খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় প্রবাসী ছোট ভাইয়ের কোটি টাকা আত্মসাত করলো বড় ভাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
লোহাগাড়ায় প্রবাসী ছোট ভাইয়ের কোটি টাকা আত্মসাত করলো বড় ভাই

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় প্রতারণার মাধ্যমে এক কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন বিদেশ ফেরত মোহাম্মদ সামশুল আলম।

২৫ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৫টার দিকে লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে আপন বড় ভাই ঠিকাদার ফারুক আহমদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেন ছোট ভাই বিদেশ ফেরত মোহাম্মদ শামসুল আলম।

লোহাগাড়া প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে সামশুল আলমের সাথে ছিলেন তার প্রতিবেশী মো. ইউনুছ মাস্টার ও আলমগীর প্রমূখ।

লিখিত বক্তব্যে সামশুল আলম বলেন, তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর প্রবাসে ছিলেন। তাঁর বিদেশকালীন সময়ে বিভিন্ন দফায় বড় ভাই মো. ফারুক কন্ট্রাক্টরের নিকট ১ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টরের কাছে ছোট ভাই প্রবাসী সমশুল আলমের নামে জায়গা জমি, দোকানপাট ও ফ্ল্যাট বাড়ি কেনার জন্য এসব টাকা পাঠিয়েছেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক লোহাগাড়া শাখায় ফারুক কন্ট্রাক্টরের নামীয় (হিসাব নাম্বার-০৪৬১১০৭৬০) একাউন্টে এসব টাকা পাঠানো হয়। টাকা প্রেরণের প্রমাণাদি সামশুল আলমের কাছে রয়েছে।

সামশুল আলম বিদেশ থেকে বাড়িতে আসার পর টাকার হিসাব চাইলে বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টর গড়িমসি করে। একপর্যায়ে বেশী বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি-ধমকি দেয়। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে আসছেন। একপর্যায়ে টাকা ফিরে পাওয়ার জন্য বিদেশ ফেরত সামশুল আলম লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দালিখ করলে চেয়ারম্যানের সালিশী বৈঠকে ৩৮ লাখ ৭২ হাজার টাকার হিসাব দেখিয়েছেন অভিযুক্ত বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টর।

অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের হুমকি-ধমকির কারণে বিদেশ ফেরত সমশুল আলম বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। বিদেশ ফেরত সামশুল আলম বড়ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায়, তার ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে জানান তিনি।

অভিযুক্ত বড় ভাই মো. ফারুক ও বিদেশ ফেরত সামশুল আলম লোহাগাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের কালোয়ার পাড়ার প্রয়াত আবদুল আলমের পুত্র।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…