংলাদেশ এমেচার বক্সিং ফেডারেশন এর নির্বাহী সদস্য সুমন দে, রাউজান পৌরসভা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সোশ্যাল সার্ভিসেস ইউনিয়ন অব রাউজান এর আহবায়ক মহিউদ্দিন ইমন, যুগ্ন আহবায়ক দিদারুল আলম, সদস্য সচিব তপন দে, রাউজান পৌরসভা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসিফ, রাউজান কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আরমান শিকদার, সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান এর সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ও ৩০ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি ফি বাবদ নগদ টাকা মেধাবৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান এর সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ জামাল নকিব, অর্থ সম্পাদক তারেক হাসান, আবু বক্কর আরাফাত, মোহাম্মদ রিফাত, রাকিব চৌধুরী, সৈয়্যদ জুনাইদ উল্লাহ, মিজানুর রহমান, ওমর ফারুক মনি, মোহাম্মদ আরমান, অনিক ভট্টাচার্য, মোহাম্মদ আরফাত, মোহাম্মদ রবিন, তাজনবী ইমন, মোহাম্মদ ফয়সাল, আরমান উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, প্রিয়টন দে, জুনাইদ উল্লা তুষার, নুর উদ্দিন মুন্না, অমিত দাশগুপ্ত, নেওয়াজ চৌধুরী, ফরহানুল ইসলাম, তৌসিফ আহমেদ রাহাত, জাহেদুল ইসলাম ফরহাদ, জুনায়েদ আহমেদ শওকত, তামিম শিকদার সাইফ, মোহাম্মদ নাহিদ, এফ.এ ফাহিম, মোরশেদ আলম, তানভীর হোসেন প্রমুখ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।