খুঁজুন
, ,

বাদশাহ আব্দুল্লাহকে খুন করতে চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 26 October, 2021, 11:02 am
বাদশাহ আব্দুল্লাহকে খুন করতে চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ!

২০১৪ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার চাচা দেশটির তৎকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহকে খুন করতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি দেশটির সাবেক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সাদ আল-জাবরি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগ আনেন।

আমেরিকান সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস এর এক সাক্ষাৎকারে সাদ আল-জাবরি বলেছেন,তিনি এমন একটি ভিডিও’র কথা জানেন, যেখানে চাচা বাদশাহ আবদুল্লাহকে চাইলেই খুন করতে পারেন বলে জানিয়েছিলেন যুবরাজ বিন সালমান।

ভিডিওটিতে নাকি সালমান বলেছিলেন, তার কাছে রাশিয়ার এমন একটি বিষাক্ত আংটি আছে, যা দিয়ে করমর্দন করেই সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহকে খুন করা যাবে।

সৌদি আরবের সিংহাসনে আরোহণের পথ পরিষ্কার করতেই তিনি এই খুন করতে চান। আর এই বিষয়টি নাকি ২০১৪ সালে চাচাতো ভাই বিন নায়েফকে জানিয়েছিলেন বিন সালমান।

সাক্ষাৎকারে সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা সাদ আল-জাবরিরের সাক্ষাৎকারে এমন কথাই উঠে এসেছে।

বিবিসি জানায়, সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে তখন সৌদি শাসক পরিবারের ভেতরে উত্তেজনা চলছিল।

জাবরির ভাষ্য, মোহাম্মদ বিন নায়েফকে তখন বিন সালমান বলেছিলেন, “আমি বাদশাহ আব্দুল্লাহকে হত্যা করতে চাই। রাশিয়া থেকে একটি বিষাক্ত আংটি পেয়েছি। তার সঙ্গে শুধু করমর্দন করলেই যথেষ্ট। তিনি শেষ হয়ে যাবেন।”

বিন নায়েফের সঙ্গে সালমানের এই বৈঠকটি রাজদরবারে গোপনীয়তার সঙ্গে হয়েছিল। তবে গোপনে বৈঠকটি ভিডিও করা হয় এবং ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দুইটি কপি কোথায় আছে তাও জানেন বলে জানিয়েছেন জাবরি।

এন-কে

Feb2
Feb2

রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 6:28 pm
রাতে চোরাই ডিজেলের কারবার, অয়েল ট্যাংকারসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

কর্ণফুলী নদীতে অভিযান চালিয়ে চোরাই ডিজেল কারবারি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ।

এ সময় একটি অয়েল ট্যাংকার, ১২ হাজার ৭০০ লিটার চোরাই ডিজেল এবং ডিজেল স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত একটি পাম্প মোটরসহ পাইপ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরঘাট নৌ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীর চট্টগ্রাম বন্দরের ৬ নম্বর ভেসেল পয়েন্ট জেটি সংলগ্ন এলাকায় ওটি ইশরাত নামের একটি অয়েল ট্যাংকারে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ট্যাংকার থেকে ১২ হাজার ৭০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

ডিজেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ট্যাংকারে থাকা সুপারভাইজার, মাস্টার ও স্টাফসহ ছয়জনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— আরিফুল ইসলাম (৩০), সাইদুল ইসলাম ওরফে ইশাদ (২২), আব্দুল হালিম (৩৫), নুরুল মোস্তফা (২৬), জালাল আহমদ (৬০) ও নুরুল আমিন (৫০)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছেন, বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা ডিজেল ট্যাংকারে ভর্তি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাবাজার ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে কর্ণফুলী নদী ও আশপাশের ঘাট এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে চোরাই ডিজেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় নৌ পুলিশের এসআই মো. মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ছয়জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই জনের বিরুদ্ধে চ বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নৌ পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম ২০১৭ সালের একটি হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় দুটি ডাকাতি ও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।

ইরান থেকে শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা কারবার, গ্রেপ্তার ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 2:39 pm
ইরান থেকে শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা কারবার, গ্রেপ্তার ৩

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সিসার চালানসহ মাদক কারবারি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ডিএনসি বলছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুই সহোদর ইরান থেকে সিসা বিক্রির কার্যক্রম শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করত।

গ্রেপ্তাররা হলেন আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪) ইরানি বংশোদ্ভূত নাগরিক। এছাড়া অপর ব্যক্তি হলেন মো. মাকসুদ আলম (৪০)।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, রাজধানীর গুলশান ও ভাটারা এলাকায় সমন্বিত বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক পরিমাণ সিসা উদ্ধারসহ একটি আন্তঃজেলা অনলাইন মাদক সরবরাহকারী চক্রের মূলহোতা দুই সহোদরসহ মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গ্রেপ্তারকালে তাদের কাছ থেকে ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা , ৪১টি হুক্কা, ৪০ কেজি সিসা সেবনের কয়লা, ৫টি মোবাইল ফোন ও বিপুল পরিমাণ সিসা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় আহমেদ শরীফি ও মেহদাদ শরীফি নামের এই দুই সহোদরের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনার মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনে অবৈধ সিসা ও সিসা সেবনের উপকরণ বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে। ওই পেইজের মাধ্যমে অর্ডার করা দুইটি সিসা র চালান দেশীয় কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পাঠানো হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ রেইডিং টিম গত ২ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ফেসবুক পেজের নামে পাঠানো ১ কেজি সিসা সহ একটি পার্সেল জব্দ করা হয়। তারপর একই দিন রমনা থানাধীন মালিবাগ থেকে একই পেজের নামে পাঠানো আরও ১ কেজি সিসা সহ দ্বিতীয় পার্সেলটি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জব্দ করা পার্সেল দু’টির প্রেরক-ঠিকানা যাচাই করে অভিযানিক দল একই দিনে গুলশান থানাধীন কালাচাঁদপুরে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই দুই সহোদরকে ভাড়া বাসা থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা এবং ২০টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার দুই সহোদর জানায়, তাদের সরবরাহ করা সিসা র একটি বড় অংশ আসত মো. মাকসুদ আলম নামে আরেক ব্যক্তির কাছ থেকে, যিনি ভাটারা থানাধীন নূরেরচালা এলাকায় বসবাস করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাতে অভিযানিক দলটি নূরেরচালাস্থ একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে মাকসুদ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আরও ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, গ্রেপ্তার দুই সহোদর বাংলাদেশি নাগরিক হলেও তাদের পূর্বপুরুষ ইরানি। তারা দুইজনও দীর্ঘ সময় ইরানে অবস্থান করেছেন। সেখানে থাকার সময় তারা সিসা ব্যবসার কার্যক্রম, বাজারব্যবস্থা এবং সরবরাহ পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফিরে তারা একই ব্যবসায়িক মডেল অনুসরণ করে অনলাইনে সিসা বিক্রির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেন। তারা একটি ফেসবুক পেজ চালু করেন, যা বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা বিক্রয়কারী প্রথম দিকের পেজগুলোর অন্যতম। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ, পণ্যের ছবি প্রকাশ, অর্ডার গ্রহণ, মূল্য নির্ধারণ এবং ডেলিভারির সমন্বয় করতো। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর দেশীয় কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পাঠাতো।

ডিএনসি জানায়, চক্রটি মূলত বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) ব্যবহার করে পণ্যের মূল্য গ্রহণ করত। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত একাধিক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তারা অর্থ সংগ্রহ করত, যাতে প্রকৃত লেনদেনের উৎস ও সুবিধাভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা যায়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এসব আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট এবং অর্থের প্রবাহ যাচাই করা হচ্ছে।

ডিএনসি আরও জানায়, অভিযানে জব্দ করা মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিস্তৃত গ্রাহক ডাটাবেস উদ্ধার করেছে ডিএনসি। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য ক্রেতার তথ্য, যোগাযোগের ইতিহাস, অর্ডারের বিবরণ এবং লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিত ক্রেতা, পরিবেশক, সহযোগী এবং এই নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান ডিএনসির অতিরিক্ত এই পরিচালক।

বিশ্বকাপ থেকে এক কিংবদন্তির বিদায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 July, 2026, 12:01 pm
বিশ্বকাপ থেকে এক কিংবদন্তির বিদায়

দুই তারকা একসঙ্গে নামল বিদায়ের মঞ্চে, যেখানে একজনের জন্য সাজানো ছিল বিদায়ের আয়োজন। যার শেষ হলো নাটকীয়ভাবে। শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়ার সমতাসূচক গোল বাতিল হওয়ায় লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপ শেষ হলো নাটকীয় ও আবেগঘন। আর অন্তত আরেকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলেন আরেক তারকা ও পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থকে নিয়ে সিআরসেভেন বলেন, ‘আমি লুকার সাথে অনেক বছর খেলেছি। ও ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি, এখনও। আমি তাকে বহুবার এই কথা বলেছি। সবকিছুর জন্য তোমাকে অভিনন্দন। তোমার ক্যারিয়ারের আগামী বছরগুলোর জন্য আমার অনেক অনেক শুভকামনা রইল।’ ম্যাচ শেষ হতেই সৌজন্যতা বিনিময়ের সময় মদ্রিচকে জড়িয়ে ধরেন রোনালদো। তারপর মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন। শেষ করেন আবার দুজন দুজনকে আলিঙ্গন করেন।

হেরে যাওয়া ম্যাচে ৪০ বছর বয়সেও নিজের জাত চেনালেন মদ্রিচ। ৬৬ বার বলে পা ছুঁয়েছেন, তিনটি ট্যাকেল সম্পন্ন করেছেন এবং দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের অর্ধে দুটি বিপজ্জনক ক্রস দিয়েছেন। জোসকো জিভারদিওলের গোল বাতিল হওয়ার পর ম্যাচ শেষের বাঁশি যখন বাজল, বিমর্ষ মদ্রিচ হাঁটুতে হাত দিয়ে ঝুঁকলেন। হতাশার সমাপ্তির পর আবেগ লুকাতে পারেননি।

তবে এটাই কি শেষ? ক্রোয়েশিয়া কোচ জ্লাতকো দালিচ আশা রাখলেন। তার মতে, ‘হয়তো’ এটাই মদ্রিচের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। তিনি যোগ করলেন, ‘কেবল ঈশ্বর জানেন, পরের চার বছর কী হবে। দেখা যাক, আমরা ক্রোয়েশিয়ায় গিয়ে এনিয়ে কথা বলব।’

মদ্রিচের প্রশংসা করে কোচ বললেন, ‘লুকা খুব ভালো খেলেছিল। আবারও সে ছিল আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আমি খুব দুঃখিত যে তার শেষটা এভাবে হলো। সে আবারও তার দৃঢ়তা ও সামর্থ্য দেখাল। শেষ পর্যন্ত সে ক্রোয়েশিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছে।’

মদ্রিচের নেতৃত্বে ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া রানার্সআপ ও তৃতীয় হয়েছিল। এটি ছিল তার পঞ্চম বিশ্বকাপ। চলতি আসরে চার ম্যাচের সবগুলোতে শুরু থেকে ছিলেন তিনি।

২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলে ব্যালন ডি’অর জেতেন মদ্রিচ। মাদ্রিদে তিনি ছয়টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও চারটি লা লিগা জেতেন। রিয়ালসহ ক্লাব ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ২৩ মৌসুম খেলেছেন তিনি ডায়নামো জাগবের ও টটেনহাম হটস্পারে। গত মৌসুমে ছিলেন এসি মিলানে।

মদ্রিচ শেষ বিশ্বকাপ খেলার পর প্রতিপক্ষ কোচের প্রশংসাও পেলেন। পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ বললেন, ‘আপনি এমন একজন খেলোয়াড়ের কথা বলছেন, যে লম্বা ক্যারিয়ার পার করেছে এবং এখনও চিন্তা করার ক্ষমতা সম্পন্ন একজন তরুণের মতো খেলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খেলার চিন্তাভাবনার দিকটা নিয়ে খুব কমই কথা বলা হয়। সবকিছুই কৌশল, কারিগরি দিক আর শারীরিক দিককে কেন্দ্র করে কথা হয়। এমন খেলোয়াড়ের কথা খুব কমই বলা হয়, যে বল পায়ে রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমার মনে হয়, মদ্রিচ এর একটি চমৎকার উদাহরণ। খেলার গতিপ্রকৃতির ওপর নির্ভর করে সে নিজের ছন্দ খুঁজে নেয় এবং সঠিক সিদ্ধান্তটি নেয়।’