খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে করোনায় শনাক্ত বেড়ে ২২২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 12 January, 2022, 11:01 am
চট্টগ্রামে করোনায় শনাক্ত বেড়ে ২২২

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ২২২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি। শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৪০ শতাংশ।

১২ জানুয়ারি, বুধবার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, চট্টগ্রামের ১৩টি ল্যাবে ১ হাজার ৭৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২২২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৪ জনই চট্টগ্রাম নগরের বাসিন্দা। বাকি ৪৮ জনের মধ্যে সাতকানিয়ার ৬, বাঁশখালী ২, পটিয়া ১, বোয়ালখালীতে ১, রাঙ্গুনিয়ায় ৫, রাউজানে ৮, ফটিকছড়িতে ৮, হাটহাজারীতে ১২, সীতাকুণ্ডে ২ ও মিরসরাই উপজেলার ৩ জন বাসিন্দা রয়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৩১ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৭ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪২ জন, শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ২৬ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৬ জন, জেনারেল হাসপাতাল আরটিআরএল ল্যাবে ২৬ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৬ জন, ইপিক হেলথকেয়ার ল্যাবে ২১ জন, ল্যাব এইড হাসপাতাল ল্যাবে ২ জন, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ২০ জন, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ৯ জন ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ল্যাবে ৪ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৬৩২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৭৫ হাজার ১২৫ জন। বাকি ২৮ হাজার ৫০৭ জন বিভিন্ন উপজেলার।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭২৫ জন নগরের, বিভিন্ন উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ৬১০ জনের।

২০২০ সালের ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

এন-কে

Feb2
Feb2

দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 8:11 pm
দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে অতীতের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সংকট। আমরা তা অস্বীকার করছি না। তবে বৈশ্বিক কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যায় যাতে পড়তে না হয়, সে জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, অতীতে দেশ কীভাবে চলেছে? মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। তাই অতীতের মতো বিগত নির্বাচনেও জনগণ বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পাওয়া গেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে অচিরেই এই সংকটের সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।