খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূজপুরে র‍্যাব ও চা শ্রমিকের সংঘর্ষ: এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ, ৫ র‍্যাব সদস্য আহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ভূজপুরে র‍্যাব ও চা শ্রমিকের সংঘর্ষ: এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ, ৫ র‍্যাব সদস্য আহত

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ ফটিকছড়ির ভূজপুর থানার বারমাসিয়া চা বাগানে র‍্যাব ও চা শ্রমিকের সংঘর্ষে ৫ র‍্যাব সদস্য আহত ও এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ সহ ১০/১২ চা শ্রমিক আহত হয়েছে। এসময় র‍্যাব’র একটি অস্ত্র হারিয়ে যায়। তখন রাতভর বাগানে অভিযান চালায় র‍্যাব ৭ ও ভূজপুর থানা পুলিশ। পরে মঙ্গলবার সকালে অস্ত্রটি উদ্ধার করে তারা।

এ ঘটনায় আহতদের ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিসৎসা দেয়া হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় একটি মাদক উদ্ধার অভিযানের সময় এঘটনা ঘটে বলে দাবী করেছে র‍্যাবের একটি সূত্র।

ঘটনার পর থেকে বন্ধ রয়েছে চা বাগানের যাবতীয় কার্যক্রম। মঙ্গলবার সকালে র‍্যাব এবং পুলিশ বাগানের ম্যানেজার, পঞ্চায়েত সভাপতি সহ অন্তত ১০ ব্যক্তিকে আটক করে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে চা বাগান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে সোমবার র‍্যাবের একটি দল সাদা পোষাকে বারমাসিয়া চা বাগানে অভিযান চালায়। এসময় তারা চা বাগানের শ্রমিক চিত্তরঞ্জন (৪৫) কে আটক করে। তখন কিছু শ্রমিক ডাকাত এসেছে বলে বাগানের পাগলা ঘন্টা বাজিয়ে দেয়।

এ সময় বাগানের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এসে র‍্যাব সদস্যদের ঘিরে তাদের উপর চড়াও হয়। দুই পক্ষ মারধর চলে। এসময় র‍্যাব সদস্যরা গুলি চালায়। এতে মনতোষ (৫৫) নামে এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়।

জানতে চাইলে র‌্যাবের চট্টগ্রাম জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম ইউসুফ বলেন, “র‌্যাবের টিম চা বাগানের পাশে চোলাই মদের কয়েকটি কারখানা ধ্বংস করে ফেরার পথে তাদের ওপর আক্রমণ হয়। লাঠিসোঠা, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণের পর র‌্যাবের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে র‌্যাব সদস্যরা শটগানের গুলি ছোঁড়েন। আমাদের দু’জন সদস্য ‍গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের মধ্যে কেউ আহত হয়েছেন কি না সেটা আমরা জানতে পারিনি। তবে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।”

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…