খুঁজুন
, ,

প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী, চলচ্চিত্রের জন্য ইতিবাচক বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 April, 2026, 12:27 am
প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী, চলচ্চিত্রের জন্য ইতিবাচক বার্তা

সপরিবারে ঈদের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই খবরের মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি দৃশ্য এখন ‘টক অব দ্য টাউন’। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, স্টার সিনেপ্লেক্স প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান। দেশের শীর্ষ নেতার এভাবে সাধারণ দর্শকদের মাঝে উপস্থিত হওয়ার মুহূর্তটি নেটিজেন ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটির দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শপিং মলে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে যান প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় সীমান্ত সম্ভার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে গিয়েছেন।

গুঞ্জন ছড়ায়, ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতেই তিনি সপরিবারে সেখানে গিয়েছিলেন।

স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানায়, এদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঈদের সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর বেশকিছু টিকিট সংগ্রহ করা হয়। আর সে থেকেই ছড়িয়ে পড়ে- ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

এমন গুঞ্জনের মাঝে বিষয়টি নিয়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর নির্মাতা তানিম নূরের সঙ্গে যোগাযোগ করে গণমাধ্যম। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বলেন, ‘আমিও এমনটাই শুনেছি। তবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসলে কোন সিনেমাটি দেখেছেন, তা অফিসিয়ালি কনফার্ম করা হয়নি। তাই স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছি না। আমি একটি বিবৃতি প্রস্তুত করছি, সেখানে বিস্তারিত জানাব।’

প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রীর সিনেমা দেখা প্রসঙ্গে এই তরুণ নির্মাতা বেশ অভিভূত। তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যদি তিনি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখে থাকেন এবং এই খবরটি সত্য হয়।”

এদিকে, ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিনেমা দেখা শেষ করে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান। এ সময় সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন, ‘সিনেমা কেমন ছিল?’ হাস্যোজ্জ্বল মুখে প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেন, ‘ভালো ছিল, দেখতে পারেন সবাই।’ এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার অন্যতম অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এর ফলে ভক্ত ও নেটিজেনরা একরকম ধরেই নিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-ই দেখেছেন।

তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারের প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখায় সাধারণ দর্শকরাও বেশ উচ্ছ্বসিত। তাদের মতে, দেশের শীর্ষ নেতার এভাবে সশরীরে টিকিট কেটে সিনেমা দেখা চলচ্চিত্রের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং আশাব্যঞ্জক একটি ঘটনা। এটি চলচ্চিত্র শিল্পকে অনুপ্রাণিত করবে।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমাটি দেখার কথা ছড়িয়ে পড়লেও ভিন্ন তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। জানা গেছে, বাংলা সিনেমা নয়, বরং হলিউডের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার ছবি ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ উপভোগ করতেই প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সন্ধ্যায় জিগাতলায় বিডিআর সীমান্ত সম্ভার সিনেমা হলে যান চলচ্চিত্র দেখতে। সাথে তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ছিলেন। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় সিনেমাটি উপভোগ করেন তারা।’

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এখনও দেড় ফুট পানি, হাঁটু পানিতে নেমে প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 1:35 pm
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এখনও দেড় ফুট পানি, হাঁটু পানিতে নেমে প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জানআলীহাট ও ষোলোশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা এখনও দেড় ফুট পানির নিচে থাকায় এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় হাটুপানিতে নেমে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে ডুবে থাকা রেলপথে পানির উচ্চতা কমলেও এখনও প্রায় দেড় ফুট পানি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা বাতিল করে পুনরায় ঢাকায় ফিরে যাবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, রেললাইন অক্ষত ও চলাচল উপযোগী রয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু করা হবে।

যাত্রীরা চাইলে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিটের মূল্য ফেরত নিতে পারবেন। আর ঢাকায় ফিরতে ইচ্ছুক যাত্রীরা বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ঢাকা যেতে পারবেন।

আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাত্রীদের ভোগান্তির জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 12:29 pm
চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক, অলিগলি, বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে পানি উঠেছে। নিচু এলাকার অনেক বাসায় পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ব্যাহত হয়েছে। কোথাও কোথাও টয়লেট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিচতলার বাসিন্দারা।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, হালিশহর, পাঁচলাইশ, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, পতেঙ্গা, কুয়াইশ, আকমল আলী সড়ক, মুরাদপুর, হাজি পাড়া, লালদিঘির পাড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, পলিটেকনিক মোড, গোলপাহাড় কাজিরহাটসহ নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে।

নগরীর বাকলিয়া এলাকায় দেখা যায়, অনেক দোকানপাটে পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়েছে। বাসিন্দারা আসবাবপত্র উঁচু স্থানে সরিয়ে রাখছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের নিয়ে অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।

চকবাজারের বাসিন্দা আবদুর রহিম বলেন, বৃষ্টির পানি আর ড্রেনের পানি এক হয়ে গেছে। টয়লেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না, পানি নামছেও না। ঘরের ভেতর দুর্গন্ধে থাকা দায় হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার সঙ্গে এখন স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

আগ্রাবাদের বাসিন্দা রেহানা বেগম বলেন, ঘরের নিচতলায় কোমর সমান পানি। রান্নাঘরেও পানি ঢুকে গেছে। চুলা জ্বালাতে পারছি না। সকাল থেকে পরিবারের সবাই শুকনো খাবার খেয়ে আছে। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ২৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। অতি ভারী বর্ষণের কারণে নগরের নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী আরও দুই দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায় বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী আন্তঃনগর পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত যেতে পারেনি। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ষোলোশহর এলাকায় আটকে পড়ার পর প্রায় ১১ ঘণ্টা অপেক্ষার শেষে রাত ১১টার দিকে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল ঘোষণা করে রেল কর্তৃপক্ষ।

ট্রেনে থাকা প্রায় এক হাজার যাত্রী, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন, দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তার মধ্যে স্টেশনে আটকে থাকেন। পরে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ট্রেনটি আর কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ বলেন, রেললাইনের ওপর অতিরিক্ত পানি থাকায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিকল্প কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের যাত্রা বাতিল হয়েছে, তাদের টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের সব জেলার বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 8:39 am
চট্টগ্রাম বোর্ডের সব জেলার বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

ভারী বৃষ্টপাত ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার বুধবারের (৮ জুলাই) এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিনগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড (সকল জেলা) এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা ২০২৬ স্থগিত করা হলো।

তবে, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন জেলা ব্যাতীত) অন্যান্য জেলার পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে, রাত ১০টার দিকে প্রথমে চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে এ দুটি জেলার সঙ্গে কক্সবাজার জেলার পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। সবশেষ রাত ১টা ১৫ মিনিটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন সব জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা এসেছে।