খুঁজুন
, ,

বারো মাসি পেঁয়াজের বীজ উদ্ভাবন করেছে গবেষকরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 November, 2019, 12:34 am
বারো মাসি পেঁয়াজের বীজ উদ্ভাবন করেছে গবেষকরা

মিশর এবং তুরস্কসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিদেশ থেকে আমদানি করা পেঁয়াজকে জনগণের নাগালের মধ্যে আনতে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমি নির্দেশ দিয়েছি- টিসিবি সে পেঁয়াজ নেবে এবং বিতরণের ব্যবস্থা করবে। সব জেলায় ট্রাকে করে এই পেঁয়াজ চলে যাবে।’

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন আছি। যাতে মানুষের সমস্যা না হয়।’
ইতোমধ্যে এক মওসুমের পরিবর্তে ১২ মাস যেন পেঁয়াজ হতে পারে গবেষকরা পেঁয়াজের সে ধরনের বীজ উদ্ভাবন করতে সমর্থ হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমরা এটি বাজারজাত করবো এবং তখন আর কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকেতে হবে না। নিজেদের চাহিদা মত আমরা উৎপাদন করতে পারবো।’

সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে টিসিবি’র মাধ্যমে ৪৫ বা ৫০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রয়ের তথ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি সম্পর্কে বিরোধীদলের এক সংসদ সদস্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের একটি রাজ্যে পেঁয়াজের দাম ৮/১০ টাকা আছে। কিন্তু সেখান থেকে বাইরে পেঁয়াজ যেতে দেয়া হচ্ছে না। তবে, ভারতের অন্যত্র পেঁয়াজের দাম বেশি। সমগ্র ভারতবর্ষে পেঁয়াজ প্রায় একশ’ রুপিতে বিক্রয় হচ্ছে।’

খাদ্যে ভেজাল প্রসংগে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ সম্পর্কে বিরোধীদলের নেতাও বলেছেন, এটা ঠিক। আসলে মানুষের চরিত্র বদলায় না, বারবার অভিযান চালানোর পরেও। তবে, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে।’

অতীতে বিএনপি সরকারের সময় চিংড়িতে লোহা ঢুকিয়ে ইউরোপে রপ্তানির প্রেক্ষিতে সেখানে চিংড়ি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বেজাল বন্ধ করে আবারো এই রপ্তানি চালু করেছে। বিএসটিআই’র মানোন্নয়ন করে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে বিএসটিআই’র টেস্টিং ল্যাব চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি স্থল ও নদী বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন ‘এন্ট্রি’এবং ‘এগজিট পয়েন্টে’ টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

শিক্ষকদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই তাঁর সরকার প্রায় আড়াই হাজার স্কুল এমপিওভুক্ত করে অন্য সকল শ্রেণী পেশার সঙ্গে শিক্ষকদের বেতনও বাড়িয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে এমপিওভুক্তির একটি মানদন্ড দেয়া হয়েছে যারা এটা পূরণ করবে বাকি থাকলে তারাও এমপিওভুক্ত হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ‘৬৫ হাজার ৬২৬ জন হেড মাস্টারকে ১১তম গ্রেড দেয়া হয়েছে। ৩ লাখ ৮২ হাজার সহকারী শিক্ষককে ১৩তম গ্রেড দেয়া হয়েছে। শিক্ষকদেরও আমরা আপগ্রেড করে দিয়েছি। তাদের বেতনের পরিমাণ এখন অনেক বেশি।’
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রশিক্ষণকালীন ভাতা প্রদান এবং ট্রেনিং গ্রহণ করলে তাঁদের চাকরির আপগ্রেডেশনেরও তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী রেল দুর্ঘটনা সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাথায় ব্যথা থাকলে মাথা কেটে ফেলা বা দু,একটা দুর্ঘটনার জন্য রেল বন্ধ করে দেয়ার মনোভাবের সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, গাড়িতে তো প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। তাহলে কি বিরোধীদলীয় নেতা গাড়িতে চড়া বা বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল বলে কি বিমানে চড়া বন্ধ করে দেবেন?

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুর্ঘটনা নিছকই দুর্ঘটনা, কাজেই এই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মানুষের পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব সেটুকু করতে পারটাই বড় কথা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার মেট্রো রেল তৈরী করছে। কবে কোথায় মেট্রো রেলে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে এটাও তৈরী বন্ধ করে দিতে হবে? তাহলে আমাদের যানজট দূর হবে কিভাবে? স্বল্প সময়ে মানুষ দূর দূরান্তে যাত্রা করবে কিভাবে?

শেখ হাসিনা দৃঢ়কন্ঠে বলেন, ‘সময়ের গতির সাথে তাল-মিলিয়ে চলতে গেলে আধুনিক প্রযুক্তি আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে। সাথে সাথে দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকেও আমাদের বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে।’

দেশের রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে এ ধরনের পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
আর এটি নির্মাণের সময়ই রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্জ্যটা রাশিয়া নিয়ে যাবে। এ বিষয়ে আমাদের চুক্তিও হয়েছে এবং এই পাওয়ার প্লান্টকে ঘিরে তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের রাশিয়া এবং ভারতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ বঙ্গে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার জন্য সরকার জায়গা খুঁজছে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনভাবেই সুন্দরবনের পরিবেশ এবং জীব-বৈচিত্রের কোন ক্ষতি করবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্লান্ট। এর ছাইও সিমেন্ট কারখানায় ব্যবহার হবে এবং সেটা কেনার জন্যও হিড়িক পড়েছে, টেন্ডারও দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এর চিমনি অনেক উপরে রাখায় প্রায় ১৪ কি.মি. দূরে থাকা সুন্দরবনের দিকে কোনভাবেই এর ধোঁয়া যাবে না এবং প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৫ লাখ বৃক্ষ রোপণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বুয়েটের ছাত্র আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবরার নিহত হওয়ার পর পরই ছাত্রদের আন্দোলন শুরুর আগে আইজিপিকে ডেকে ঘটনাস্থলের ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িত সকলকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিলেও পুলিশের ফুটেজ আনায় বাধাদানকারীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি দুর্নীতি বিরোধী অভিযান এবং কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিতিশীল পরিবেশ প্রসংগে বলেন, ‘এখানে আমি দলমত কোন কিছু দেখবো না। এটা আমার নীতির ব্যাপার। অপরাধী যেই হোক শাস্তি তাকে পেতে হবে। কারণ এই সমাজকে তো দুষ্ট চক্রের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি স্বার্থ কখনো বাংলাদেশের কারো কারো জন্য বড় হয়ে যায় এবং যেটা দুর্ভাগ্যের বিষয়।’

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।