খুঁজুন
, ,

বিশ্বের গণতান্ত্রিক নেতাদের যেভাবে মুক্ত করেছে বেগম খালেদা জিয়াকেও সেভাবে মুক্ত করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 November, 2019, 10:42 pm
বিশ্বের গণতান্ত্রিক নেতাদের যেভাবে মুক্ত করেছে বেগম খালেদা জিয়াকেও সেভাবে মুক্ত করতে হবে

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মানুষ এখন বিয়ে বাড়ীতে উপহার নিয়ে যায় না। উপহার হিসেবে পেঁয়াজ নিয়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজের দাম এখন আড়ইশ টাকা ছাড়িয়েছে। ঘন্টায় ঘন্টায় পেঁয়াজের
দাম বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী পেঁয়াজের ব্যাপারে একটা সমাধান দিয়েছেন।

তিনি মানুষকে পেঁয়াজ খেতে মানা করেছেন। কারণ তার তো মানুষের ভোটের প্রয়োজন নেই। তিনি মানুষকে তোয়াক্কা করেন না। চট্টগ্রামে কৃষকদলের উদ্যোগে পেঁয়াজের উপর একটা সেমিনার আয়োজন করতে হবে। ৩০ টাকার পেঁয়াজ আড়াইশ টাকা কিভাবে হতে পারে এটার ইতিহাস মানুষ জানাতে হবে। তিনি বিশ্বের গণতান্ত্রিক নেতাদেরকে যেভাবে মুক্ত করেছে বেগম খালেদা জিয়াকেও সেভাবে মুক্ত করার
আহবান জানান।

তিনি আজ ১৬ নভেম্বর শনিবার বিকালে নগরীর কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল চট্টগ্রাম উওর জেলা শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন আগে দু’টি ট্রেন মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অথচ মন্ত্রী বলছে এর পিছনে নাকি নাশকতা আছে। এই মন্ত্রীরা জীবনেও ভোটে
নির্বাচিত হয়নি। এরা জনবিচ্ছিন্ন, এরা ভোট ডাকাত। মানুষের ভোট কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে আছে। তারা মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখেছে শুধু ক্ষমতায় থাকার জন্য, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য।

উপস্থিত নেতাকর্মীর একাংশ

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছে তা অন্য কোন নেতা পারেনি। তারা ক্যাসিনো উৎপাদন করতে পারে। শেয়ার বাজার লুট করতে পারে। মানুষের শ্রম দিয়ে উৎপাদনের মধ্যে যে আনন্দ, হালাল আয়ের মাধ্যমে একটি দেশ কোথায় যেতে পারে শহীদ জিয়া তা চিন্তা করেছিলেন। সেজন্য
তিনি কৃষক দল গঠন করেছিলেন। নির্বাচিত নতুন কমিটিকে শহীদ জিয়ার সে স্বপ্ন পূরণ করতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, দেশে যে অবস্থা চলছে তাতে কেউ শান্তিতে নেই। বর্তমানে কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসলের মূল্য না পেয়ে আগুন দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক বন্যায় সরকার কৃষকদের পাশে ছিল না। কৃষক দলের পক্ষ থেকে বন্যার্থদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। শহীদ জিয়া কৃষক দল গঠন করেছিলেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

তিনি বলেন, বুয়েট ছাত্র আবরারকে পিটিয়ে হত্যায় ছাত্রলীগের পঁচিশজন জড়িত ছিল। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসের কারাখানায় পরিণত হয়েছে। টর্চার সেল গঠন করে নেতাকর্মীদের নির্যাতন চালিয়েছে সেজন্য ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা: শাহাদাত হোসেন বলেন, যারা বলছেন পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করা যায়, পেঁয়াজ না খেলে কি হয় অথচ তারা পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করেনি। তারা জনগণের সমস্যা সমাধান না করে পেঁয়াজ না খাওয়ার যে পরামর্শ দিয়েছেন তা তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। এক সময় চালের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বলেছে ভাত না খেয়ে আলু খেতে। এখন বলছে পেঁয়াজ না
খেতে, দেশে পর পর ট্রেন দূর্ঘটনা হচ্ছে এর প্রতিকার কি ট্রেনে যাতায়াত না করা? তিনি ভোটের অধিকার ও বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে স্বতস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে বর্তমান সরকার দেশে এক অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। লুটেরা সরকারের সিন্ডিকেটের কাছে দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে
পড়েছে। জনবচ্ছিন্ন সরকার কৃষি নির্ভরতা থেকে আমদানী নির্ভর অর্থনীতি চালু করায় দেশে খাদ্য উৎপাদন কমেছে। তার সুযোগ নিচ্ছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হওয়া সিন্ডিকেট। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা
বিএনপির আহবায়ক লায়ন আসলাম চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ জিয়ার দূরদর্শীতায় দেশে উৎপাদনমূখি অর্থনীতি চালুর মাধ্যমে আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে। এই জন্য তিনি
দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে কৃষদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে কৃষক দলের প্রয়োজনীতা অনুভব করেছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উওর জেলা বিএনপি নেতা চাকসু ভিপি মো: নাজিম উদ্দীন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট। দেশে বিদেশের এর কোন ভিত্তি নেই। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে গণতন্ত্রের কোন মূল্য নেই।

কৃষকদল চট্টগ্রাম উওর জেলা শাখার সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফির পরিচালনায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কৃষক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এম এ হালিম। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা
বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন, কর্ণেল (অব:) আজিম উল্লাহ বাহার।

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, যুগ্ম সম্পাদক
শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শাহেদ বক্স, সামশুল হক, বিএনপি নেতা আজম খান, এড. আবু তাহের, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মনজুর রহমান চৌধুরী, কাজী সালাহ উদ্দিন, সোলায়মান মঞ্জু, মো. ইদ্রিস আলী, আবদুল হাই, মোস্তফা কামাল পাশা, মোরসালিন, দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের সভাপতি সৈয়দ সাইফুদ্দিন, মহানগর
কৃষকদলের মনিরুল ইসলাম মনু, কৃষকদল নেতা নাছিরুল কবির মনির, নাছির উদ্দিন, নুরুল আমিন তালুকদার, আবিদ হোসেন মানিক, নুরুল আলম মেম্বার, এড.আবু সাঈদ, আজিজুল হক, ডা. মিজানুর রহমান, নাসিম উদ্দিন সিকদার, মো.
মহিউদ্দিন, জুলফিকার আলী ভুট্টো, কাউসার কমিশনার প্রমুখ।

সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন উত্তর জেলা কৃষক দলের কমিটি ঘোষণা করেন। অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফিকে সভাপতি ও বদিউল আলম বদরুলকে সাধারণ সম্পাদক করে উত্তর জেলা কৃষকদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

Feb2
Feb2

পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:31 am
পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ২ টন খনিজ কয়লা ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি কাঠের বোট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোট দুটি থেকে প্রায় ২ টন খনিজ কয়লা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি সাম্পান বোটও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা কয়লা ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 9:22 am
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

রেলপথে নাশকতা ঠেকাতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী এবং জুলাই-আগস্টে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন না করে নাশকতা করছে। দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে এবং তারা পালিয়ে গেছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় পরাজিত ও পলাতক সেই শক্তি নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাশকতাকারীরা যেসব স্থান দিয়ে রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে অভ্যস্ত নন। তবে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের স্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে বোঝা যায়, যারা এই কাজ করেছে তারা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যেখানে আগুন লাগানো হয়েছে সেখানে অন্ধকার ছিল। স্টেশনে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নাশকতাকারী, তারা নাশকতার চেষ্টা করবেই। নাশকতা করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায়নি। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং তারাই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। নাশকতাকারীদের জনগণ ও প্রশাসন মিলে প্রতিহত করবে।

রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসন, আরএনবি, পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়েছে। এখন আরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে অঘটন না ঘটে। দুষ্কৃতিকারীরা চেষ্টা করবে, একই সঙ্গে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টাও করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। তবে এর কারণে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:42 am
যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন।