খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কানাডায় ফেডারেল নির্বাচনে এবার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি প্রার্থী!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
কানাডায় ফেডারেল নির্বাচনে এবার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি প্রার্থী!

আর মাত্র দুই সপ্তাহ পর অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর কানাডায় ৪৪তম ফেডারেল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ইতোপূর্বে ছয় প্রার্থীর খবর জানা গেছে। সর্বশেষ তথ্য মোতাবেক সর্বমোট আট জন বাংলাদেশি-কানাডিয়ান প্রার্থীর নাম পাওয়া গেলো।

ফলে কানাডার মূলধারার রাজনৈতিক লিবারেল থেকে একজন, কনজার্ভেটিভ পার্টি থেকে দুই জন, এনডিপি থেকে চার জন এবং একজন গ্রিন পার্টি থেকে মনোনয়ন পেলেন আট বাংলাদেশি। গত পহেলা সেপ্টেম্বর ছয় প্রার্থীর কথা উল্লেখ করা হয়েছিলো। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বাকী দুই জন হচ্ছেন- নামির রহমান এবং সানি মীর।

বগুড়ার নামির রহমান ঢাকায় বেড়ে উঠা এবং পড়শোনার পর করে পঁচিশ বছর আগে কানাডায় অভিবাসী হন। তিনি জানান, এখানে উইনজর ভার্সিটিতে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করার সময় থেকেই তিনি এন ডি পি’র সাথে জড়িত। নামির আলবাট্রার প্রিমিয়ার রিচল নটলি’র রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। এবার তিনি তৃতীয় বারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এবারও একই আসন অর্থাৎ নায়গ্রা উয়েস্ট আসন থেকে এনডিপি’র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। বিগত দুই নির্বাচনে কঞ্জারভেটিভ পার্টির ডিন এলিসিনের কাছে হেরে যান। তিনি এনার্জি মিনিষ্টির সিনিয়ন এডভাইজার হিসেবে নিয়োজিত।

নামির রহমান এবং সানী মীর

নামির রহমান আরও বলেন, এক সময় বাংলাদেশি হিসেবে আমি একাই মুলধারার রাজনীতিতে নির্বাচন করেছি। এখন বাঙালিরা সচেতন হয়েছে, মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছে, এটা খুবই ইতিবাচিক দিক। তিনি তার দলের এমপিপি ডলি বেগমের বিজয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা এর ফলাফলও পেয়ে শুরু করেছি। আগামীতে আরো এগিয়ে যাবে বাংলাদেশিরা।

অশোয়া আসন থেকে গ্রিন পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন তরুণ প্রজন্মের বাংলাদেশি-কানাডিয়ান সানী মীর। ঢাকার সিদ্ধেশরীর সন্তান সানী ইতোপূর্বে টরন্টো থেকে সিটি কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছিলেন।

এবার কেন্দ্রীয় নির্বাচনে যুক্ত হলেন। গ্রিন পার্টি থেকে মনোনয়্ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার মনোনয়ন অনেকটা কাকতলীয়। আমার ম্যানেজার সফুরা খাতুন আমার পক্ষে প্রার্থী হওয়ার জন্য গ্রিন পার্টিতে আবেদন করেন। আমার সম্পর্কে খোঁজ-খরব, তথ্যাদি নিয়ে গত শুক্রবার গ্রিন পার্টি সবুজ সংকেত দিয়ে আমার নাম ঘোষণা করে। ফলে আমি কিছুটা অবাক হই। আমিও গ্রিন পার্টি রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত। ফলে আমি এখন পুরো দমে রাতদিন নির্বাচনী প্রচার নিয়ে ব্যস্ত।

নামির এবং মীর ছাড়া বাকী ছয় প্রার্থীরা হচ্ছেন- অন্টারিও প্রদেশের অশোয়া আসনে সরকারি দল লিবারেল থেকে আফরোজা হোসেন, টরন্টোস্থ স্কারবোরো সাউথ-ওয়েস্ট আসনে কনজার্ভেটিভ পার্টি থেকে মহসিন ভূইয়া, এনডিপি থেকে স্কারবোরো সেন্টার আসনে ফাইজ কামাল, আলবাট্রার এনডিপি থেকে খালিস আহমেদ তমাল এবং ক্যালগরি থেকে এনডিপির গুলশান আক্তার এবং মেট্রো ভ্যাঙ্কুভারের সোরি-নিউটন আসনে কনজারভেটিভ পার্টির সৈয়দ মহসিন।

এন-কে

Feb2

ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

প্রথম ম্যাচে পুঁচকে ক্যাপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজ রূপে ফিরল স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানে হারাল স্প্যানিশরা। তাতেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা।

প্রথম ম্যাচে নবাগত ক্যাপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ২ পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। আজ যেন সেই ক্ষোভটাই সৌদি আরবের ওপর উগরে দিল তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা টিকিটাকা আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে ২০১০ সালের বিশ্ব বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল।

ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন ইয়ামাল। প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৪৯ মিনিটে) স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি। এই আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ নিজেদের জাল অক্ষত রাখে সৌদি আরব। তবে যোগ করা সময়ে আর একটি গোল করেছিল স্পেন। কিন্তু ভিএআরের মাধ্যমে সেই গোলটি বাতি করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা।

২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান স্পেনের। গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১।

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আইয়ুবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭।

রবিবার (২১ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি জানান, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৬টার দিকে বাঘাইছড়ির দূরছড়ি এলাকায় আইয়ুবের ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৭-এর একটি দল। সেখান থেকে তাকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরও জানান, যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আইয়ুবের নাম আসে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা পাঁচ অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহার করাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নেওয়া তার উদ্যোগের সঙ্গে এই প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

যদিও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এটিকে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত বদলি প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে এতে প্রত্যাহারের কারণ বা তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবারের মধ্যেই তাকে মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের ঘটনায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, সম্প্রতি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন তিনি।

গত ১২ জুন দুই মাজার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগের কথা জানান। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার মাজারের পুরোনো দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয় এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। গতকাল শনিবার ডেগের ওপর সিসি ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের কাজ চলাকালে মাজারের আয়-ব্যয়ের অসচ্ছতার বিষয়টি সামনে আসে। পরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দুই মাজার কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব চাওয়া হলে তারা কোনো সন্তোষজনক হিসাব দেখাতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাজারের দান-খয়রাতের অর্থের একটি অংশ কয়েকটি প্রভাবশালী পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মাজারের আয়ে স্বচ্ছতা আনার অংশ হিসেবেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান সারওয়ার আলম। তবে মাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাজারবিরোধী একটি চক্রের ইন্ধনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও রেওয়াজ ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হিসেবে এটি করা হয়েছে। এর মধ্যেই আজ সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মাজার–সংক্রান্ত পদক্ষেপের কারণেই কি তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, তাকে পরবর্তীতে পদায়নের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে। এরপর পদায়ন দেওয়া হবে।

মাজার ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাহার নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সরকারি কর্মচারীদের বদলি একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা আসবে, যাবে; অনেকেই তো বদলি হচ্ছে, আরও হবে। এটা চলমান (প্রক্রিয়া)। এটা তো আর ব্যতিক্রম কিছু না। আর এসব পদে তো সবসময় এগুলো (বদলি/প্রত্যাহার) হচ্ছে। নতুন কিছু না এটা।

২৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম একসময় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দুর্নীতি ও ভেজালবিরোধী অভিযানের কারণে আলোচনায় আসেন। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট তিনি উপসচিব পদে পদোন্নতি পান।

পরে ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জাফলং ও সাদাপাথর এলাকায় পাথর লুট নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার করেছিল সরকার। এরপর সেখানে নিয়োগ পান সারওয়ার আলম।