খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্টেশন মাস্টারের ভুলে ট্রেন লাইনচ্যুত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
স্টেশন মাস্টারের ভুলে ট্রেন লাইনচ্যুত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে বগিতে আগুন লেগেছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রংপুরগামী ‘রংপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৮ টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে আগুনের ঘটনা ঘটে। এত ইঞ্জিনসহ ৪ টি বগি আগুনে পুড়েছে। আহত হয়েছেন ট্রেনের দুই চালকসহ অন্তত ২০ জন। এ ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার রেলস্টেশনে ঢোকার সময় এ দুর্ঘটনা। স্টেশন মাস্টারের ভুলেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্টেশন মাস্টার ভুল করে মিটারগ্রেজ ট্রেনের সিগন্যাল দিয়ে দেন ব্রডগেজের লাইনে। এতে ৮ টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পাশের লাইনে চলে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে ঢোকার মুখে বগি লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটে। টেনটি দুই নম্বর লাইন দিয়ে স্টেশনে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু স্টেশনমাস্টার এক নম্বর লাইনে সিগন্যাল দিয়ে দেন। এতে দুর্ঘটনায় পড়ে ট্রেনটি। মুহূর্তেই ইঞ্জিনসহ ৫টি বগিতে আগুন ধরে যায়। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো এলাকা। যাত্রীরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। অনেকে ট্রেনের জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়েন। পরে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিম আগুনের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

এ ঘটনায় ৪০০ থেকে ৫০০ গজ রেললাইন উপড়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ। উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে।

এ দুর্ঘটনায় কারো নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে চালকসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। দুই চালক গুরুতর আহত। আহতদের মধ্যে ৭-৮ জনকে উল্লাপাড়া কাওয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…