খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জীবনবাজি রেখে সন্ত্রাসী পাকরাও করলেন ওসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
জীবনবাজি রেখে সন্ত্রাসী পাকরাও করলেন ওসি

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : রাউজান উপজেলার পূর্ব রাউজানের রাবার বাগান সংলগ্ন ঘোড়া সামশু টিলা নামক দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র কারখানায় অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাত আলমগীর প্রকাশ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় ২০ টি অস্ত্রসহ অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এই অভিযানে আরেকটু হলে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ কেফায়েত উল্লাহ’র জীবন সংকটে পড়তে যাচ্ছিল। সৌভাগ্যক্রমে ডান হাতে ছুরিকাঘাত হলেও বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান তিনি। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্ত্রাসী আলমকে পাকরাও করেছেন তিনি।

অভিযানে থাকা রাউজান থানার একাধিক কর্মকর্তা বলেন, গোপন সূত্র ধরে ২০ নভেম্বর বুধবার ২.৪৫ মিনিটের সময় অস্ত্র তৈরির কারখানাটিতে অভিযান চালানোর সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আলমসহ তার অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ১৫ রাউন্ডের মতো গুলি ছোঁড়ে। এ সময় জীবনের মায়া ত্যাগ করে ঝুঁকি নিয়ে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ কেফায়েত উল্লাহ সন্ত্রাসী আলকে জাপটে ধরেন। সাথে সাথে সন্ত্রাসী আলম তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে ওসিকে আঘাত করার চেষ্ট করলে সৌভাগ্যক্রমে ছুরির আঘাতটি ডানহাতে তর্জনীতে লাগে। আঘাতে ওসির হাতের দুইটি রগ এবং হাড়ের কিছু অংশ কেটে যায়।

এ সময় অন্যান্য কর্মকর্তাগণ আসামীকে পাকড়াও করেন। হাতে রক্তক্ষরন হওয়ায় ওসিকে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থানায় ফেরেন ওসি।

ওসি কেফায়েত উল্লাহ রাউজান থানায় নিজ অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সৌভাগ্য ছুরির আঘাতটি পেটে লাগেনি। লাগলে বড় ধরনের বিপদও হতে পারতো। অস্ত্র কারখানায় অভিযানের সময় ওসিসহ এসআই সাইমুল ইসলাম, কনস্টেবল কামাল, কনস্টেবল হামিদ হোসাইন আহত হয়।

ওসির এই সাহসিকতায় প্রেরণা খুঁজছেন তার সহকর্মীরা। জীবনবাজি রেখে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের পাকড়াও করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি। অনেকে ওসির হাতে ব্যান্ডেজ থাকা ছবি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট দেন।

সংগঠক মঈনুদ্দিন জামাল চিশতি লিখেছেন, রাউজানের মানুষকে শান্তিতে রাখার জন্য, রাতে নির্ভয়ে-নিরাপদে ঘুমানোর জন্য, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে গিয়ে গতকাল রাতে নিজের জীবন বাজি রেখে সাহসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আমাদের প্রিয় রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব কেফায়েত উল্লাহ স্যার। সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে স্যারের হাতে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। সবাই দোয়া করবেন। রাউজানবাসী স্যারের এই সাহসিকতার কথা ভুলবে না কখনো।

রাউজানের আলোকিত সংগঠন সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের সভাপতি সাইদুল ইসলাম লেখেন, রাউজানকে কলঙ্কমুক্ত করার জন্য স্যারের যে ত্যাগ এবং অধ্যাবসার তার জন্য স্যারের প্রতি রাউজানের একজন বাসিন্দা হয়ে কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

রাউজানের নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক শেখ জাবেদ মিয়া লিখেন, আমি সহ আরো অফিসার ও ফোর্স অভিযানে অংশ নিলেও ওসি স্যারের একক দক্ষতা ও সাহসিকতায় শীর্ষ সন্ত্রাসী আলম ডাকাতকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।

শুধু থানা পুলিশের সহকর্মীরা নয় এমন সাহসিকতা অভিযানের জন্য প্রশংসায় সিক্ত হচ্ছেন ওসি কেফায়েত উল্লাহ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…