খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কথা রেখেছেন জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, ত্রিপুরা পল্লীর দুর্গম গ্রাম হচ্ছে শহর!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
কথা রেখেছেন জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, ত্রিপুরা পল্লীর দুর্গম গ্রাম হচ্ছে শহর!

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : হাটহাজারী উপজেলার দুর্গম এলাকা মনাই ত্রিপুরা পল্লীতে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সার্বিক জীবন মান উন্নয়নের জন্য অঙ্গীকার করেছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনের সহযোগীতায় প্রথমবারের মতো দুর্গম এ পাহাড়ি এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি। তখন এলাকার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেছিলেন। কথা দিয়েছিলেন পাহাড়ি দুর্গম এলাকার সকল সমস্যা নিরসনে তিনি সার্বিক সহযোগীতা করে যাবেন।

তিনি কথা রেখেছেন। আজ মঙ্গলবার মনাই ত্রিপুরা পাড়ায় বিদ্যালয়ের প্রায় ১৩০ জন শিশুদের হাতে তিনি তুলে দিয়েছেন স্কুল ইউনিফর্ম, স্কুল ব্যাগ, খাতা, কলম, পানির বোতল, রেইনকোট, হ্যান্ডওয়াশ এবং বিভিন্ন ক্রীড়া উপকরণ (ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন)।

দুপুরে উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের উদালিয়া মনাই ত্রিপুরা পাড়ায় এসব ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি এসব সামগ্রী বিতরণ করেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দৃঢ প্রতিজ্ঞ জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন। এ লক্ষ্যে ত্রিপুরা পল্লীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জীবন মান উন্নয়নে এ এলাকায় দ্রুতই প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ, গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনসহ নানান উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছেন তিনি।

ত্রিপুরা পাড়ার জনসাধারণ প্রত্যন্ত এলাকায় থেকেও যাতে শহরের সকল সুবিধা ভোগ করতে পারে এজন্য মঙ্গলবার দুপুরে দ্বিতীয় বারের মতো দুর্গম এলাকায় উপস্থিত হয়ে এলাকায় দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।

আয়োজিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইসতেহারে বলেছিলেন গ্রাম হবে শহর। তাই প্রত্যেক গ্রামকে শহরের আদলে সাজাতে সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন। সরকারের উন্নত দেশ গড়ার ভিশন বাস্তবায়ন করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

সরকারের এ চ্যালেন্সকে সামনে রেখে ফরহাবাদ ইউনিয়নের উদালিয়ার অবহেলিত ত্রিপুরা পল্লীর জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। যে ত্রিপুরা পল্লীতে কোন স্বাস্থ্য, শিক্ষা,স্যানিটেশন,যোগাযোগ, বিনোদন, বিদ্যুৎ,ধর্মীয় উপাসনালয় ছিল না। বর্তমানে এ পল্লীবাসী এসব বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। এসব সমস্যার বেশীর ভাগই সমাধান হয়েছে। বাকী সমস্যা গুলো সমাধানের জন্য প্রশাসন কাজ করছে।

শুস্ক মৌসুমে ৭৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এইচবিবি সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হবে। অবহেলিত এ পল্লীর অধিবাসীদের দূর্যোগ সহনীয় বাসস্থান নির্মাণের উদ্যেগ গ্রহন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করে ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠির এ পল্লীকে মডেল হিসাব গড়ে তুলে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে গ্রামকে শহরের পরিণত করার অঙ্গিকার বাস্তবায়ন করা হবে।

ত্রিপুরা পল্লী চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, হাটহাজারী প্রেসক্লাবের সভাপতি কেশব কুমার বড়ুয়া, ১নং ফরহাদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো, ইদ্রিস মিয়া তালুকদার।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিয়াজ মোরশেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম এমরান ও ত্রিপুরা পল্লীর অধিবাসীদের পক্ষে সচিন ত্রিপুরা। পরে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ, স্কুল ড্রেস, ক্রীড়া সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, শুধু স্বপ্ন দেখলে হবে না। স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে আন্তরিক ভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম, ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আলী আকবরসহ ইউপি সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’