খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের বিল সহজে কমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের বিল সহজে কমান

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদিন ঘরে থাকার ফলে বাড়ছে বিদ্যুতের বিল। প্রায় সারাক্ষণই বাড়িতে থাকতে হচ্ছে পরিবারের সবাইকে। ফলে বিদ্যুতের বিল বাবদ মাসের পর মাস গুণতে হচ্ছে অনেক বেশি টাকা। বিদ্যুতের বিল কমাতে চাইলে কিছু জিনিস মেনে চলতে হবে।

অপ্রয়োজনে আলো জ্বালাবেন না

সকালে যদি ঘরে আলো থাকে তাহলে অহেতুক আলো জ্বালাবেন না। তেমন হলে যে ঘরে বসে কাজ করবেন সেই ঘরের জানলা খুলে দিন। ফলে আলোর সাশ্রয় হবে। খুব প্রয়োজন ছাড়া আলো একেবারেই জ্বালাবেন না। মাসের শুরুতেই বাড়ির সবাইকে এই বিষয়ে সতর্ক করে দিন।

অনেক সময় রাতের বেলায় সব ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাখেন অনেকেই। যে ঘরে থাকবেন না সে ঘরে আলো জ্বালানোর কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়িতে কোনও অতিথি এলে আলো জ্বালিয়ে রাখুন। কিন্তু, অহেতুক আলো জ্বালানোর প্রয়োজন নেই। কোনও ঘরে কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সেই ঘরের আলো বন্ধ করে দিন।

ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট, ফ্যান বন্ধ করে দেবেন

অনেকেই কোনও ঘর থেকে বেরিয়ে লাইট, ফ্যান চালিয়ে রাখেন। কিন্তু সেটা বন্ধ করতে ভুলে যান। বিদ্যুতের খরচ কম করতে হলে এগুলো করবেন না। সব সময় ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট, পাখা বন্ধ করে দেবেন। বাড়িতে খুদে সদস্য থাকলে তাকে দায়িত্ব দিন এদিকে খেয়াল রাখতে ৷ এভাবে ছোটো থেকে তাকেও এই বিষয়ে সতর্ক করা যাবে।

বিদ্যুৎ চলে গেলে বাড়ির সব লাইট, ফ্যান বন্ধ করে দেবেন

বিদ্যুৎ চলে গেলে বাড়ির সব লাইট, ফ্যান বন্ধ করে দেবেন। অনেকেই কারেন্ট এসেছে বুঝতে পারার জন্য ঘরের আলো ও পাখা জ্বালিয়ে রাখেন। এতে এক ধাক্কায় বিল অনেকটা বেড়ে যায়। এটা করবেন না। একটা রুমে সুইচ অন করে সবাই বসে থাকুন। সেটাই আপনাকে বিদ্যুৎ আসার খবর দিয়ে দেবে। তাই বিদ্যুৎ যাওয়ার পর সব বন্ধ করে দিন।

এলইডি আলোর ব্যবহার করুন

বাড়িতে এলইডি আলোর ব্যবহার বাড়ান। এতে বিদ্যুৎ কম লাগে। যে সব জায়গাতে বেশি আলোর প্রয়োজন রয়েছেন সেখানে এলইডি বাল্ব ও টিউবলাইট লাগান। দেখবেন বিল অনেক কম আসবে। বিশেষ করে বাথরুম, রান্নাঘর এই সব জায়গায় এই আলো লাগান। আর এলইডি টিউব লাইটের আলো অনেক বেশি হয়।

সারা বাড়িতে আলো জ্বালিয়ে না রেখে টাস্ক লাইটিং শুরু করুন। যেমন, দরকারে বই পড়ার জন্য রিডিং ল্যাম্প ব্যবহার করুন। টিভি দেখার সময় খুব বেশি আলোর প্রয়োজন পড়ে না, সেখানে কম পাওয়ারের এলইডি আলো লাগান। রান্না ঘরে আলোর প্রয়োজন খুব বেশি হয় সেখানেও এলইডি লাগান।

নিয়মিত পরিষ্কার করুন

বাড়ির সব বাল্ব ও আলো নিয়মিত পরিষ্কার করুন। অনেক সময় ধুলো জমে গেলে তা থেকে বেশি আলো বের হয় না। কেমন যেন অন্ধকার লাগে। তাই মাসে অন্তত একবার করে আলো পরিষ্কার করুন। দেখবেন এতে ঘরে আলোর পরিমাণ বেশি হবে আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও হবে।

হাতে জামা কাপড় ধুয়ে ফেলুন

অনেকেই কাপড় জামা ওয়াশিং মেশিনে কাচেন। কিন্তু আপনারা জানেন কি ওয়াশিং মেশিন ব্যবহারে অনেক বেশি বিল আসে৷ তাই খরচ কমাতে চাইলে অল্প জামা কাপড় হাতে কাচতে পারেন এবং ড্রায়ার ব্যবহারের বদলে বারান্দা বা ছাদে কাপড় শুকতো দিন।

শীতাতপ যন্ত্রের ফিল্টার পরিষ্কার করুন

নিয়মিত এসির ফিল্টার পরিষ্কার না হলেও বিল বেশি আসে। চেষ্টা করুন শীতাতপ বা বাতানুকূল যন্ত্র সবসময় যেন ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে। এর থেকে বেশি কমিয়ে দিলে এসির উপর চাপ পড়বে। তাতে এসি খুব তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাই ২৫-এ রাখুন। এতে ঘরও ঠান্ডা হবে আর বিদ্যুতের ব্যয়ও কম হবে।গরম বা ভ্যাপসা আবহাওয়ায় এসি চালালে বিল বেশি আসে তাই অপ্রয়োজনে এসি না চালিয়ে ফ্যান চালাতে পারেন৷

কাজের ফাঁকে উঠে যাওয়ার সময় ল্যাপটপ বা কম্পিউটার বন্ধ করে দিন

অনেক সময় একটা সিনেমা দেখতে দেখতে অনেকেই উঠে পড়েন। কিন্তু, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার খোলা রেখে দেন। এটা করবেন না। উঠে যাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ করে দিন। কারণ ওই একটু একটু করেই অনেকটা হয়ে যায়। তা অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না। আর এই পদ্ধতি মেনে প্রতি মাসে অন্তত ৪০ শতাংশ বিদ্যুতের খরচ কমাতে পারেন।

এন-কে

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।