খুঁজুন
শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় মারা গেলেন সাংবাদিক জয়নুলের মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
করোনায় মারা গেলেন সাংবাদিক জয়নুলের মা

বেসরকারী টেলিভিশন ‘চ্যানেল-এস’ এর নিউজ এডিটর, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সদস্য ও চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্য জয়নুল আবেদীনের মা আনোয়ারা বেগম কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ০৯ মিনিটে নগরীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

কোভিড আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন সাংবাদিক জয়নুল আবেদীন। তার ভাগিনা মোহাম্মদ সাঈদ আজ শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি জানান।

মৃত আনোয়ারা বেগম নগরীর বাকলিয়া থানার রাহাত্তার পোল মৃত আবুল হোসেনের স্ত্রী। তিনি ৪ মেয়ে ১ ছেলের জননী ছিলেন।

জানা গেছে, করোনা শনাক্ত হলে গত ৫ জুলাই তাঁকে নগরীর মেরিন সিটি হাসপাতালে আইসিইও তে ভর্তি করানো হয়। মায়ের পরিচর্যা করতে গিয়ে জয়নুল নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন।

আজ শনিবার বাকলিয়ার রাহাত্তার পোল মজিদিয়া ইসলামিয়া আলীম মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে মরহুমার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মরহুমা আনোয়ারা বেগমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) নেতৃবৃন্দ। এক শোক বার্তায় সিএমইউজের সভাপতি শামসুল হক হায়দরী ও সাধারণ মোহাম্দ শাহনওয়াজ সিএমইউজে সদস্য জয়নুল আবেদীনের মায়ের মৃত্যু গভীর শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

Feb2

ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ইরানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জানজানে একটি অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় হঠাৎ করেই সেটি বিস্ফোরিত হয়েছে। এত নিহত হয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ জন সদস্য এবং আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

আইআরজিসির আনসার আল মাহদি ইউনিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, বিস্ফোরিত বোমাটি কী ধরনের— তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতরা সবাই সেই ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

জানজান শহরে যে এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে— সেখানে বেশ কিছু ক্লাস্টার বোমা এবং এয়ার-ড্রপড মাইন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় বেশ কিছু বোমা ফেলেছিল মার্কিন বিমানবাহিনী— যেগুলো অবিস্ফোরিত থেকে গেছে।

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। জানজান শহরের ঘটনাকে চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে আইআরজিসির সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

যুদ্ধবিরতির পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিস্ফোরিত বোমার অনুসন্ধান এবং সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যরা। আইআরজিসির তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে বাহিনীর বোমা বিশেষজ্ঞ টিম।

জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন। জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বঙ্গভবনে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মের অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, গৌতম বুদ্ধের মানবতা, সাম্য ও অহিংসার বাণী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’− মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন।’ তিনি আরও বলেন, জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সবাইকে ধৈর্য্য, সংযম এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা আগত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ধর্ম সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল : তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল : তারেক রহমান

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের স্ত্রীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকদের আমরা ১০ হাজার ঋণ মওকুফ করেছি। কৃষকদের কার্ডের বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।