কবুল হয়নি পরীমনির আবেদন
চিত্রনায়িকা পরীমনিকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে করা মামলায় পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ঢাকা বোট ক্লাবে মারধর ও শ্লীলতাহানির মামলা পুনঃ তদন্ত চেয়ে পরীমনির করা আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। একই সাথে মামলার পলাতক আসামি শাহ শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আজ ১৩ ডিসেম্বর, সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন এই আদেশ দেন।
ওই ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী রানা আচার্য গণমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।
আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পরীমনির করা মামলায় ১ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র গ্রহণ বিষয়ে শুনানির তারিখ ঠিক ছিল। সেদিন পরীমনি আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগপত্রের বিষয়ে নারাজি আবেদন দেন। একই সঙ্গে তিনি মামলাটি পুনরায় তদন্ত চেয়ে আবেদন করেন। যথাযথভাবে তদন্ত না করে তদন্ত প্রতিবেদনে জমা দেওয়ার অভিযোগ করেন পরীমনি। আদালত আজ সোমবার পরীমনির ওই আবেদন নাকচের আদেশ দেন।
পরীমনি তার মামলায় অভিযোগ করেন, গত ৮ জুন রাতে তাকে কৌশলে সাভারের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে ডেকে নিয়ে যান তার পূর্বপরিচিত তুহিন। সেখানে জোর করে তাকে মদ পান করানোর চেষ্টা করেন নাসির। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর মক্কেলের করা মামলায় নাসির উদ্দিন মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী ওরফে অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পরীমনি মামলা পুনঃ তদন্ত চেয়ে যে আবেদন করেছিলেন, তা নাকচ করেছেন আদালত। অপর আসামি শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল প্রতিবেদন বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩ মার্চ তারিখ ঠিক করেছেন আদালত।
ঢাকা বোট ক্লাবে মারধর ও শ্লীলতাহানির মামলায় গত ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ, তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম ও তুহিন সিদ্দিকী ওরফে অমির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এই মামলায় নাসির ও তুহিন জামিনে আছেন। শহিদুল পলাতক।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন