খুঁজুন
, ,

মুত্তাকী বনে সমাজে ভালো কাজ করে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে : তাহের শাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 November, 2019, 9:10 pm
মুত্তাকী বনে সমাজে ভালো কাজ করে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে : তাহের শাহ

নেজাম উদ্দিন রানা,রাউজান (চট্টগ্রাম) : রাউজান সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণকালের বৃহত্তম রাহমাতুল্লিল আলামিন সুন্নি কনফারেন্সে রাসুলে পাক (দ.) এর ৪১ তম বংশধর, রাহনুমায়ে শরীয়ত তরিক্বত, গাউছে জামান, আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.) হুজুর কিবলা বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অল্প সময়ের জন্য মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তাই এ সময়কে আখেরাতের জন্য কাজে লাগিয়ে মুত্তাকী বনে সমাজে ভালো কাজ করে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেহ এবং প্রাণ খুব অল্প সময়ের জন্য একত্রিত আছে। আর এই সংক্ষিপ্ত সময়টিই এবাদত বন্দেগীর একমাত্র সুযোগ। যা কবরে হাশরে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। এ জন্য নিজেদেরকে মন্দ লোক থেকে রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি দ্বীনি খেদমত করা অতিব জরুরি।

হুজুর কেবলা আরও বলেন, তাওবার মাধ্যমে জীবনের সকল পাপ মোচন হয়ে যায় বটে, কিন্তু জালেম ও অপরের হক্ব ধ্বংসকারী, আত্মসাতকারীরা কোন পার পাবেনা। যতক্ষণ না তিনি মাজলুমের কাছে ক্ষমা না চাইবে কিংবা হক্ব আদায় না করবে। তাই তিনি নব দীক্ষিতদেরকে নির্দেশ দেন যেন সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে কিংবা হক্ব পরিশোধ করে এ ধরনের পাপীদের পাপ মোচন করে নতুনভাবে তরিক্বত জীবন শুরু করে দুনিয়া ও আখিরাতকে উজ্জল করেন এবং দেশ সমাজ, মুসলিম মিল্লাতকে অশান্তি ও হানাহানি থেকে রক্ষা করার কাজে আত্মনিয়োজিত হন।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাউজান উপজেলা (উত্তর) গাউছিয়া কমিটি আয়োজিত রাহমাতুলল্লিল আলামিন সুন্নি কনফারেন্সে হুজুর কেবলা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ), আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামিদ শাহ (মা.জি.আ.)।

রাউজান উপজেলা (উত্তর) শাখা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াছ নূরীর সভাপতিত্বে ও মাওলানা ইয়াসিন হোসাইন হায়দরী এবং আহসান হাবিব চৌধুরী হাসানের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সহ-সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ সিরাজুল হক, আলহাজ শামসুদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন শাকের, অধ্যাপক কাজী শামসুর রহমান, গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় পরিষদ চেয়ারম্যান পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোনায়দে কবির সোহাগ, আরব আমিরাত গাউছিয়া কমিটির সেক্রেটারি আলহাজ জানে আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব । মাহফিলে বক্তব্য রাখেন গাউছিয়া কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, শায়খুল হাদিস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফি, মাওলানা জসিম উদ্দিন আজহারি, অধ্যক্ষ রফিক আহমদ ওসমানী, অধ্যক্ষ মারেফাতুন নুর, মাওলানা আহমদ উল্লাহ ফোরকান, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রকৌশলী নুরুল আজিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আনোয়ার ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক বশির উদ্দিন খান, রাউজান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ, তাওহিদুল আলম, ইউপি চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, বাবুল মিয়া মেম্বার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাউন্সিলর জানে আলম জনি, শওকত হোসেন, আসাদ উল্লাহ, মাওলানা ইব্রাহিম নঈমী, অধ্যক্ষ আবু জাফর, শাহাজাহান ইকবাল, সৈয়দ হোসেন কোম্পানী, অধ্যক্ষ আবু মোস্তাক আল কাদেরী, কামরুল আহসান চৌধুরী, কমর উদ্দিন সবুর, হাবিব উল্লাহ মাস্টার, আবু ইউচুপ চৌধুরী, সৈয়দ মুহাম্মদ হোসেন, উপজেলা গাউসিয়া কমিটি দক্ষিণের সভাপতি আবু বক্কর সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হানিফ।

উল্লেখ্য হুজুর কেবলার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কে কনফারেন্সস্থল কলেজমাঠ পর্যন্ত বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কয়েক শতাধিক তোরণ ও ফেস্টুন নির্মাণ করে আওলাদে রাসুলের প্রতি সম্মান জানান। মঞ্চে হুজুরের আসন গ্রহণ পর্ব থেকে লাখো মুসলিম জনতা নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুলুল্লাহ (দ.) স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তোলে পুরো এলাকা। এদিন বাদে আসর হাজার হাজার মহিলা রাউজান আর আর এসি স্কুল মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে অবস্থান নিয়ে হুজুরের নসিহত শুনে তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন।

মাহফিলে বক্তারা বলেন রাসুলে পাক (দ.) সমগ্র সৃষ্টি কুলের রহমত। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সবার ঈদ। এমনকি সকল ঈদের সেরা ঈদ। জসনে জুলুছ এ সেরা নির্মল আনন্দকে আরও বেশী আকর্ষনীয় এবং হৃদয়গ্রাহী করতে করে তুলেছে। আর বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশে জসনে জুলুছেরমত ইসলামী সংস্কৃতি প্রবর্তনসহ শত শত মাদ্রাসা কায়েমের জন্য দরবারে দরবারে সিরিকোটের অবদান চির স্মরণীয় এ দরবারে কাম কর-দ্বীনকো বাচাও উপদেশটি আজ বাণী চিরন্তন হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে লিখতে হবে।

কারণ এমন নির্দেশনার প্রভাবে আজ এ সিলসিলার লাখ লাখ মুরিদ- ভক্ত দ্বীন রক্ষার মিশনকে তাদের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে পালন করে যাচ্ছে বিধায় সুন্নিয়ত চর্চা আজ দেশ ব্যাপী আব্যাহত রয়েছে।

শুধু তসবিহ নয়, বরং সেবাই আসল তরিক্বত। আর দ্বীনের সেবা তথা ঈমান – আক্বিদার সেবা হল সব সেবার উর্ধ্বে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।