খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিল্লির আদালতে গোলাগুলি, নিহত ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
দিল্লির আদালতে গোলাগুলি, নিহত ৩

ভারতের দিল্লির একটি আদালত কক্ষে আজ শুক্রবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক গ্যাংস্টারসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উত্তর দিল্লির আদালত ভবন রোহিনিতে এই গোলাগুলির ঘটনায় নিহত গ্যাংস্টারের নাম জিতেন্দার গোগি। বিরোধী পক্ষের দুই দুর্বৃত্তও পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তারা প্রতিপক্ষ ‘টিল্লু গ্রুপের’ সঙ্গে জড়িত। দুর্বৃত্তরা আইনজীবীর পোশাক পরে আদালত কক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ একটি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য জিতেন্দ্রর গোগিকে দিল্লির তিহার জেল থেকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানেই মামলার শুনানি চলাকালে গোলাগুলির সূত্রপাত হয়।

মামলার আইনজীবী ললিত কুমার এনডিটিভিকে বলেন, ‘বিচারক তখন এজলাসে। আইনজীবীরা সেখানে উপস্থিত আর জিতেন্দর গোগি পাশেই ছিলেন। আইনজীবীর পোশাক পরিহিত দুজন তার দিকে এগিয়ে যায় এবং গুলি করা শুরু করে।’

দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্তানা বলেন, ‘আদালত কক্ষের মধ্যেই দুজন জিতেন্দ্রর গোগিকে লক্ষ্য করে গুলি করা শুরু করে। পুলিশও তখন দুর্বৃত্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে দুই দুর্বৃত্ত নিহত হয়।’

‘পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দুই দুর্বৃত্তকে হত্যা করে। মোট তিনজন নিহত হয়েছে’, যোগ করেন রাকেশ আস্তানা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, গোলাগুলির শব্দ শুনে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী ও পুলিশ সদস্যরা দৌড়াদৌড়ি করছেন। সবাই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন।

গোগি এবং টিল্লু গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব দিল্লির অপরাধ জগতে পুরানো। দুপক্ষের দ্বন্দ্বে অন্তত ২৫ জনের প্রাণ গেছে। গোগি ছিল দিল্লি পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেট’। গত মার্চে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।

আদালত কক্ষের মধ্যে এই ধরনের গোলাগুলির ঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে দিল্লি পুলিশ এখন সেসব নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

দিল্লির পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করা শুরু করেছি। এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের কাউকে আমরা ছাড় দিব না। কেউ ছাড় পাবে না।’

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…